Falammmaa qadaa Moosal ajala wa saara bi ahliheee aanasa min jaanibit Toori naaran qaala li ahlihim kusooo inneee aanastu naaral la `alleee aateekum minhaa bikhabarin aw jazwatim minan naari la `allakum tastaloon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
অতঃপর মূসা (আঃ) যখন সেই মেয়াদ পূর্ণ করল এবং সপরিবারে যাত্রা করল, তখন সে তুর পর্বতের দিক থেকে আগুন দেখতে পেল। সে তার পরিবারবর্গকে বলল, তোমরা অপেক্ষা কর, আমি আগুন দেখেছি। সম্ভবতঃ আমি সেখান থেকে তোমাদের কাছে কোন খবর নিয়ে আসতে পারি অথবা কোন জ্বলন্ত কাষ্ঠখন্ড আনতে পারি, যাতে তোমরা আগুন পোহাতে পার।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
ग़रज़ मूसा का छोटी लड़की से निकाह हो गया और रहने लगे फिर जब मूसा ने अपनी (दस बरस की) मुद्दत पूरी की और बीवी को लेकर चले तो अंधेरीरात जाड़ों के दिन राह भूल गए और बीबी सफ़ूरा को दर्द ज़ेह शुरु हुआ (इतने में) कोहेतूर की तरफ आग दिखायी दी तो अपने लड़के बालों से कहा तुम लोग ठहरो मैने यक़ीनन आग देखी है (मै वहाँ जाता हूँ) क्या अजब है वहाँ से (रास्ते की) कुछ ख़बर लाऊँ या आग की कोई चिंगारी (लेता आऊँ) ताकि तुम लोग तापो
অতঃপর মূসা (আঃ) যখন সেই মেয়াদ পূর্ণ করল এবং সপরিবারে যাত্রা করল, তখন সে তুর পর্বতের দিক থেকে আগুন দেখতে পেল। সে তার পরিবারবর্গকে বলল, তোমরা অপেক্ষা কর, আমি আগুন দেখেছি। সম্ভবতঃ আমি সেখান থেকে তোমাদের কাছে কোন খবর নিয়ে আসতে পারি অথবা কোন জ্বলন্ত কাষ্ঠখন্ড আনতে পারি, যাতে তোমরা আগুন পোহাতে পার।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
قَضَى الْأَجَلَ — নির্ধারিত সময়কাল পূর্ণ করা।
آنَسَ — দেখতে পাওয়া, চোখে পড়া।
الطُّورِ — পাহাড়ের নাম (সিনাই পর্বত)।
جَذْوَةٍ — কাঠের টুকরো যাতে আগুন আছে, কিন্তু শিখা নেই।
تَصْطَلُونَ — আগুন পোহানো বা উত্তাপ নেওয়া।
তাফসীর:
হযরত মুসা (আঃ) যখন তাঁর শ্বশুরের সাথে নির্ধারিত সময়কাল (দশ বছর) পূর্ণ করলেন এবং পরিবার-পরিজনসহ মিসরের দিকে রওনা হলেন, তখন পথিমধ্যে রাতে তিনি তুর পাহাড়ের দিক থেকে একটি আগুন দেখতে পেলেন। তখন তিনি তাঁর পরিবারের লোকদের বললেন: “তোমরা এখানে অবস্থান করো। আমি আগুন দেখতে পেয়েছি। সম্ভবত আমি সেখান থেকে তোমাদের জন্য পথের খবর নিয়ে আসতে পারব, অথবা আগুনের একটি জ্বলন্ত কাঠি নিয়ে আসতে পারব, যাতে তোমরা আগুন জ্বালিয়ে শীত থেকে রক্ষা পেতে পারো।”
এই ঘটনাটি ছিল মুসা (আঃ)-এর জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়। তিনি মনে করেছিলেন এটি একটি সাধারণ আগুন, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি ছিল আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি মহান নিদর্শন। সেখানেই আল্লাহ তাঁর সাথে কথা বলেছিলেন এবং তাকে নবুওয়াত দান করেছিলেন। এই আয়াতটি দেখায় যে, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জীবনের সাধারণ ঘটনাগুলোর মাধ্যমেও বড় পরিবর্তন আনতে পারেন।
শিক্ষা ও উপদেশ:
প্রতিশ্রুতি পূরণের গুরুত্ব: মুসা (আঃ) নির্ধারিত সময় পূর্ণ করে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন। একজন মুমিনের জীবনে প্রতিশ্রুতি পূরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীলতা: মুসা (আঃ) পরিবারের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে তাদের অবস্থান করতে বলে নিজে ঝুঁকি নিয়ে আগুনের খোঁজে গিয়েছিলেন। এটি শিক্ষা দেয় যে, পরিবারের প্রতি যত্নশীল হওয়া এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব।
আল্লাহর হিকমত: আমরা যা দেখি বা বুঝি, তা সবসময় বাস্তব নয়। মুসা (আঃ) যে আগুন দেখেছিলেন তা ছিল আল্লাহর বিশেষ নিদর্শন। আমাদের জীবনের প্রতিটি ঘটনার পেছনে আল্লাহর কোনো না কোনো হিকমত রয়েছে।
আল্লাহর সাহায্য সবসময় নিকটে: যখন মানুষ মনে করে সে একা বা সমস্যায় পড়েছে, তখন আল্লাহ তাঁর সাহায্য পাঠান। মুসা (আঃ) যখন পরিবার নিয়ে কঠিন পথে যাচ্ছিলেন, তখনই আল্লাহ তাঁর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করেছিলেন।
পিতা মূসাকে বললেন, আমি আমার এই কন্যাদ্বয়ের একজনকে তোমার সাথে বিবাহে দিতে চাই এই শর্তে যে, তুমি আট বছর আমার চাকুরী করবে, যদি তুমি দশ বছর পূর্ণ কর, তা তোমার ইচ্ছা। আমি তোমাকে কষ্ট দিতে চাই না। আল্লাহ চাহেন তো তুমি আমাকে সৎকর্মপরায়ণ পাবে।
মূসা বললেন, আমার ও আপনার মধ্যে এই চুক্তি স্থির হল। দু’টি মেয়াদের মধ্য থেকে যে কোন একটি পূর্ণ করলে আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকবে না। আমরা যা বলছি, তাতে আল্লাহর উপর ভরসা।
অতঃপর মূসা (আঃ) যখন সেই মেয়াদ পূর্ণ করল এবং সপরিবারে যাত্রা করল, তখন সে তুর পর্বতের দিক থেকে আগুন দেখতে পেল। সে তার পরিবারবর্গকে বলল, তোমরা অপেক্ষা কর, আমি আগুন দেখেছি। সম্ভবতঃ আমি সেখান থেকে তোমাদের কাছে কোন খবর নিয়ে আসতে পারি অথবা কোন জ্বলন্ত কাষ্ঠখন্ড আনতে পারি, যাতে তোমরা আগুন পোহাতে পার।
আরও বলা হল, তুমি তোমার লাঠি নিক্ষেপ কর। অতঃপর যখন সে লাঠিকে সর্পের ন্যায় দৌড়াদৌড়ি করতে দেখল, তখন সে মুখ ফিরিয়ে বিপরীত দিকে পালাতে লাগল এবং পেছন ফিরে দেখল না। হে মূসা, সামনে এস এবং ভয় করো না। তোমার কোন আশংকা নেই।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।