Wa maa lakum laa tuqaatiloona fee sabeelil laahi walmustad`afeena minar rijaali wannisaaa`i walwildaanil lazeena yaqooloona Rabbanaaa akhrijnaa min haazihil qaryatiz zaalimi ahluhaa waj`al lanaa mil ladunka waliyanw waj`al lanaa mil ladunka naseeraa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আর তোমাদের কি হল যে, তেমারা আল্লাহর রাহে লড়াই করছ না দুর্বল সেই পুরুষ, নারী ও শিশুদের পক্ষে, যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদিগকে এই জনপদ থেকে নিষ্কৃতি দান কর; এখানকার অধিবাসীরা যে, অত্যাচারী! আর তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য পক্ষালম্বনকারী নির্ধারণ করে দাও এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দাও।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(और मुसलमानों) तुमको क्या हो गया है कि ख़ुदा की राह में उन कमज़ोर और बेबस मर्दो और औरतों और बच्चों (को कुफ्फ़ार के पंजे से छुड़ाने) के वास्ते जेहाद नहीं करते जो (हालते मजबूरी में) ख़ुदा से दुआएं मॉग रहे हैं कि ऐ हमारे पालने वाले किसी तरह इस बस्ती (मक्का) से जिसके बाशिन्दे बड़े ज़ालिम हैं हमें निकाल और अपनी तरफ़ से किसी को हमारा सरपरस्त बना और तू ख़ुद ही किसी को अपनी तरफ़ से हमारा मददगार बना
আর তোমাদের কি হল যে, তেমারা আল্লাহর রাহে লড়াই করছ না দুর্বল সেই পুরুষ, নারী ও শিশুদের পক্ষে, যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদিগকে এই জনপদ থেকে নিষ্কৃতি দান কর; এখানকার অধিবাসীরা যে, অত্যাচারী! আর তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য পক্ষালম্বনকারী নির্ধারণ করে দাও এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দাও।
وَالْمُسْتَضْعَفِينَ — এবং দুর্বল-নির্যাতিতদের (মুক্তির) জন্য।
الْوِلْدَانِ — শিশুদের।
الْقَرْيَةِ الظَّالِمِ أَهْلُهَا — সেই জনপদ যার অধিবাসীরা অত্যাচারী।
وَلِيًّا — অভিভাবক/রক্ষক।
نَصِيرًا — সাহায্যকারী/সমর্থক।
তাফসীর:
হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে কী阻止 করছে যে, তোমরা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করবে না? অথচ এমন অনেক দুর্বল-নির্যাতিত মানুষ আছে—পুরুষ, নারী ও শিশু—যাদের পক্ষে তোমাদের সাহায্য করা জরুরি। তারা মক্কায় আটকা পড়ে আছে, মুশরিকরা তাদের ওপর অত্যাচার করছে, হিজরত করতে দিচ্ছে না, ধর্ম পালনে বাধা দিচ্ছে। তাদের কোনো উপায় নেই, কোনো সাহায্যকারীও নেই। তারা শুধু আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানিয়ে বলে: "হে আমাদের রব! আমাদেরকে এই অত্যাচারী জনপদ থেকে বের করে নাও। এখানকার অধিবাসীরা আমাদের প্রতি চরম জুলুম করছে। আর তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য এমন একজন অভিভাবক নিযুক্ত করো, যে আমাদের দেখাশোনা করবে এবং আমাদের জন্য এমন একজন সাহায্যকারী পাঠাও, যে আমাদের ওপর অত্যাচারকারীদের বিরুদ্ধে রক্ষা করবে।"
আল্লাহ তাআলা মুমিনদেরকে এই দুর্বল-নির্যাতিতদের উদ্ধারের জন্য যুদ্ধ করার নির্দেশ দিচ্ছেন এবং তাদের এই দোয়ার কথা উল্লেখ করে মুমিনদের অন্তরকে উদ্বুদ্ধ করছেন। এই আয়াত নাযিলের পর আল্লাহ তায়ালা মুমিনদেরকে মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে এই দোয়ার উত্তর দেন এবং তাদের জন্য অভিভাবক ও সাহায্যকারী নিযুক্ত করেন।
