Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ:
- مُلْكُ (মুলক): রাজত্ব, সার্বভৌমত্ব, অধিকার।
- وَلَدًا (ওয়ালাদান): সন্তান।
- شَرِيكٌ (শারিক): অংশীদার, শরিক।
- خَلَقَ (খালাকা): সৃষ্টি করা।
- فَقَدَّرَهُ (ফাকাদ্দারাহু): তাকে নির্ধারণ ও সুবিন্যস্ত করা, পরিমিত ও যথাযথভাবে গঠন করা।
- تَقْدِيرًا (তাকদিরান): নির্ভুল পরিমাপ ও সুসংহত ব্যবস্থাপনা।
আয়াতের বিস্তারিত তাফসির:
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা নিজের পরিচয় ও গুণাবলি বর্ণনা করেছেন। তিনি সেই সত্তা, যাঁর একচ্ছত্র অধিকার ও কর্তৃত্ব সমগ্র আসমান ও জমিনের ওপর। আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী এবং এগুলোর মধ্যে যা কিছু আছে—সবকিছুর মালিকানা ও শাসনভার একমাত্র তাঁরই হাতে। তিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি, কারণ সন্তান গ্রহণ একটি অপূর্ণতা ও প্রয়োজনীয়তার লক্ষণ, আর আল্লাহ এসব থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র। তাঁর রাজত্বে কোনো অংশীদারও নেই; তিনি একক, অদ্বিতীয় এবং তাঁর সার্বভৌমত্বে কেউ শরিক নয়।
এরপর আল্লাহ তাআলা তাঁর সৃষ্টি ক্ষমতার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি প্রতিটি জিনিস সৃষ্টি করেছেন এবং প্রতিটি সৃষ্টিকে তার উপযোগী রূপ, গঠন, প্রকৃতি ও পরিমাণে সুবিন্যস্ত করেছেন। কোনো কিছুই এলোমেলো বা উদ্দেশ্যহীন নয়; বরং প্রতিটি সৃষ্টি তাঁর জ্ঞান ও হিকমত অনুযায়ী নির্ভুলভাবে নির্ধারিত। তিনি প্রতিটি বস্তুকে তার প্রয়োজন ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী যথাযথভাবে গঠন করেছেন—কোনো ত্রুটি, ঘাটতি বা অসংগতি ছাড়াই। এই আয়াতটি তাদের জবাবও দেয় যারা আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক মনে করে বা তাঁকে সন্তান-সন্ততির সম্পর্ক দেয়। যেমন—নাসারারা (খ্রিস্টানরা) ঈসা (আ.)-কে আল্লাহর পুত্র বলত, আর মুশরিকরা ফেরেশতাদের আল্লাহর কন্যা বলত এবং বিভিন্ন মূর্তিকে তাঁর শরিক মনে করত। আল্লাহ এসব বিশ্বাস থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র ও মুক্ত।
আয়াত থেকে শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ:
- আল্লাহর একচ্ছত্র আধিপত্য: সমগ্র সৃষ্টিজগতের রাজত্ব একমাত্র আল্লাহর। এই উপলব্ধি মানুষের অন্তরে আল্লাহর প্রতি গভীর ভয় ও ভালোবাসা সৃষ্টি করে এবং তাকে কেবল আল্লাহরই অনুগত হতে শেখায়।
- তাওহিদের পূর্ণতা: আল্লাহ কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি এবং তাঁর কোনো শরিক নেই—এটি তাওহিদের সবচেয়ে সুন্দর ও পূর্ণাঙ্গ ঘোষণা। এই বিশ্বাস মানুষকে সব ধরনের শিরক ও ভ্রান্ত আকিদা থেকে মুক্ত রাখে।
- সৃষ্টির মধ্যে পরিপূর্ণতা: আল্লাহ প্রতিটি জিনিসকে যথাযথ পরিমাপ ও সুবিন্যস্ত রূপে সৃষ্টি করেছেন। এই চিন্তা মানুষের মনে স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও বিস্ময় জাগায় এবং তাকে সৃষ্টিজগতের সূক্ষ্মতা নিয়ে চিন্তা করতে উদ্বুদ্ধ করে।
- জীবনের উদ্দেশ্য উপলব্ধি: যখন মানুষ জানে যে, সবকিছু আল্লাহর নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী চলছে, তখন সে জীবনের প্রতিটি বিষয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখে এবং তাঁর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকে।
- ভুল আকিদা থেকে সতর্কতা: এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, আল্লাহ সম্পর্কে কোনো ভুল ধারণা বা অপূর্ণ গুণ আরোপ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। তিনি সব ধরনের ত্রুটি, অপূর্ণতা ও অংশীদার থেকে পবিত্র।
📜 আয়াত 1-4 — সূরা আল-ফুরকান
অনুবাদ — আল-ফুরকান 2
সূরা আল-ফুরকান আয়াত 2 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : তিনি হলেন যাঁর রয়েছে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের রাজত্ব। তিনি কোন…সূরা আয়াত 2/77 — সূরা আল-ফুরকান الفرقان (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আল-ফুরকান শুনুন, সূরা আল-ফুরকান অনুবাদ, সূরা আল-ফুরকান mp3, সূরা আল-ফুরকান pdf. আয়াত 1–4. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আল-ফুরকান
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


