Allaahul lazee yursilur riyaaha fatuseeru sahaaban fa yabsutuhoo fis samaaa`i kaifa yashaaa`u wa yaj`aluhoo kisafan fataral wadqa yakhruju min khilaalihee fa izaaa asaaba bihee mai yashaaa`u min `ibaadiheee izaa hum yastabshiroon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তিনি আল্লাহ, যিনি বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর তা মেঘমালাকে সঞ্চারিত করে। অতঃপর তিনি মেঘমালাকে যেভাবে ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন এবং তাকে স্তরে স্তরে রাখেন। এরপর তুমি দেখতে পাও তার মধ্য থেকে নির্গত হয় বৃষ্টিধারা। তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদেরকে ইচ্ছা পৌঁছান; তখন তারা আনন্দিত হয়।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
ख़ुदा ही (क़ादिर तवाना) है जो हवाओं को भेजता है तो वह बादलों को उड़ाए उड़ाए फिरती हैं फिर वही ख़ुदा बादल को जिस तरह चाहता है आसमान में फैला देता है और (कभी) उसको टुकड़े (टुकड़े) कर देता है फिर तुम देखते हो कि बूँदियां उसके दरमियान से निकल पड़ती हैं फिर जब ख़ुदा उन्हें अपने बन्दों में से जिस पर चहता है बरसा देता है तो वह लोग खुशियाँ माानने लगते हैं
তিনি আল্লাহ, যিনি বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর তা মেঘমালাকে সঞ্চারিত করে। অতঃপর তিনি মেঘমালাকে যেভাবে ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন এবং তাকে স্তরে স্তরে রাখেন। এরপর তুমি দেখতে পাও তার মধ্য থেকে নির্গত হয় বৃষ্টিধারা। তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদেরকে ইচ্ছা পৌঁছান; তখন তারা আনন্দিত হয়।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
يُرْسِلُ الرِّيَاحَ – বায়ু প্রেরণ করেন।
فَتُثِيرُ سَحَابًا – অতঃপর তা মেঘমালাকে উদ্বেলিত করে/উত্তোলিত করে।
فَيَبْسُطُهُ – অতঃপর তিনি তা বিস্তৃত করেন।
كِسَفًا – খণ্ডবিখণ্ড/স্তরে স্তরে বিভক্ত অংশ।
الْوَدْقَ – বৃষ্টি।
مِنْ خِلَالِهِ – মেঘের মধ্যবর্তী ফাঁক দিয়ে।
يَسْتَبْشِرُونَ – তারা আনন্দিত হয়/সুসংবাদ গ্রহণ করে।
তাফসির:
আল্লাহই সেই সত্তা যিনি বায়ুপ্রবাহ পাঠান। সেই বায়ু মেঘমালাকে সঞ্চালিত করে, তাকে উত্তোলন করে এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করে। অতঃপর আল্লাহ নিজ ইচ্ছানুযায়ী সেই মেঘকে আকাশে বিস্তৃত করেন—কখনো তা অল্প থাকে, কখনো বা প্রচুর পরিমাণে ছড়িয়ে পড়ে। তিনি তাকে খণ্ডবিখণ্ডও করে দেন, যাতে মেঘের স্তূপগুলো দৃশ্যমান হয়। এরপর আপনি দেখতে পান যে, সেই মেঘের মধ্যবর্তী ফাঁক দিয়ে বৃষ্টির ফোঁটা বেরিয়ে আসছে। যখন আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদেরকে চান, সেই বৃষ্টি দ্বারা সিক্ত করেন, তখন তারা অত্যন্ত আনন্দিত হয় এবং আল্লাহর রহমতের এই নিদর্শনে উৎফুল্ল হয়ে ওঠে। কারণ তারা জানে যে, এই বৃষ্টিই তাদের জীবিকা, শস্যক্ষেত্রের উর্বরতা ও জীবনধারণের মাধ্যম। এই আনন্দ তাদের অন্তরে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জাগিয়ে তোলে।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
এই আয়াত আমাদেরকে আল্লাহর ক্ষমতা ও জ্ঞানের অসীমতা সম্পর্কে সচেতন করে। বায়ু, মেঘ ও বৃষ্টির এই সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়; বরং এটি মহান স্রষ্টার নিখুঁত পরিকল্পনার ফল।
বৃষ্টি যখন বর্ষিত হয়, তখন মানুষের মনে যে আনন্দ ও উৎফুল্লতা সৃষ্টি হয়, তা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু ও রহমতশীল। তিনি তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী রিজিক পাঠান।
প্রকৃতির এই চক্র আমাদেরকে শিক্ষা দেয় যে, জীবনের কঠিন সময়ের পর যেমন বৃষ্টির পর সবুজায়ন আসে, তেমনি ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর ভরসা রাখলে দুঃখ-কষ্টের পর স্বস্তি ও সাফল্য আসবেই।
এই আয়াত আমাদেরকে আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে শেখায়। বৃষ্টি পাওয়ার আনন্দকে আমরা কেবল পার্থিব সুখ হিসেবে নয়, বরং আল্লাহর রহমতের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখব, যা আমাদের ঈমানকে মজবুত করে।
তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে একটি এই যে, তিনি সুসংবাদবাহী বায়ু প্রেরণ করেন, যাতে তিনি তাঁর অনুগ্রহ তোমাদের আস্বাদন করান এবং যাতে তাঁর নির্দেশে জাহাজসমূহ বিচরণ করে এবং যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ তালাশ কর এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ হও।
আপনার পূর্বে আমি রসূলগণকে তাঁদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ের কাছে প্রেরণ করেছি। তাঁরা তাদের কাছে সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী নিয়ে আগমন করেন। অতঃপর যারা পাপী ছিল, তাদের আমি শাস্তি দিয়েছি। মুমিনদের সাহায্য করা আমার দায়িত্ব।
তিনি আল্লাহ, যিনি বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর তা মেঘমালাকে সঞ্চারিত করে। অতঃপর তিনি মেঘমালাকে যেভাবে ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন এবং তাকে স্তরে স্তরে রাখেন। এরপর তুমি দেখতে পাও তার মধ্য থেকে নির্গত হয় বৃষ্টিধারা। তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদেরকে ইচ্ছা পৌঁছান; তখন তারা আনন্দিত হয়।
অতএব, আল্লাহর রহমতের ফল দেখে নাও, কিভাবে তিনি মৃত্তিকার মৃত্যুর পর তাকে জীবিত করেন। নিশ্চয় তিনি মৃতদেরকে জীবিত করবেন এবং তিনি সব কিছুর উপর সর্বশক্তিমান।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।