Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
- وَحْيًا — ইলহাম বা অন্তরে প্রেরণ করা, অথবা স্বপ্নের মাধ্যমে।
- مِن وَرَاءِ حِجَابٍ — পর্দার আড়াল থেকে, যেখানে বান্দা আল্লাহর কথা শুনতে পায় কিন্তু তাঁকে দেখতে পায় না।
- رَسُولًا — ফেরেশতা, যেমন জিবরাঈল (আ.)।
- عَلِيٌّ — অতি উচ্চ, যাঁর কোনো তুলনা নেই।
- حَكِيمٌ — প্রজ্ঞাময়, যিনি প্রতিটি কাজ হিকমতের সাথে করেন।
তাফসীর:
আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের সাথে কথা বলার যে পদ্ধতিগুলো নির্ধারণ করেছেন, এই আয়াতে তা সুন্দরভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয় যে, আল্লাহ তাঁর সাথে সরাসরি এমনভাবে কথা বলবেন যেভাবে দুজন মানুষ মুখোমুখি হয়ে কথা বলে। বরং আল্লাহর সাথে মানুষের কথা বলার তিনটি পদ্ধতি রয়েছে:
প্রথম পদ্ধতি: ওহি বা ইলহাম — অর্থাৎ আল্লাহ কোনো বান্দার অন্তরে সরাসরি জ্ঞান বা নির্দেশ দান করেন, অথবা স্বপ্নের মাধ্যমে তাকে কিছু জানিয়ে দেন। এটি নবী-রাসূলদের ক্ষেত্রে যেমন ঘটেছে, তেমনি সাধারণ মুমিনদের ক্ষেত্রেও স্বপ্নের মাধ্যমে ভালো-মন্দের ইঙ্গিত হতে পারে।
দ্বিতীয় পদ্ধতি: পর্দার আড়াল থেকে কথা বলা — যেমন আল্লাহ তাআলা মুসা (আ.)-এর সাথে কথা বলেছেন। তিনি কথা শুনেছেন কিন্তু আল্লাহকে দেখতে পাননি। এটি একটি সম্মানজনক ও বিশেষ মর্যাদার পদ্ধতি।
তৃতীয় পদ্ধতি: ফেরেশতা প্রেরণ করা — আল্লাহ কোনো বান্দার কাছে জিবরাঈল (আ.)-এর মতো ফেরেশতা পাঠান, এবং সেই ফেরেশতা আল্লাহর পক্ষ থেকে ওহি পৌঁছে দেন। এটি অধিকাংশ নবী-রাসূলের ক্ষেত্রে ঘটেছে। ফেরেশতা আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কিছু বলেন না, বরং আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন তা-ই পৌঁছে দেন।
আল্লাহ তাআলা বলেন, তিনি অতি উচ্চ ও প্রজ্ঞাময়। তাঁর উচ্চতা মানে তিনি সকল সৃষ্টির গুণাবলী থেকে পবিত্র, আর তাঁর প্রজ্ঞা মানে তিনি যা কিছু করেন তা নিখুঁত হিকমতের সাথে করেন। এই আয়াত থেকে আল্লাহর কথা বলার গুণটি প্রমাণিত হয়, তবে তা এমনভাবে যা তাঁর মহিমার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ — আমরা জানি না তিনি কীভাবে কথা বলেন, তবে তিনি কথা বলেন।
শিক্ষা ও উপদেশ:
- আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু — তিনি সরাসরি কথা না বলে হলেও ওহি, পর্দা বা ফেরেশতার মাধ্যমে তাদের পথ দেখান।
- আল্লাহর সাথে কথা বলার পদ্ধতি মানুষের সাথে কথা বলার মতো নয় — এটি আমাদেরকে আল্লাহর মহত্ত্ব ও সীমাহীন ক্ষমতা সম্পর্কে সচেতন করে।
- নবী-রাসূলগণ যে মহান মর্যাদার অধিকারী ছিলেন তা এখান থেকে বোঝা যায় — আল্লাহ তাদের সাথে বিশেষভাবে কথা বলেছেন বা ফেরেশতা পাঠিয়েছেন।
- আমাদের উচিত আল্লাহর নির্দেশনা গ্রহণ করা এবং কুরআনকে আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা চূড়ান্ত বার্তা হিসেবে মেনে নেওয়া, কারণ এটি ওহির মাধ্যমেই আমাদের কাছে পৌঁছেছে।
- আল্লাহর প্রতিটি কাজ প্রজ্ঞাময় — তিনি যা কিছু করেন বা আদেশ করেন, তাতে কল্যাণ নিহিত রয়েছে। তাই আমাদের উচিত তাঁর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকা এবং তাঁর হিকমতের উপর ভরসা রাখা।
📜 আয়াত 49-53 — সূরা আশ-শুরা
অনুবাদ — আশ-শুরা 51
সূরা আশ-শুরা আয়াত 51 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : কোন মানুষের জন্য এমন হওয়ার নয় যে, আল্লাহ তার সাথে…সূরা আয়াত 51/53 — সূরা আশ-শুরা الشورى (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আশ-শুরা শুনুন, সূরা আশ-শুরা অনুবাদ, সূরা আশ-শুরা mp3, সূরা আশ-শুরা pdf. আয়াত 49–53. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আশ-শুরা
পবিত্র কুরআন
Friday, October 2, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


