Wa iz qaala Moosa liqawmihee yaa qawmi lima tu`zoonanee wa qat ta`lamoona annee Rasoolul laahi ilaikum falammaa zaaghooo azaaghal laahu quloobahum; wallaahu laa yahdil qawmal faasiqeen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
স্মরণ কর, যখন মূসা (আঃ) তাঁর সম্প্রদায়কে বললঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা কেন আমাকে কষ্ট দাও, অথচ তোমরা জান যে, আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর রসূল। অতঃপর তারা যখন বক্রতা অবলম্বন করল, তখন আল্লাহ তাদের অন্তরকে বক্র করে দিলেন। আল্লাহ পাপাচারী সম্প্রদায়কে পথপ্রদর্শন করেন না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और जब मूसा ने अपनी क़ौम से कहा कि भाइयों तुम मुझे क्यों अज़ीयत देते हो हालॉकि तुम तो जानते हो कि मैं तुम्हारे पास ख़ुदा का (भेजा हुआ) रसूल हूँ तो जब वह टेढ़े हुए तो ख़ुदा ने भी उनके दिलों को टेढ़ा ही रहने दिया और ख़ुदा बदकार लोगों को मंज़िले मक़सूद तक नहीं पहुँचाया करता
স্মরণ কর, যখন মূসা (আঃ) তাঁর সম্প্রদায়কে বললঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা কেন আমাকে কষ্ট দাও, অথচ তোমরা জান যে, আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর রসূল। অতঃপর তারা যখন বক্রতা অবলম্বন করল, তখন আল্লাহ তাদের অন্তরকে বক্র করে দিলেন। আল্লাহ পাপাচারী সম্প্রদায়কে পথপ্রদর্শন করেন না।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
تُؤْذُونَنِي – আমাকে কষ্ট দিচ্ছ / ক্লেশ দিচ্ছ
زَاغُوا – তারা সত্য থেকে বিচ্যুত হলো / পথভ্রষ্ট হলো
أَزَاغَ اللَّهُ قُلُوبَهُمْ – আল্লাহ তাদের অন্তরসমূহকে সত্য গ্রহণ থেকে ফিরিয়ে দিলেন
হে নবী! আপনি আপনার সম্প্রদায়কে স্মরণ করিয়ে দিন সেই সময়ের কথা, যখন মূসা (আঃ) তাঁর সম্প্রদায়কে বলেছিলেন: “হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আমাকে কেন কষ্ট দিচ্ছ? অথচ তোমরা জানো যে, আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর প্রেরিত রাসূল।” তারা জানত যে, মূসা (আঃ) আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত সত্য রাসূল, তবুও তারা তাকে মিথ্যা বলত, তার বিরুদ্ধে অপবাদ দিত এবং তার আদেশ অমান্য করে তাকে কষ্ট দিত। রাসূলের মর্যাদা ও সম্মান রক্ষা করা প্রত্যেকের কর্তব্য, কিন্তু তারা তা করেনি।
অতঃপর যখন তারা সত্য থেকে বিচ্যুত হলো এবং জেনে-শুনে সত্য পরিত্যাগ করে ভ্রান্তির পথে অটল থাকল, তখন আল্লাহ তাদের অন্তরকে সত্য গ্রহণের অনুপযুক্ত করে দিলেন। এটি ছিল তাদের নিজেদের পথভ্রষ্টতারই শাস্তি। আল্লাহ এমন সম্প্রদায়কে হিদায়াত দেন না, যারা তাঁর আদেশ অমান্য করে সীমালঙ্ঘন করে এবং সত্য থেকে দূরে সরে থাকে।
শিক্ষা ও উপদেশ:
নবী-রাসূলগণ আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত সর্বোচ্চ সম্মানিত ব্যক্তি। তাদের সম্মান করা এবং তাদের আদেশ মেনে চলা প্রত্যেক মুমিনের ঈমানের দাবি। তাদের কষ্ট দেওয়া বা তাদের অবমাননা করা মারাত্মক গুনাহ।
জেনে-শুনে সত্যকে অস্বীকার করা এবং সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হওয়া মানুষের অন্তরকে কঠোর করে দেয় এবং হিদায়াতের পথ বন্ধ হয়ে যায়।
আল্লাহর পক্ষ থেকে হিদায়াত লাভের পূর্বশর্ত হলো সত্য গ্রহণের আগ্রহ ও নিষ্ঠা। যে ব্যক্তি নিজেই সত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, আল্লাহ তাকে হিদায়াত দেন না।
মানুষের নিজের কর্মই তার অন্তরের অবস্থা নির্ধারণ করে। সত্যের অনুসরণ অন্তরকে আলোকিত করে, আর সত্য পরিত্যাগ অন্তরকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করে।
এই আয়াত থেকে আমরা শিক্ষা পাই যে, আমাদের উচিত আল্লাহর রাসূল (সাঃ)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রাখা এবং তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ করা, যাতে আমরা দুনিয়া ও আখিরাতে সফল হতে পারি।
স্মরণ কর, যখন মূসা (আঃ) তাঁর সম্প্রদায়কে বললঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা কেন আমাকে কষ্ট দাও, অথচ তোমরা জান যে, আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর রসূল। অতঃপর তারা যখন বক্রতা অবলম্বন করল, তখন আল্লাহ তাদের অন্তরকে বক্র করে দিলেন। আল্লাহ পাপাচারী সম্প্রদায়কে পথপ্রদর্শন করেন না।
স্মরণ কর, যখন মরিয়ম-তনয় ঈসা (আঃ) বললঃ হে বনী ইসরাইল! আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর প্রেরিত রসূল, আমার পূর্ববর্তী তওরাতের আমি সত্যায়নকারী এবং আমি এমন একজন রসূলের সুসংবাদদাতা, যিনি আমার পরে আগমন করবেন। তাঁর নাম আহমদ। অতঃপর যখন সে স্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে আগমন করল, তখন তারা বললঃ এ তো এক প্রকাশ্য যাদু।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।