Yaaa ayyuhal lazeena aamaanoo koonooo ansaaral laahi kamaa qaala `Eesab-nu-Maryama lil Hawaariyyeena man ansaareee ilal laah; qaalal Hawaariyyoona nahnu ansaa rul laahi fa aamanat taaa`ifatum mim Bannee Israaa`eela wa kafarat taaa`ifatun fa ayyadnal lazeena aammanoo `alaa `aduwwihim fa asbahoo zaahireen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর সাহায্যকারী হয়ে যাও, যেমন ঈসা ইবনে-মরিয়ম তার শিষ্যবর্গকে বলেছিল, আল্লাহর পথে কে আমার সাহায্যকারী হবে? শিষ্যবর্গ বলেছিলঃ আমরা আল্লাহর পথে সাহায্যকারী। অতঃপর বনী-ইসরাঈলের একদল বিশ্বাস স্থাপন করল এবং একদল কাফের হয়ে গেল। যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছিল, আমি তাদেরকে তাদের শত্রুদের মোকাবেলায় শক্তি যোগালাম, ফলে তারা বিজয়ী হল।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
ऐ ईमानदारों ख़ुदा के मददगार बन जाओ जिस तरह मरियम के बेटे ईसा ने हवारियों से कहा था कि (भला) ख़ुदा की तरफ (बुलाने में) मेरे मददगार कौन लोग हैं तो हवारीन बोल उठे थे कि हम ख़ुदा के अनसार हैं तो बनी इसराईल में से एक गिरोह (उन पर) ईमान लाया और एक गिरोह काफिर रहा, तो जो लोग ईमान लाए हमने उनको उनके दुशमनों के मुक़ाबले में मदद दी तो आख़िर वही ग़ालिब रहे
মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর সাহায্যকারী হয়ে যাও, যেমন ঈসা ইবনে-মরিয়ম তার শিষ্যবর্গকে বলেছিল, আল্লাহর পথে কে আমার সাহায্যকারী হবে? শিষ্যবর্গ বলেছিলঃ আমরা আল্লাহর পথে সাহায্যকারী। অতঃপর বনী-ইসরাঈলের একদল বিশ্বাস স্থাপন করল এবং একদল কাফের হয়ে গেল। যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছিল, আমি তাদেরকে তাদের শত্রুদের মোকাবেলায় শক্তি যোগালাম, ফলে তারা বিজয়ী হল।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
أَنصَارَ اللهِ: আল্লাহর দ্বীনের সাহায্যকারী ও সহায়ক।
الْحَوَارِيِّينَ: হাওয়ারীগণ, অর্থাৎ ঈসা (আঃ)-এর ঘনিষ্ঠ ও বিশিষ্ট সাহাবীগণ, যারা তাঁর প্রতি ঈমান এনেছিলেন এবং তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন।
مَنْ أَنصَارِي إِلَى اللهِ: কে আছেন যিনি আল্লাহর পথে আমার সাহায্যকারী হবেন?
فَأَيَّدْنَا: আমরা শক্তি ও সাহায্য দান করলাম।
ظَاهِرِينَ: বিজয়ী ও প্রবল।
তাফসীর:
হে মুমিনগণ! যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উপর ঈমান এনেছ এবং তাঁর বিধান অনুযায়ী আমল করছ, তোমরাও আল্লাহর দ্বীনের সাহায্যকারী হয়ে যাও। যেমনটি করেছিলেন ঈসা ইবনে মারইয়াম (আঃ)-এর বিশিষ্ট সাহাবীগণ। যখন ঈসা (আঃ) তাদেরকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, “আল্লাহর পথে কে আমার সাহায্যকারী হবে?” তখন তারা সাথে সাথে সাড়া দিয়ে বলেছিল, “আমরাই আল্লাহর সাহায্যকারী।” এরপর বনী ইসরাঈলের একটি দল ঈসা (আঃ)-এর উপর ঈমান এনেছিল, আর আরেকটি দল তাঁর প্রতি কুফরি করেছিল। যারা ঈমান এনেছিল, আল্লাহ তাদেরকে শক্তি দান করেছিলেন এবং তাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে সাহায্য করেছিলেন, ফলে তারা বিজয়ী হয়েছিল। এই বিজয়ের পূর্ণতা এসেছে মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমনের মাধ্যমে, যখন ঈসা (আঃ)-এর প্রকৃত অনুসারীরা তাঁর উপর ঈমান এনেছিল এবং সত্য দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
ফায়দা:
আল্লাহর দ্বীনের সাহায্য করা প্রত্যেক মুমিনের দায়িত্ব—প্রাণ, ধন, জ্ঞান ও সময় দিয়ে।
সত্যের পথে আহ্বানকারীর জন্য আন্তরিক ও নিবেদিতপ্রাণ সহচর থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমনটি ঈসা (আঃ)-এর জন্য হাওয়ারীগণ ছিলেন।
ঈমান ও কুফরের দ্বন্দ্বে আল্লাহ সর্বদা সত্যের পথে থাকা মুমিনদেরই বিজয়ী করেন, যদিও তা কিছু সময় বিলম্বিত হয়।
সত্যের উপর অটল থাকলে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ সাহায্য ও সমর্থন আসে, যা শত্রুদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় এনে দেয়।
এই আয়াত মুসলিমদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইসলামের খেদমত করার প্রেরণা দেয় এবং তাদের মনে এই দৃঢ় বিশ্বাস জাগায় যে, আল্লাহর সাহায্য মুমিনদের সাথেই রয়েছে।
মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর সাহায্যকারী হয়ে যাও, যেমন ঈসা ইবনে-মরিয়ম তার শিষ্যবর্গকে বলেছিল, আল্লাহর পথে কে আমার সাহায্যকারী হবে? শিষ্যবর্গ বলেছিলঃ আমরা আল্লাহর পথে সাহায্যকারী। অতঃপর বনী-ইসরাঈলের একদল বিশ্বাস স্থাপন করল এবং একদল কাফের হয়ে গেল। যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছিল, আমি তাদেরকে তাদের শত্রুদের মোকাবেলায় শক্তি যোগালাম, ফলে তারা বিজয়ী হল।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।