Lirrijaali naseebum mimmaa tarakal waalidaani wal aqraboona wa lin nisaaa`i naseebum mimmaa tarakal waalidaani wal aqraboona mimmaa qalla minhu aw kasur; naseebam mafroodaa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষদেরও অংশ আছে এবং পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে নারীদেরও অংশ আছে; অল্প হোক কিংবা বেশী। এ অংশ নির্ধারিত।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
मॉ बाप और क़राबतदारों के तर्के में कुछ हिस्सा ख़ास मर्दों का है और उसी तरह माँ बाब और क़राबतदारो के तरके में कुछ हिस्सा ख़ास औरतों का भी है ख्वाह तर्क कम हो या ज्यादा (हर शख्स का) हिस्सा (हमारी तरफ़ से) मुक़र्रर किया हुआ है
পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষদেরও অংশ আছে এবং পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে নারীদেরও অংশ আছে; অল্প হোক কিংবা বেশী। এ অংশ নির্ধারিত।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
نَصِيبٌ — অংশ, প্রাপ্য হিস্যা।
تَرَكَ — রেখে গেছে, মৃত্যুর পর যা পরিত্যাগ করেছে।
الْوَالِدَانِ — পিতা-মাতা।
الْأَقْرَبُونَ — নিকটাত্মীয়গণ।
مِمَّا قَلَّ مِنْهُ أَوْ كَثُرَ — তা অল্প হোক বা বেশি হোক।
نَصِيبًا مَّفْرُوضًا — নির্ধারিত ও ফরজ করা অংশ।
তাফসির:
আয়াতটি ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিধান তুলে ধরেছে। জাহেলিয়াতের যুগে আরব সমাজে নারী ও শিশুদের সম্পদ থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত করা হতো; কেবল প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষরাই মৃত ব্যক্তির সম্পদের উত্তরাধিকারী হতো। এই আয়াত সেই অন্যায় প্রথা বাতিল করে দেয়।
আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন যে, মৃত ব্যক্তির পিতা-মাতা ও নিকটাত্মীয়রা যা রেখে যায়, তাতে পুরুষদের যেমন নির্ধারিত অংশ রয়েছে, তেমনি নারীদেরও নির্ধারিত অংশ রয়েছে। এই অংশ কোনো অবস্থাতেই কমানো বা বাতিল করার সুযোগ নেই। সম্পদ অল্প হোক বা বেশি হোক, প্রত্যেকের প্রাপ্য অংশ অবশ্যই দিতে হবে। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে ফরজ করা একটি বাধ্যতামূলক বিধান, যা কিয়ামত পর্যন্ত সকল যুগে প্রযোজ্য।
এই আয়াত নারীদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও মর্যাদার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে, যা মানবসভ্যতার ইতিহাসে অতুলনীয়।
ফায়দা:
ইসলাম নারী ও শিশুদের অধিকার রক্ষায় কতটা যত্নবান, তা এই আয়াত থেকে স্পষ্ট হয়। ইসলামই প্রথম ধর্ম যা নারীদের উত্তরাধিকারের অধিকার দিয়েছে।
সম্পদের বণ্টনে আল্লাহর নির্ধারিত বিধান মান্য করা প্রতিটি মুসলিমের জন্য আবশ্যক; নিজের পছন্দমতো বণ্টন করার অনুমতি নেই।
এই আয়াত প্রমাণ করে যে, ইসলাম ধনী-গরিব, পুরুষ-নারী সবার জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে এবং সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করে।
পরকালে আল্লাহর কাছে প্রতিটি প্রাপ্য অংশের হিসাব দিতে হবে, তাই অন্যায়ভাবে কাউকে বঞ্চিত করা মারাত্মক গুনাহের কাজ।
আর যে সম্পদকে আল্লাহ তোমাদের জীবন-যাত্রার অবলম্বন করেছেন, তা অর্বাচীনদের হাতে তুলে দিও না। বরং তা থেকে তাদেরকে খাওয়াও, পরাও এবং তাদেরকে সান্তনার বানী শোনাও।
আর এতীমদের প্রতি বিশেষভাবে নজর রাখবে, যে পর্যন্ত না তারা বিয়ের বয়সে পৌঁছে। যদি তাদের মধ্যে বুদ্ধি-বিবেচনার উন্মেষ আঁচ করতে পার, তবে তাদের সম্পদ তাদের হাতে অর্পন করতে পার। এতীমের মাল প্রয়োজনাতিরিক্ত খরচ করো না বা তারা বড় হয়ে যাবে মনে করে তাড়াতাড়ি খেয়ে ফেলো না। যারা স্বচ্ছল তারা অবশ্যই এতীমের মাল খরচ করা থেকে বিরত থাকবে। আর যে অভাবগ্রস্ত সে সঙ্গত পরিমাণ খেতে পারে। যখন তাদের হাতে তাদের সম্পদ প্রত্যার্পণ কর, তখন সাক্ষী রাখবে। অবশ্য আল্লাহই হিসাব নেয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট।
পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষদেরও অংশ আছে এবং পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে নারীদেরও অংশ আছে; অল্প হোক কিংবা বেশী। এ অংশ নির্ধারিত।
তাদের ভয় করা উচিত, যারা নিজেদের পশ্চাতে দুর্বল অক্ষম সন্তান-সন্ততি ছেড়ে গেলে তাদের জন্যে তারাও আশঙ্কা করে; সুতরাং তারা যেন আল্লাহকে ভয় করে এবং সংগত কথা বলে।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।