Wabtalul yataamaa hattaaa izaa balaghun nikaaha fa in aanastum minhum rushdan fad fa`ooo ilaihim amwaalahum wa laa taa kuloohaaa israafanw wa bidaaran ai yakbaroo; wa mai kaana ghaniyyan falyasta` fif wa mai kaana faqeeran falyaakul bilma`roof; fa izaa dafa`tum ilaihim amwaalahum fa`ashhidoo `alaihim; wa kafaa billaahi Haseeba
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আর এতীমদের প্রতি বিশেষভাবে নজর রাখবে, যে পর্যন্ত না তারা বিয়ের বয়সে পৌঁছে। যদি তাদের মধ্যে বুদ্ধি-বিবেচনার উন্মেষ আঁচ করতে পার, তবে তাদের সম্পদ তাদের হাতে অর্পন করতে পার। এতীমের মাল প্রয়োজনাতিরিক্ত খরচ করো না বা তারা বড় হয়ে যাবে মনে করে তাড়াতাড়ি খেয়ে ফেলো না। যারা স্বচ্ছল তারা অবশ্যই এতীমের মাল খরচ করা থেকে বিরত থাকবে। আর যে অভাবগ্রস্ত সে সঙ্গত পরিমাণ খেতে পারে। যখন তাদের হাতে তাদের সম্পদ প্রত্যার্পণ কর, তখন সাক্ষী রাখবে। অবশ্য আল্লাহই হিসাব নেয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और यतीमों को कारोबार में लगाए रहो यहॉ तक के ब्याहने के क़ाबिल हों फिर उस वक्त तुम उन्हे (एक महीने का ख़र्च) उनके हाथ से कराके अगर होशियार पाओ तो उनका माल उनके हवाले कर दो और (ख़बरदार) ऐसा न करना कि इस ख़ौफ़ से कि कहीं ये बड़े हो जाएंगे फ़ुज़ूल ख़र्ची करके झटपट उनका माल चट कर जाओ और जो (जो वली या सरपरस्त) दौलतमन्द हो तो वह (माले यतीम अपने ख़र्च में लाने से) बचता रहे और (हॉ) जो मोहताज हो वह अलबत्ता (वाजिबी) दस्तूर के मुताबिक़ खा सकता है पस जब उनके माल उनके हवाले करने लगो तो लोगों को उनका गवाह बना लो और (यूं तो) हिसाब लेने को ख़ुदा काफ़ी ही है
আর এতীমদের প্রতি বিশেষভাবে নজর রাখবে, যে পর্যন্ত না তারা বিয়ের বয়সে পৌঁছে। যদি তাদের মধ্যে বুদ্ধি-বিবেচনার উন্মেষ আঁচ করতে পার, তবে তাদের সম্পদ তাদের হাতে অর্পন করতে পার। এতীমের মাল প্রয়োজনাতিরিক্ত খরচ করো না বা তারা বড় হয়ে যাবে মনে করে তাড়াতাড়ি খেয়ে ফেলো না। যারা স্বচ্ছল তারা অবশ্যই এতীমের মাল খরচ করা থেকে বিরত থাকবে। আর যে অভাবগ্রস্ত সে সঙ্গত পরিমাণ খেতে পারে। যখন তাদের হাতে তাদের সম্পদ প্রত্যার্পণ কর, তখন সাক্ষী রাখবে। অবশ্য আল্লাহই হিসাব নেয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
وَابْتَلُوا – পরীক্ষা করো, যাচাই করো।
الْيَتَامَى – এতিমরা (যাদের পিতা মারা গেছে)।
بَلَغُوا النِّكَاحَ – বিবাহের বয়সে পৌঁছানো, অর্থাৎ বয়ঃপ্রাপ্ত হওয়া।
آنَسْتُم – তোমরা দেখতে পেয়েছ, অনুভব করতে পেরেছ।
رُشْدًا – বিবেক-বুদ্ধির পরিপক্বতা, অর্থ-সম্পদ রক্ষা ও সঠিকভাবে ব্যবহারের সামর্থ্য।
إِسْرَافًا – অপচয় করা, সীমালঙ্ঘন করা।
بِدَارًا – তাড়াহুড়ো করা, দ্রুত কিছু করা।
أَن يَكْبَرُوا – এই ভয়ে যে তারা বড় হয়ে যাবে (এবং তখন তাদের সম্পদ ফিরিয়ে দিতে হবে)।
فَلْيَسْتَعْفِفْ – সে যেন সংযম অবলম্বন করে, বিরত থাকে।
بِالْمَعْرُوفِ – ন্যায়সংগতভাবে, প্রয়োজন অনুযায়ী।
حَسِيبًا – হিসাব গ্রহণকারী, পর্যবেক্ষক।
তাফসির (ব্যাখ্যা):
