Wa in khiftum shiqaaqa baini himaa fab`asoo haka mam min ahlihee wa hakamam min ahlihaa; iny-yureedaaa islaah ai-yuwaffiqil laahu bainahumaa; innal laaha kaana `Aleeman Khabeeraa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যদি তাদের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ হওয়ার মত পরিস্থিতিরই আশঙ্কা কর, তবে স্বামীর পরিবার থেকে একজন এবং স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন সালিস নিযুক্ত করবে। তারা উভয়ের মীমাংসা চাইলে আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবকিছু অবহিত।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और ऐ हुक्काम (वक्त) अगर तुम्हें मियॉ बीवी की पूरी नाइत्तेफ़ाक़ी का तरफैन से अन्देशा हो तो एक सालिस (पन्च) मर्द के कुनबे में से एक और सालिस औरत के कुनबे में मुक़र्रर करो अगर ये दोनों सालिस दोनों में मेल करा देना चाहें तो ख़ुदा उन दोनों के दरमियान उसका अच्छा बन्दोबस्त कर देगा ख़ुदा तो बेशक वाक़िफ व ख़बरदार है
شِقَاق — স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য, বিরোধ ও বিচ্ছেদের আশঙ্কা।
حَكَمًا — মধ্যস্থতাকারী, বিচারক বা সালিশকারী।
مِّنْ أَهْلِهِ — স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে।
مِّنْ أَهْلِهَا — স্ত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে।
يُوَفِّقِ — মিলন ঘটানো, সম্প্রীতি স্থাপন করা।
عَلِيمًا خَبِيرًا — সর্বজ্ঞ, যিনি প্রকাশ্য-গোপন সব বিষয়ে অবগত।
তাফসীর:
হে মুসলিম সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিগণ! যদি তোমরা আশঙ্কা কর যে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এমন বিরোধ ও কলহ সৃষ্টি হয়েছে যা তাদের সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, তাহলে তোমরা উভয় পরিবারের পক্ষ থেকে দুজন ন্যায়পরায়ণ ও বিজ্ঞ ব্যক্তিকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করো—একজন স্বামীর পরিবার থেকে এবং另一位 স্ত্রীর পরিবার থেকে। এই দুইজন সালিশকারী যেন উভয় পক্ষের কথা শুনে ন্যায়সঙ্গতভাবে মীমাংসার চেষ্টা করে। তাদের কর্তব্য হবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সন্ধি স্থাপন করা, আর যদি সন্ধি সম্ভব না হয় তবে বিচ্ছেদের সুপারিশ করা। তবে সন্ধি ও মিলনই সর্বোত্তম এবং তা-ই কাম্য।
যদি এই দুইজন সালিশকারীর নিয়ত খাঁটি হয় এবং তারা সত্যিকার অর্থে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনতে চায়, তবে আল্লাহ তাআলা তাদের এই প্রচেষ্টায় বরকত দেবেন এবং স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা ও সম্প্রীতি স্থাপন করে দেবেন। কারণ আল্লাহ তাআলা সবকিছু জানেন—তিনি জানেন কার অন্তরে কী আছে, কার নিয়ত কেমন। তিনি প্রকাশ্য ও গোপন সব বিষয়ে সম্পূর্ণ অবগত। তাই যদি সালিশকারীদের নিয়ত শুদ্ধ হয়, তবে আল্লাহ তাদের কাজে সাফল্য দান করেন।
এ আয়াত থেকে আমরা শিখি—দাম্পত্য কলহ সমাধানে পরিবারের সদস্যদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম কখনোই সমস্যাকে উপেক্ষা করতে বলে না, বরং সমস্যা সমাধানের জন্য বাস্তবসম্মত ও ন্যায়সঙ্গত পথ দেখায়। পরিবারের বড়রা যখন ন্যায়পরায়ণতা ও আন্তরিকতার সাথে মধ্যস্থতা করে, তখন আল্লাহর সাহায্য তাদের সাথে থাকে। এই শিক্ষা আমাদের প্রতিটি মুসলিম পরিবারকে অনুসরণ করা উচিত, যাতে আমাদের সমাজে পারিবারিক বন্ধন আরও মজবুত হয় এবং ঘরে ঘরে শান্তি বিরাজ করে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে পারিবারিক শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন।
যদি তাদের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ হওয়ার মত পরিস্থিতিরই আশঙ্কা কর, তবে স্বামীর পরিবার থেকে একজন এবং স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন সালিস নিযুক্ত করবে। তারা উভয়ের মীমাংসা চাইলে আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবকিছু অবহিত।
পিতা-মাতা এবং নিকটাত্নীয়গণ যা ত্যাগ করে যান সেসবের জন্যই আমি উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করে দিয়েছি। আর যাদের সাথে তোমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়েছ তাদের প্রাপ্য দিয়ে দাও। আল্লাহ তা’আলা নিঃসন্দেহে সব কিছুই প্রত্যক্ষ করেন।
পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে। আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর। যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ।
যদি তাদের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ হওয়ার মত পরিস্থিতিরই আশঙ্কা কর, তবে স্বামীর পরিবার থেকে একজন এবং স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন সালিস নিযুক্ত করবে। তারা উভয়ের মীমাংসা চাইলে আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবকিছু অবহিত।
আর উপাসনা কর আল্লাহর, শরীক করো না তাঁর সাথে অপর কাউকে। পিতা-মাতার সাথে সৎ ও সদয় ব্যবহার কর এবং নিকটাত্নীয়, এতীম-মিসকীন, প্রতিবেশী, অসহায় মুসাফির এবং নিজের দাস-দাসীর প্রতিও। নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না দাম্ভিক-গর্বিতজনকে।
যারা নিজেরাও কার্পন্য করে এবং অন্যকেও কৃপণতা শিক্ষা দেয় আর গোপন করে সে সব বিষয় যা আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে দান করেছেন স্বীয় অনুগ্রহে-বস্তুতঃ তৈরী করে রেখেছি কাফেরদের জন্য অপমান জনক আযাব।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।