Wa yu`azzibal munaafiqeena walmunaafiqaati wal mushrikeena walmushrikaatiz zaaanneena billaahi zannas saw`; `alaihim daaa`iratus saw`i wa ghadibal laahu `alaihim wa la`anahum wa a`adda lahum jahannama wa saaa` at maseeraa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
এবং যাতে তিনি কপট বিশ্বাসী পুরুষ ও কপট বিশ্বাসিনী নারী এবং অংশীবাদী পুরুষ ও অংশীবাদিনী নারীদেরকে শাস্তি দেন, যারা আল্লাহ সম্পর্কে মন্দ ধারণা পোষন করে। তাদের জন্য মন্দ পরিনাম। আল্লাহ তাদের প্রতি ক্রুদ্ধ হয়েছেন, তাদেরকে অভিশপ্ত করেছেন। এবং তাহাদের জন্যে জাহান্নাম প্রস্তুত রেখেছেন। তাদের প্রত্যাবর্তন স্থল অত্যন্ত মন্দ।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और मुनाफिक़ मर्द और मुनाफ़िक़ औरतों और मुशरिक मर्द और मुशरिक औरतों पर जो ख़ुदा के हक़ में बुरे बुरे ख्याल रखते हैं अज़ाब नाज़िल करे उन पर (मुसीबत की) बड़ी गर्दिश है (और ख़ुदा) उन पर ग़ज़बनाक है और उसने उस पर लानत की है और उनके लिए जहन्नुम को तैयार कर रखा है और वह (क्या) बुरी जगह है
এবং যাতে তিনি কপট বিশ্বাসী পুরুষ ও কপট বিশ্বাসিনী নারী এবং অংশীবাদী পুরুষ ও অংশীবাদিনী নারীদেরকে শাস্তি দেন, যারা আল্লাহ সম্পর্কে মন্দ ধারণা পোষন করে। তাদের জন্য মন্দ পরিনাম। আল্লাহ তাদের প্রতি ক্রুদ্ধ হয়েছেন, তাদেরকে অভিশপ্ত করেছেন। এবং তাহাদের জন্যে জাহান্নাম প্রস্তুত রেখেছেন। তাদের প্রত্যাবর্তন স্থল অত্যন্ত মন্দ।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
الظَّانِّينَ بِاللَّهِ ظَنَّ السَّوْءِ – যারা আল্লাহ সম্পর্কে মন্দ ধারণা পোষণ করে।
دَائِرَةُ السَّوْءِ – মন্দ পরিণতি তাদের উপরই আবর্তিত হবে।
لَعَنَهُمْ – তাদেরকে রহমত থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন।
مَصِيرًا – চূড়ান্ত গন্তব্য বা প্রত্যাবর্তনস্থল।
তাফসীর:
এই আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা ঘোষণা করেছেন যে, তিনি মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিক নারীদের এবং মুশরিক পুরুষ ও মুশরিক নারীদের শাস্তি দেবেন। এদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, এরা আল্লাহ সম্পর্কে মন্দ ধারণা পোষণ করে—যেমন, তারা মনে করে যে, আল্লাহ তাঁর রাসূল ও মুমিনদেরকে সাহায্য করবেন না এবং তাঁর দ্বীনকে বিজয়ী করবেন না। অথচ আল্লাহ তাঁর ওয়াদা পূরণ করেছেন এবং মুমিনদেরকে বিজয় দান করেছেন।
তাদের এই মন্দ ধারণার ফলেই তাদের উপর বিপর্যয় ও শাস্তি নেমে এসেছে। আল্লাহ তাদের উপর ক্রুদ্ধ হয়েছেন, তাদেরকে নিজের রহমত থেকে বিতাড়িত করেছেন এবং তাদের জন্য জাহান্নাম প্রস্তুত রেখেছেন। আর জাহান্নামই তাদের চূড়ান্ত গন্তব্য—কতই না নিকৃষ্ট এই প্রত্যাবর্তনস্থল!
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহ সম্পর্কে সুধারণা পোষণ করা প্রতিটি মুমিনের কর্তব্য। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু এবং তিনি সবসময় সত্যের পক্ষে থাকেন।
মুনাফিকি ও শিরক এমন মারাত্মক অপরাধ যে, এর পরিণতি কেবল দুনিয়াতেই নয়, আখিরাতেও ভয়াবহ। তাই আমাদেরকে সর্বদা এই দুটি রোগ থেকে নিজেদেরকে মুক্ত রাখতে হবে।
আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো—তাঁর উপর পূর্ণ আস্থা রাখা, তাঁর রাসূলের আনুগত্য করা এবং মুমিনদের সাথে ঐক্যবদ্ধ থাকা।
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, আল্লাহ তাঁর নবী ও মুমিনদেরকে কখনো একা ছাড়েন না। কঠিন পরিস্থিতিতেও আল্লাহর সাহায্য অবশ্যম্ভাবী—যদি আমরা ধৈর্য ধরি এবং তাঁর উপর ভরসা রাখি।
জাহান্নামের ভয় আমাদেরকে সৎকর্মে উদ্বুদ্ধ করে এবং গুনাহ থেকে দূরে রাখে। তাই আমাদের উচিত প্রতিদিন নিজেদেরকে এই ভয় ও আশার মধ্যে রাখা—আল্লাহর রহমতের আশা এবং তাঁর শাস্তির ভয়।
তিনি মুমিনদের অন্তরে প্রশান্তি নাযিল করেন, যাতে তাদের ঈমানের সাথে আরও ঈমান বেড়ে যায়। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের বাহিনীসমূহ আল্লাহরই এবং আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
ঈমান এজন্যে বেড়ে যায়, যাতে তিনি ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করান, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত। সেথায় তারা চিরকাল বসবাস করবে এবং যাতে তিনি তাদের পাপ মোচন করেন। এটাই আল্লাহর কাছে মহাসাফল্য।
এবং যাতে তিনি কপট বিশ্বাসী পুরুষ ও কপট বিশ্বাসিনী নারী এবং অংশীবাদী পুরুষ ও অংশীবাদিনী নারীদেরকে শাস্তি দেন, যারা আল্লাহ সম্পর্কে মন্দ ধারণা পোষন করে। তাদের জন্য মন্দ পরিনাম। আল্লাহ তাদের প্রতি ক্রুদ্ধ হয়েছেন, তাদেরকে অভিশপ্ত করেছেন। এবং তাহাদের জন্যে জাহান্নাম প্রস্তুত রেখেছেন। তাদের প্রত্যাবর্তন স্থল অত্যন্ত মন্দ।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।