হে অভিভাবকগণ! তোমাদের তত্ত্বাবধানে থাকা এতিমদের তোমরা পরীক্ষা করো। তাদের বুদ্ধি-বিবেক ও অর্থ-সম্পদ ব্যবহারের দক্ষতা যাচাই করো। যখন তারা বয়ঃপ্রাপ্ত হবে এবং বিবাহের উপযুক্ত হবে, তখন যদি তোমরা তাদের মধ্যে রুশদ বা পরিপক্বতা দেখতে পাও—অর্থাৎ তারা ধর্মে সঠিক পথে আছে এবং নিজেদের সম্পদ রক্ষা ও সঠিকভাবে খরচ করতে সক্ষম—তখন তাদের সম্পদ তাদের হাতে ফিরিয়ে দাও। কোনো অবস্থাতেই তাদের সম্পদ অন্যায়ভাবে, অপচয় করে, অথবা এই ভয়ে তাড়াহুড়ো করে খেয়ে ফেলো না যে, তারা বড় হয়ে গেলে তাদের সম্পদ তাদের হাতে তুলে দিতে হবে।
যে অভিভাবক নিজে স্বচ্ছল, সে যেন এতিমের সম্পদ থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকে। আর যে অভিভাবক অভাবগ্রস্ত, সে যেন ন্যায়সংগত পরিমাণে—প্রয়োজনের তাগিদে—সামান্য অংশ গ্রহণ করতে পারে, তবে তা যেন তার কাজের পারিশ্রমিকের মতো ন্যায্য হয়। যখন তোমরা তাদের সম্পদ তাদের হাতে ফিরিয়ে দেবে, তখন তাদের সামনে সাক্ষী রাখো, যাতে ভবিষ্যতে কোনো প্রকার বিবাদ বা অস্বীকৃতির সৃষ্টি না হয়। আর জেনে রাখো, আল্লাহই যথেষ্ট হিসাব গ্রহণকারী; তিনি তোমাদের সকল কাজের সাক্ষী এবং প্রতিটি ভালো-মন্দের হিসাব নেবেন।
শিক্ষা ও উপদেশ:
এতিমদের সম্পদ রক্ষা করা এবং তাদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ। এটি সমাজে এতিমদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের শিক্ষা দেয়।
সম্পদ হস্তান্তরের আগে বুদ্ধি-পরিপক্বতা যাচাই করা বুদ্ধিমানের কাজ। এটি দেখায় যে ইসলাম কতটা বিচক্ষণ ও দূরদর্শী—অপ্রাপ্তবয়স্ক বা অপরিণত ব্যক্তির হাতে সম্পদ তুলে দেওয়া হয় না।
সম্পদে অপচয় ও সীমালঙ্ঘন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। ইসলাম সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও সংরক্ষণে উৎসাহিত করে।
অভিভাবকের নিজের প্রয়োজন থাকলে সততার সাথে ন্যায্য পরিমাণ গ্রহণের অনুমতি আছে, কিন্তু অন্যায়ভাবে সম্পদ আত্মসাৎ করা সম্পূর্ণ হারাম। এটি আর্থিক সততা ও নৈতিকতার শিক্ষা দেয়।
লেনদেন ও সম্পদ হস্তান্তরের সময় সাক্ষী রাখা এবং দলিল-প্রমাণ সংরক্ষণ করা সামাজিক শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক। আর সর্বোপরি আল্লাহকে হিসাব গ্রহণকারী জেনে প্রতিটি কাজে সতর্ক থাকা—এটাই মুমিনের বৈশিষ্ট্য।
আর যে সম্পদকে আল্লাহ তোমাদের জীবন-যাত্রার অবলম্বন করেছেন, তা অর্বাচীনদের হাতে তুলে দিও না। বরং তা থেকে তাদেরকে খাওয়াও, পরাও এবং তাদেরকে সান্তনার বানী শোনাও।
আর এতীমদের প্রতি বিশেষভাবে নজর রাখবে, যে পর্যন্ত না তারা বিয়ের বয়সে পৌঁছে। যদি তাদের মধ্যে বুদ্ধি-বিবেচনার উন্মেষ আঁচ করতে পার, তবে তাদের সম্পদ তাদের হাতে অর্পন করতে পার। এতীমের মাল প্রয়োজনাতিরিক্ত খরচ করো না বা তারা বড় হয়ে যাবে মনে করে তাড়াতাড়ি খেয়ে ফেলো না। যারা স্বচ্ছল তারা অবশ্যই এতীমের মাল খরচ করা থেকে বিরত থাকবে। আর যে অভাবগ্রস্ত সে সঙ্গত পরিমাণ খেতে পারে। যখন তাদের হাতে তাদের সম্পদ প্রত্যার্পণ কর, তখন সাক্ষী রাখবে। অবশ্য আল্লাহই হিসাব নেয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট।
পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষদেরও অংশ আছে এবং পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে নারীদেরও অংশ আছে; অল্প হোক কিংবা বেশী। এ অংশ নির্ধারিত।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।