Qeela lahad khulis sarha falammaa ra at hu hasibat hu lujjatanw wa khashafat `an saaqaihaa; qaala innahoo sarhum mumarradum min qawaareer; qaalat Rabbi innee zalamtu nafsee wa aslamtu ma`a Sulaimaana lillaahi Rabbil `aalameen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তাকে বলা হল, এই প্রাসাদে প্রবেশ কর। যখন সে তার প্রতি দৃষ্টিপাত করল সে ধারণা করল যে, এটা স্বচ্ছ গভীর জলাশয়। সে তার পায়ের গোছা খুলে ফেলল। সুলায়মান বলল, এটা তো স্বচ্ছ স্ফটিক নির্মিত প্রাসাদ। বিলকীস বলল, হে আমার পালনকর্তা, আমি তো নিজের প্রতি জুলুম করেছি। আমি সুলায়মানের সাথে বিশ্ব জাহানের পালনকর্তা আল্লাহর কাছে আত্নসমর্পন করলাম।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
फिर उससे कहा गया कि आप अब महल मे चलिए तो जब उसने महल (में शीशे के फर्श) को देखा तो उसको गहरा पानी समझी (और गुज़रने के लिए इस तरह अपने पाएचे उठा लिए कि) अपनी दोनों पिन्डलियाँ खोल दी सुलेमान ने कहा (तुम डरो नहीं) ये (पानी नहीं है) महल है जो शीशे से मढ़ा हुआ है (उस वक्त तम्बीह हुई और) अर्ज़ की परवरदिगार मैने (आफताब को पूजा कर) यक़ीनन अपने ऊपर ज़ुल्म किया
الصَّرْحَ (আস-সারহ) — অর্থ: প্রাসাদ, অট্টালিকা বা মসৃণ মেঝেওয়ালা বিশাল প্রাসাদ।
لُجَّةً (লুজ্জাহ) — অর্থ: গভীর ও বিশাল পানি, সমুদ্র বা পানির বিশাল রাশি।
مُمَرَّدٌ (মুমাররাদ) — অর্থ: মসৃণ, সমতল ও চিক্কণ করা।
قَوَارِيرَ (কাওয়ারীর) — অর্থ: কাঁচ বা স্বচ্ছ স্ফটিক।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
বিলকীস রাণী যখন সুলাইমান (আঃ)-এর দরবারে পৌঁছলেন এবং তাকে বলা হলো, "এই প্রাসাদে প্রবেশ করুন।" তখন তিনি প্রবেশ করতে গিয়ে দেখলেন প্রাসাদের মেঝেটি কাঁচের তৈরি এবং তার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি ভাবলেন এটি সত্যিই পানি, আর পানি পার হতে হলে তো পা ভিজাতে হবে। তাই তিনি নিজের পায়ের গোছা (পায়ের নিচের অংশ) উন্মুক্ত করে দিলেন, যেন পানিতে নামতে পারেন। তখন সুলাইমান (আঃ) তাকে বললেন, "এটা পানি নয়, বরং এটি কাঁচের তৈরি মসৃণ প্রাসাদের মেঝে, যার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।" অর্থাৎ এটি এমন এক স্বচ্ছ কাঁচের নির্মাণ, যা দেখে মনে হয় যেন পানির স্তর।
এই দৃশ্য দেখে বিলকীস সুলাইমান (আঃ)-এর রাজত্ব ও ক্ষমতার অসাধারণত্ব উপলব্ধি করলেন এবং বুঝতে পারলেন যে, এত বড় রাজত্ব ও নবুওয়াতের অধিকারী সুলাইমান (আঃ)-এর আল্লাহই প্রকৃত ক্ষমতার মালিক। তখন তিনি আল্লাহর কাছে নিজের অতীতের ভুল স্বীকার করে বললেন, "হে আমার রব! আমি নিজের উপর জুলুম করেছি, কারণ আমি আপনার পরিবর্তে সূর্যের পূজা করতাম। এখন আমি সুলাইমানের সাথে সাথে বিশ্বজগতের রব আল্লাহর কাছে সম্পূর্ণরূপে আত্মসমর্পণ করলাম এবং ইসলাম গ্রহণ করলাম।"
শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ:
সত্যের সামনে আত্মসমর্পণ: বিলকীস একজন ক্ষমতাধর রাণী হয়েও সত্য উপলব্ধি করার পর সাথে সাথে নিজের ভুল স্বীকার করে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। আমাদের উচিত সত্য স্পষ্ট হলে তা মেনে নেওয়া, গর্ব বা অহংকার না করা।
আল্লাহর ক্ষমতার অসীমতা: সুলাইমান (আঃ)-এর এই অসাধারণ প্রাসাদ নির্মাণ ছিল আল্লাহর ক্ষমতারই প্রকাশ। এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আল্লাহ যা ইচ্ছা তা করতে সক্ষম এবং তাঁর শক্তির সামনে মানুষের সব ক্ষমতা নগণ্য।
নিজের ভুল স্বীকার করার সাহস: বিলকীস প্রকাশ্যে স্বীকার করলেন, "আমি নিজের উপর জুলুম করেছি।" ভুল স্বীকার করাই প্রকৃত বুদ্ধিমত্তার লক্ষণ এবং এটি আল্লাহর রহমত লাভের পথ সুগম করে।
ইসলামই একমাত্র সত্য ধর্ম: বিলকীস বলেছিলেন, "আমি সুলাইমানের সাথে সাথে বিশ্বজগতের রব আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করলাম।" এটি প্রমাণ করে যে, ইসলামই সেই একমাত্র পথ, যা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য এবং যা মানবজাতির জন্য শান্তি ও মুক্তি নিয়ে আসে।
তাকে বলা হল, এই প্রাসাদে প্রবেশ কর। যখন সে তার প্রতি দৃষ্টিপাত করল সে ধারণা করল যে, এটা স্বচ্ছ গভীর জলাশয়। সে তার পায়ের গোছা খুলে ফেলল। সুলায়মান বলল, এটা তো স্বচ্ছ স্ফটিক নির্মিত প্রাসাদ। বিলকীস বলল, হে আমার পালনকর্তা, আমি তো নিজের প্রতি জুলুম করেছি। আমি সুলায়মানের সাথে বিশ্ব জাহানের পালনকর্তা আল্লাহর কাছে আত্নসমর্পন করলাম।
অতঃপর যখন বিলকীস এসে গেল, তখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হল, তোমার সিংহাসন কি এরূপই? সে বলল, মনে হয় এটা সেটাই। আমরা পূর্বেই সমস্ত অবগত হয়েছি এবং আমরা আজ্ঞাবহও হয়ে গেছি।
তাকে বলা হল, এই প্রাসাদে প্রবেশ কর। যখন সে তার প্রতি দৃষ্টিপাত করল সে ধারণা করল যে, এটা স্বচ্ছ গভীর জলাশয়। সে তার পায়ের গোছা খুলে ফেলল। সুলায়মান বলল, এটা তো স্বচ্ছ স্ফটিক নির্মিত প্রাসাদ। বিলকীস বলল, হে আমার পালনকর্তা, আমি তো নিজের প্রতি জুলুম করেছি। আমি সুলায়মানের সাথে বিশ্ব জাহানের পালনকর্তা আল্লাহর কাছে আত্নসমর্পন করলাম।
সালেহ বললেন, হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা কল্যাণের পূর্বে দ্রুত অকল্যাণ কামনা করছ কেন? তোমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছ না কেন? সম্ভবতঃ তোমরা দয়াপ্রাপ্ত হবে।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।