Innal lazeena yuhaaaddoonal laaha wa Rasoolahoo kubitoo kamaa kubital lazeena min qablihim; wa qad anzalnaaa aayaatim baiyinaat; wa lilkaa fireena `azaabum muheen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যারা আল্লাহর তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা অপদস্থ হয়েছে, যেমন অপদস্থ হয়েছে তাদের পূর্ববর্তীরা। আমি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ নাযিল করেছি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
बेशक जो लोग ख़ुदा की और उसके रसूल की मुख़ालेफ़त करते हैं वह (उसी तरह) ज़लील किए जाएँगे जिस तरह उनके पहले लोग किए जा चुके हैं और हम तो अपनी साफ़ और सरीही आयतें नाज़िल कर चुके और काफिरों के लिए ज़लील करने वाला अज़ाब है
যারা আল্লাহর তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা অপদস্থ হয়েছে, যেমন অপদস্থ হয়েছে তাদের পূর্ববর্তীরা। আমি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ নাযিল করেছি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দের অর্থ:
يُحَادُّونَ – শত্রুতা করা, বিরোধিতা করা, সীমালঙ্ঘন করা।
كُبِتُوا – অপদস্থ ও লাঞ্ছিত করা হয়েছে, ধ্বংস করা হয়েছে।
آيَاتٍ بَيِّنَاتٍ – স্পষ্ট ও সুস্পষ্ট নিদর্শন বা প্রমাণ।
عَذَابٌ مُهِينٌ – অপমানজনক শাস্তি।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন যে, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরোধিতা করে, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং তাঁর আদেশ-নিষেধ অমান্য করে, তারা অবশ্যই অপদস্থ ও লাঞ্ছিত হবে। তাদের এই পরিণতি পূর্ববর্তী সেই সব জাতির মতোই হবে যারা তাদের নবীদের বিরুদ্ধে শত্রুতা পোষণ করেছিল এবং আল্লাহর বিধানকে অগ্রাহ্য করেছিল। ইতিহাস সাক্ষী যে, সেই সব জাতি শেষ পর্যন্ত ধ্বংস ও অপমানের শিকার হয়েছিল।
আল্লাহ আরও বলেছেন যে, তিনি তাঁর রাসূলের সত্যতা প্রমাণের জন্য স্পষ্ট আয়াত ও সুস্পষ্ট প্রমাণ নাযিল করেছেন, যা সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। এই প্রমাণাদি দেখার পরও যারা কুফরী করে এবং সত্যকে অস্বীকার করে, তাদের জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি, যা তাদেরকে চিরকালের জন্য লাঞ্ছিত করবে।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরোধিতা করা সর্বনাশা। ইতিহাসের পাতায় এর অসংখ্য প্রমাণ রয়েছে।
আল্লাহর বিধান ও রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুন্নাহকে সম্মান করা এবং তা মেনে চলা সাফল্যের চাবিকাঠি।
কুরআনের স্পষ্ট আয়াতসমূহ সত্যের পথ দেখায়। যে ব্যক্তি সত্য জানার পরও তা অমান্য করে, সে নিজের জন্যই ক্ষতি ডেকে আনে।
আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো তাঁর আদেশ পালন করা এবং নিষেধ থেকে বিরত থাকা।
এই আয়াত মুমিনদের জন্য সান্ত্বনা যে, সত্যের পথে থাকলে শত্রুর ষড়যন্ত্র তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না, বরং আল্লাহ নিজেই তাদের সাহায্য করবেন।
যারা তাদের স্ত্রীগণকে মাতা বলে ফেলে, অতঃপর নিজেদের উক্তি প্রত্যাহার করে, তাদের কাফফারা এই একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একটি দাসকে মুক্তি দিবে। এটা তোমাদের জন্যে উপদেশ হবে। আল্লাহ খবর রাখেন তোমরা যা কর।
যার এ সামর্থ্য নেই, সে একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একাদিক্রমে দুই মাস রোযা রাখবে। যে এতেও অক্ষম হয় সে ষাট জন মিসকীনকে আহার করাবে। এটা এজন্যে, যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণা দায়ক আযাব।
যারা আল্লাহর তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা অপদস্থ হয়েছে, যেমন অপদস্থ হয়েছে তাদের পূর্ববর্তীরা। আমি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ নাযিল করেছি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।
সেদিন স্মরণীয়; যেদিন আল্লাহ তাদের সকলকে পুনরুত্থিত করবেন, অতঃপর তাদেরকে জানিয়ে দিবেন যা তারা করত। আল্লাহ তার হিসাব রেখেছেন, আর তারা তা ভুলে গেছে। আল্লাহর সামনে উপস্থিত আছে সব বস্তুই।
আপনি কি ভেবে দেখেননি যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, আল্লাহ তা জানেন। তিন ব্যক্তির এমন কোন পরামর্শ হয় না যাতে তিনি চতুর্থ না থাকেন এবং পাঁচ জনেরও হয় না, যাতে তিনি ষষ্ঠ না থাকেন তারা এতদপেক্ষা কম হোক বা বেশী হোক তারা যেখানেই থাকুক না কেন তিনি তাদের সাথে আছেন, তারা যা করে, তিনি কেয়ামতের দিন তা তাদেরকে জানিয়ে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।