শিক্ষা ও উপদেশ:
ইসলাম শুধু নিজের স্বার্থ রক্ষার জন্য সংগ্রাম শেখায় না, বরং অন্যায়ের শিকার দুর্বল-নির্যাতিত মানুষের পক্ষে দাঁড়ানোও ঈমানের দাবি। যে সমাজে নির্যাতিতদের কণ্ঠস্বর নেই, সেখানে সত্যিকারের মুমিনের কর্তব্য হলো তাদের পক্ষে রুখে দাঁড়ানো।
দুর্বল ও অসহায় মানুষের দোয়া আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়। তাদের ফরিয়াদ আল্লাহ কখনো ফিরিয়ে দেন না। তাই আমাদের উচিত নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের কষ্ট অনুভব করা এবং তাদের জন্য দোয়া করা।
আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখতে হবে। যখন মানুষ সব উপায় হারিয়ে ফেলে, তখন আল্লাহই একমাত্র ভরসাস্থল। তিনি তার বান্দাদের জন্য অভিভাবক ও সাহায্যকারী নিযুক্ত করেন, যেমনটি মক্কার মুস্তাজাফিনদের ক্ষেত্রে করেছেন।
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরব থাকা ঈমানদারের বৈশিষ্ট্য নয়। যেখানে ইসলাম ও মুসলমানদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে, সেখানে প্রাণ ও সম্পদ দিয়ে হলেও সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো জরুরি।
সমাজের দুর্বল শ্রেণি—নারী, শিশু, বৃদ্ধ—যাদের কেউ সাহায্য করে না, তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রতিটি মুসলিমের দায়িত্ব।
পক্ষান্তরে তোমাদের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন অনুগ্রহ আসলে তারা এমন ভাবে বলতে শুরু করবে যেন তোমাদের মধ্যে এবং তাদের মধ্যে কোন মিত্রতাই ছিল না। (বলবে) হায়, আমি যদি তাদের সাথে থাকতাম, তাহলে আমি ও যে সফলতা লাভ করতাম।
কাজেই আল্লাহর কাছে যারা পার্থিব জীবনকে আখেরাতের পরিবর্তে বিক্রি করে দেয় তাদের জেহাদ করাই কর্তব্য। বস্তুতঃ যারা আল্লাহর রাহে লড়াই করে এবং অতঃপর মৃত্যুবরণ করে কিংবা বিজয় অর্জন করে, আমি তাদেরকে মহাপুণ্য দান করব।
আর তোমাদের কি হল যে, তেমারা আল্লাহর রাহে লড়াই করছ না দুর্বল সেই পুরুষ, নারী ও শিশুদের পক্ষে, যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদিগকে এই জনপদ থেকে নিষ্কৃতি দান কর; এখানকার অধিবাসীরা যে, অত্যাচারী! আর তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য পক্ষালম্বনকারী নির্ধারণ করে দাও এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দাও।
যারা ঈমানদার তারা যে, জেহাদ করে আল্লাহর রাহেই। পক্ষান্তরে যারা কাফের তারা লড়াই করে শয়তানের পক্ষে সুতরাং তোমরা জেহাদ করতে থাক শয়তানের পক্ষালম্বনকারীদের বিরুদ্ধে, (দেখবে) শয়তানের চক্রান্ত একান্তই দুর্বল।
তুমি কি সেসব লোককে দেখনি, যাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল যে, তোমরা নিজেদের হাতকে সংযত রাখ, নামায কায়েম কর এবং যাকাত দিতে থাক? অতঃপর যখন তাদের প্রতি জেহাদের নির্দেশ দেয়া হল, তৎক্ষণাৎ তাদের মধ্যে একদল লোক মানুষকে ভয় করতে আরম্ভ করল, যেমন করে ভয় করা হয় আল্লাহকে। এমন কি তার চেয়েও অধিক ভয়। আর বলতে লাগল, হায় পালনকর্তা, কেন আমাদের উপর যুদ্ধ ফরজ করলে! আমাদেরকে কেন আরও কিছুকাল অবকাশ দান করলে না। ( হে রসূল) তাদেরকে বলে দিন, পার্থিব ফায়দা সীমিত। আর আখেরাত পরহেযগারদের জন্য উত্তম। আর তোমাদের অধিকার একটি সূতা পরিমান ও খর্ব করা হবে না।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।