Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
- أَرْبَابًا (রব/প্রভু): এখানে উপাস্য বা ইলাহ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যাদেরকে আল্লাহর পরিবর্তে উপাসনা করা হয়।
- أَيَأْمُرُكُم (তিনি কি তোমাদের আদেশ দেন?): এটি একটি বিস্ময়সূচক ও অস্বীকৃতিমূলক প্রশ্ন, যার অর্থ— এমনটি কখনো হতে পারে না।
তাফসীর:
আল্লাহ তাআলা এ আয়াতে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, নবী ও রাসূলগণ কখনো মানুষকে ফেরেশতা বা নবী-রাসূলদেরকে রব বা উপাস্য বানানোর আদেশ দেননি। যেমন— কুরাইশ সম্প্রদায় ফেরেশতাদেরকে আল্লাহর কন্যা বলে তাদের উপাসনা করত, আর ইহুদি-খ্রিস্টানরা উযায়ের (আ.) ও ঈসা (আ.)-কে আল্লাহর পুত্র বলে তাদেরকে উপাস্য বানিয়ে নিয়েছিল। অথচ নবীগণ তো মানুষকে একমাত্র আল্লাহর ইবাদতের জন্যই আহ্বান করেছেন এবং তাঁর একত্ব ও তাঁর বিধানাবলী শেখানোর জন্যই প্রেরিত হয়েছেন।
এখন প্রশ্ন হলো— যে ব্যক্তি নিজে আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত হয়ে মানুষকে তাওহীদের শিক্ষা দেয়, সে কী করে মানুষকে শিরকের আদেশ দিতে পারে? নবীগণ তো মানুষকে কুফরি ও শিরকের দিকে ডাকেননি, বরং তারা মানুষকে ইসলাম ও ঈমানের দিকে ডেকেছেন। মানুষ যখন ইসলাম গ্রহণ করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে, তখন নবী কীভাবে তাদেরকে আবার কুফরির দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারেন? এটি সম্পূর্ণ অসম্ভব ও অকল্পনীয় ব্যাপার। বরং নবীগণের শিক্ষা হলো— আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে উপাস্য বানানো থেকে বিরত থাকা এবং একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা।
শিক্ষা ও উপদেশ:
- নবী-রাসূলগণ সকলেই তাওহীদের দাওয়াত দিয়েছেন এবং শিরক থেকে মানুষকে সতর্ক করেছেন। তাই নবী বা অলি-আউলিয়াদেরকে আল্লাহর সমকক্ষ বানানো বা তাদের কাছে দোয়া চাওয়া সম্পূর্ণ ভুল ও ইসলামবিরোধী কাজ।
- ইসলামের মূল শিক্ষা হলো একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা এবং তাঁর কাছে সরাসরি প্রার্থনা করা। কোনো মাধ্যম বা মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই আল্লাহ তার বান্দার ডাকে সাড়া দেন।
- যে ব্যক্তি একবার ইসলাম গ্রহণ করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে, তার উচিত দ্বীনের উপর অটল থাকা এবং শিরক-কুফরের যেকোনো পথ থেকে দূরে থাকা।
- এই আয়াত প্রমাণ করে যে, নবীগণের মর্যাদা যতই উচ্চ হোক না কেন, তারা আল্লাহর বান্দা এবং তাদের ইবাদত করা সম্পূর্ণ হারাম। ভালোবাসা ও সম্মান করা যেতে পারে, কিন্তু উপাস্য বানানো যাবে না।
📜 আয়াত 78-82 — সূরা আল-ইমরান
অনুবাদ — আল-ইমরান 80
সূরা আল-ইমরান আয়াত 80 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : তাছাড়া তোমাদেরকে একথা বলাও সম্ভব নয় যে, তোমরা ফেরেশতা ও…সূরা আয়াত 80/200 — সূরা আল-ইমরান آل عمران (মাদানী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আল-ইমরান শুনুন, সূরা আল-ইমরান অনুবাদ, সূরা আল-ইমরান mp3, সূরা আল-ইমরান pdf. আয়াত 78–82. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আল-ইমরান
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


