Wa likulli ummatin ja`alnaa mansakal liyazkurus mal laahi `alaa maa razaqahum mim baheematil an`aam; failaahukum ilaahunw Waahidun falahooo aslimoo; wa bashshiril mukhbiteen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে কোরবানী নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা আল্লাহর দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ কারার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে। অতএব তোমাদের আল্লাহ তো একমাত্র আল্লাহ সুতরাং তাঁরই আজ্ঞাধীন থাক এবং বিনয়ীগণকে সুসংবাদ দাও;
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और हमने तो हर उम्मत के वास्ते क़ुरबानी का तरीक़ा मुक़र्रर कर दिया है ताकि जो मवेशी चारपाए खुदा ने उन्हें अता किए हैं उन पर (ज़िबाह के वक्त) ख़ुदा का नाम ले ग़रज़ तुम लोगों का माबूद (वही) यकता खुदा है तो उसी के फरमाबरदार बन जाओ
মানছাকান (مَنْسَكًا): কুরবানির স্থান, নিয়ম-নিয়ম বা ইবাদতের নির্ধারিত রীতি। এখানে উদ্দেশ্য কুরবানি ও রক্ত প্রবাহিত করার বিধান।
বাহীমাতিল আন‘আম (بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ): চতুষ্পদ গৃহপালিত পশু, যেমন উট, গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া।
মুখবিতীন (الْمُخْبِتِينَ): যারা আল্লাহর সামনে বিনয়ী, নম্র ও বশীভূত; যাদের অন্তর আল্লাহর ভয়ে নরম এবং যারা তাঁর ইবাদতে একনিষ্ঠ।
তাফসীর:
প্রতিটি উম্মতের জন্য আমরা কুরবানি ও রক্ত প্রবাহিত করার একটি নির্দিষ্ট রীতি নির্ধারণ করেছিলাম, যাতে তারা আমাদের দেওয়া পশুসম্পদ (উট, গরু, ছাগল ইত্যাদি) যবেহ করার সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করে এবং তাঁর অনুগ্রহের জন্য শুকরিয়া আদায় করে। এটি কেবল তোমাদের জন্যই নয়; বরং পূর্ববর্তী সকল নবী ও তাদের অনুসারীদের জন্যও এই বিধান ছিল। এর মাধ্যমে এক আল্লাহর ইবাদত ও তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাই প্রকাশ পায়।
হে মানুষ! তোমাদের প্রকৃত উপাস্য তো একমাত্র আল্লাহই। তিনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই। তাই তোমরা তাঁরই আনুগত্যে নিজেদের সম্পূর্ণরূপে সঁপে দাও এবং তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চলো। হে নবী! যারা নিজেদেরকে আল্লাহর সামনে সম্পূর্ণ বিনয়ী করেছে, যাদের অন্তর তাঁর ভয়ে নম্র, যারা তাঁর ইবাদতে আন্তরিক এবং মানুষের প্রতি বিনয়ী আচরণ করে—তাদেরকে সুসংবাদ দিন। তাদের জন্য রয়েছে দুনিয়ায় শান্তি ও সাহায্য এবং আখিরাতে জান্নাতের চিরস্থায়ী সুখ।
ফায়েদা (শিক্ষা):
কুরবানি একটি প্রাচীন ইবাদত, যা সকল নবী-রাসূলের যুগে ছিল। এটি ইসলামের মহান ঐতিহ্য এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের উত্তম মাধ্যম।
কুরবানির মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর নাম স্মরণ করা এবং তাঁর অনুগ্রহের শুকরিয়া আদায় করা। রক্ত বা গোশত আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না; বরং তাকওয়াই মূল বিষয়।
সকল নবী ও রাসূলের দাওয়াত একটাই—এক আল্লাহর ইবাদত। তাই ইসলামে কোনো বিভেদ নেই; সবাই একই সূত্রে গাঁথা।
আল্লাহর কাছে সেই ব্যক্তিই প্রিয়, যে বিনয়ী ও নম্র। অহংকার ও গর্ব আল্লাহ পছন্দ করেন না। বিনয়ী বান্দাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জায়গায় সুসংবাদ রয়েছে।
মুসলিম উম্মাহর উচিত কুরবানির মাধ্যমে আল্লাহর স্মরণ, সমাজে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতা সৃষ্টি করা এবং নিজেদেরকে আল্লাহর কাছে সম্পূর্ণ সমর্পণ করা।
আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে কোরবানী নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা আল্লাহর দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ কারার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে। অতএব তোমাদের আল্লাহ তো একমাত্র আল্লাহ সুতরাং তাঁরই আজ্ঞাধীন থাক এবং বিনয়ীগণকে সুসংবাদ দাও;
আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে কোরবানী নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা আল্লাহর দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ কারার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে। অতএব তোমাদের আল্লাহ তো একমাত্র আল্লাহ সুতরাং তাঁরই আজ্ঞাধীন থাক এবং বিনয়ীগণকে সুসংবাদ দাও;
এবং কা’বার জন্যে উৎসর্গীকৃত উটকে আমি তোমাদের জন্যে আল্লাহর অন্যতম নিদর্শন করেছি। এতে তোমাদের জন্যে মঙ্গল রয়েছে। সুতরাং সারিবদ্ধভাবে বাঁধা অবস্থায় তাদের যবেহ করার সময় তোমরা আল্লাহর নাম উচ্চারণ কর। অতঃপর যখন তারা কাত হয়ে পড়ে যায় তখন তা থেকে তোমরা আহার কর এবং আহার করাও যে কিছু যাচ্ঞা করে না তাকে এবং যে যাচ্ঞা করে তাকে। এমনিভাবে আমি এগুলোকে তোমাদের বশীভূত করে দিয়েছি, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।