Wa law annanaa nazzal naaa ilaihimul malaaa`ikata wa kallamahumul mawtaa wa hasharnaa `alaihim kulla shai`in qubulam maa kaanoo liyu`minooo illaaa ai yashaaa`al laahu wa laakinna aksarahum yajhaloon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আমি যদি তাদের কাছে ফেরেশতাদেরকে অবতারণ করতাম এবং তাদের সাথে মৃতরা কথাবার্তা বলত এবং আমি সব বস্তুকে তাদের সামনে জীবিত করে দিতাম, তথাপি তারা কখনও বিশ্বাস স্থাপনকারী নয়; কিন্তু যদি আল্লাহ চান। কিন্তু তাদের অধিকাংশই মুর্খ।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और (ऐ रसूल सच तो ये है कि) हम अगर उनके पास फरिश्ते भी नाज़िल करते और उनसे मुर्दे भी बातें करने लगते और तमाम (मख़फ़ी(छुपी)) चीज़ें (जैसे जन्नत व नार वग़ैरह) अगर वह गिरोह उनके सामने ला खड़े करते तो भी ये ईमान लाने वाले न थे मगर जब अल्लाह चाहे लेकिन उनमें के अक्सर नहीं जानते
হে নবী! এই আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা ঘোষণা করছেন যে, যদি আমরা তাদের প্রস্তাবিত সব অলৌকিক ঘটনা ঘটিয়ে দিতাম—আকাশ থেকে ফেরেশতাদের অবতরণ করাতাম, তারা তাদের চোখের সামনে ফেরেশতাদের দেখতে পেত, মৃত ব্যক্তিদের জীবিত করে তাদের সাথে কথা বলাতাম, যারা সত্যায়ন করত যে আপনি সত্য নবী, এবং তাদের চাওয়া প্রতিটি জিনিস দলেবলে তাদের সামনে উপস্থিত করতাম—তবুও তারা ঈমান আনত না, যতক্ষণ না আল্লাহ নিজে তাদের অন্তরে ঈমানের তাওফিক দিতেন। কারণ ঈমান আনা কোনো বাহ্যিক প্রমাণ দেখার ওপর নির্ভর করে না, বরং তা আল্লাহর ইচ্ছা ও হিদায়াতের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু তাদের অধিকাংশই এটা জানে না। তারা মনে করে, যদি তারা এসব অলৌকিক ঘটনা দেখত, তাহলে তারা ঈমান আনত। অথচ বাস্তবতা হলো, তাদের অন্তর সত্য গ্রহণের জন্য প্রস্তুত নয়, তাই কোনো মু‘জিযাই তাদের উপকার করত না।
ফায়েদা বা শিক্ষা:
ঈমান আনা সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর ইচ্ছা ও হিদায়াতের ওপর নির্ভরশীল। আল্লাহ যাকে চান হিদায়াত দেন, আর যাকে চান পথভ্রষ্ট করেন। তাই আমাদের উচিত আল্লাহর কাছে নিজের ও অন্যদের জন্য হিদায়াতের দো‘আ করা।
অলৌকিক ঘটনা বা মু‘জিযা দেখে কেউ ঈমান আনে না, যদি না আল্লাহ তার অন্তর খুলে দেন। যেমন ফেরাউন, আবু জাহল প্রমুখ বহু অলৌকিক ঘটনা দেখেও ঈমান আনেনি। তাই আমাদের কর্তব্য কুরআনের আয়াত ও রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রাখা, আরও মু‘জিযার অপেক্ষা না করা।
মানুষের অন্তরের অবস্থা আল্লাহই ভালো জানেন। তাই কোনো ব্যক্তির ঈমান আনা বা না আনা নিয়ে আমাদের হতাশ হওয়া উচিত নয়; বরং দাওয়াতের কাজ চালিয়ে যেতে হবে এবং ফলাফল আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিতে হবে।
এই আয়াত আমাদের শিক্ষা দেয় যে, সত্য গ্রহণের জন্য প্রয়োজন আন্তরিকতা ও আল্লাহর তাওফিক। যে ব্যক্তি সত্য গ্রহণে আগ্রহী নয়, তার কাছে যত প্রমাণই পেশ করা হোক না কেন, সে তা গ্রহণ করবে না। তাই আমাদের উচিত অন্তরকে সত্য গ্রহণের জন্য প্রস্তুত রাখা এবং আল্লাহর কাছে খোলা অন্তর প্রার্থনা করা।
আমি যদি তাদের কাছে ফেরেশতাদেরকে অবতারণ করতাম এবং তাদের সাথে মৃতরা কথাবার্তা বলত এবং আমি সব বস্তুকে তাদের সামনে জীবিত করে দিতাম, তথাপি তারা কখনও বিশ্বাস স্থাপনকারী নয়; কিন্তু যদি আল্লাহ চান। কিন্তু তাদের অধিকাংশই মুর্খ।
তারা জোর দিয়ে আল্লাহর কসম খায় যে, যদি তাদের কাছে কোন নিদর্শন আসে, তবে অবশ্যই তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে। আপনি বলে দিনঃ নিদর্শনাবলী তো আল্লাহর কাছেই আছে। হে মুসলমানগণ, তোমাদেরকে কে বলল যে, যখন তাদের কাছে নিদর্শনাবলী আসবে, তখন তারা বিশ্বাস স্থাপন করবেই ?
আমি যদি তাদের কাছে ফেরেশতাদেরকে অবতারণ করতাম এবং তাদের সাথে মৃতরা কথাবার্তা বলত এবং আমি সব বস্তুকে তাদের সামনে জীবিত করে দিতাম, তথাপি তারা কখনও বিশ্বাস স্থাপনকারী নয়; কিন্তু যদি আল্লাহ চান। কিন্তু তাদের অধিকাংশই মুর্খ।
এমনিভাবে আমি প্রত্যেক নবীর জন্যে শত্রু করেছি শয়তান, মানব ও জিনকে। তারা ধোঁকা দেয়ার জন্যে একে অপরকে কারুকার্যখচিত কথাবার্তা শিক্ষা দেয়। যদি আপনার পালনকর্তা চাইতেন, তবে তারা এ কাজ করত না।
অতএব, আপনি তাদেরকে এবং তাদের মিথ্যাপবাদকে মুক্ত ছেড়ে দিন যাতে কারুকার্যখচিত বাক্যের প্রতি তাদের মন আকৃষ্ট হয় যারা পরকালে বিশ্বাস করে না এবং তারা একেও পছন্দ করে নেয় এবং যাতে ঐসব কাজ করে, যা তারা করছে।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।