Maa kaana libasharin ai yu`tiyahul laahul Kitaaba walhukma wan Nubuwwata summa yaqoola linnaasi koonoo `ibaadal lee min doonil laahi wa laakin koonoo rabbaaniy yeena bimaa kuntum tu`allimoonal Kitaaba wa bimaa kuntum tadrusoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
কোন মানুষকে আল্লাহ কিতাব, হেকমত ও নবুওয়ত দান করার পর সে বলবে যে, ‘তোমরা আল্লাহকে পরিহার করে আমার বান্দা হয়ে যাও’-এটা সম্ভব নয়। বরং তারা বলবে, ‘তোমরা আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও, যেমন, তোমরা কিতাব শিখাতে এবং যেমন তোমরা নিজেরা ও পড়তে।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
किसी आदमी को ये ज़ेबा न था कि ख़ुदा तो उसे (अपनी) किताब और हिकमत और नबूवत अता फ़रमाए और वह लोगों से कहता फिरे कि ख़ुदा को छोड़कर मेरे बन्दे बन जाओ बल्कि (वह तो यही कहेगा कि) तुम अल्लाह वाले बन जाओ क्योंकि तुम तो (हमेशा) किताबे ख़ुदा (दूसरो) को पढ़ाते रहते हो और तुम ख़ुद भी सदा पढ़ते रहे हो
কোন মানুষকে আল্লাহ কিতাব, হেকমত ও নবুওয়ত দান করার পর সে বলবে যে, ‘তোমরা আল্লাহকে পরিহার করে আমার বান্দা হয়ে যাও’-এটা সম্ভব নয়। বরং তারা বলবে, ‘তোমরা আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও, যেমন, তোমরা কিতাব শিখাতে এবং যেমন তোমরা নিজেরা ও পড়তে।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
لِبَشَرٍ – কোনো মানুষের পক্ষে।
الْحُكْم – প্রজ্ঞা, গভীর জ্ঞান ও ফয়সালা করার ক্ষমতা।
رَبَّانِيِّينَ – রবের অনুগত, জ্ঞানী-ফকীহ, যারা মানুষকে দ্বীন শেখায় এবং আমল করে।
تُعَلِّمُونَ – তোমরা শিক্ষা দাও।
تَدْرُسُونَ – তোমরা অধ্য�়ন করো, পড়ো ও মুখস্থ করো।
তাফসীর:
আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করছেন যে, কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয় যে, আল্লাহ তাকে কিতাব (আসমানী গ্রন্থ), প্রজ্ঞা ও নবুওয়াত দান করার পর সে মানুষকে বলবে, “আল্লাহকে বাদ দিয়ে তোমরা আমারই বান্দা হয়ে যাও।” এটি সম্পূর্ণ অসম্ভব ও অকল্পনীয়। কারণ নবী-রাসূলগণ তো মানুষকে শুধুমাত্র আল্লাহর ইবাদতের দিকেই ডেকেছেন। বরং নবী-রাসূলগণ তাদের উম্মতদেরকে বলতেন, “তোমরা রব্বানী হয়ে যাও” অর্থাৎ আল্লাহভীরু, জ্ঞানী, ফকীহ এবং দ্বীনের ওপর প্রতিষ্ঠিত আলেম হয়ে যাও, যারা মানুষকে সঠিক পথ দেখাবে এবং নিজেরাও সে অনুযায়ী আমল করবে। এই আহ্বানই ছিল তাদের শিক্ষা ও অধ্য�়নের ফল। কারণ তারা মানুষকে আল্লাহর কিতাব শিক্ষা দিতেন এবং নিজেরাও তা গভীরভাবে অধ্য�়ন করতেন। সুতরাং নবী-রাসূলদের প্রতি কোনো প্রকার মিথ্যা অপবাদ দেওয়া বা তাদেরকে আল্লাহর সাথে শরিক করা সম্পূর্ণ ভুল ও ভিত্তিহীন।
শিক্ষা ও উপকার:
নবী-রাসূলগণ是人类中最纯洁 ও সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী ছিলেন; তারা কখনো নিজেদের জন্য মানুষের ইবাদত দাবি করেননি। তাই তাদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রাখা আমাদের ঈমানের অংশ, কিন্তু তাদেরকে আল্লাহর সমকক্ষ করা শিরক।
প্রকৃত জ্ঞান ও দ্বীনদারির লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষকে আল্লাহমুখী করা, নিজেকে আল্লাহর অনুগত বানানো এবং সমাজে সৎকাজ প্রতিষ্ঠা করা।
আলেম ও শিক্ষকদের উচিত নিজেরা জ্ঞান অর্জন ও আমল করা এবং মানুষকে দ্বীনের সঠিক জ্ঞান দান করা; এটিই রব্বানী হওয়ার পথ।
এই আয়াত প্রমাণ করে যে, ইসলামের মূল শিক্ষা হলো তাওহিদ (একত্ববাদ) এবং নবী-রাসূলদের প্রতি সম্মান রেখে তাদের অনুসরণ করা, তাদেরকে দেবতাবান করা নয়।
যারা আল্লাহর নামে কৃত অঙ্গীকার এবং প্রতিজ্ঞা সামান্য মুল্যে বিক্রয় করে, আখেরাতে তাদের কেন অংশ নেই। আর তাদের সাথে কেয়ামতের দিন আল্লাহ কথা বলবেন না। তাদের প্রতি (করুণার) দৃষ্টিও দেবেন না। আর তাদেরকে পরিশুদ্ধও করবেন না। বস্তুতঃ তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।
আর তাদের মধ্যে একদল রয়েছে, যারা বিকৃত উচ্চারণে মুখ বাঁকিয়ে কিতাব পাঠ করে, যাতে তোমরা মনে কর যে, তার কিতাব থেকেই পাঠ করছে। অথচ তারা যা আবৃত্তি করছে তা আদৌ কিতাব নয়। এবং তারা বলে যে, এসব কথা আল্লাহর তরফ থেকে আগত। অথচ এসব আল্লাহর তরফ থেকে প্রেরিত নয়। তারা বলে যে, এটি আল্লাহর কথা অথচ এসব আল্লাহর কথা নয়। আর তারা জেনে শুনে আল্লাহরই প্রতি মিথ্যারোপ করে।
কোন মানুষকে আল্লাহ কিতাব, হেকমত ও নবুওয়ত দান করার পর সে বলবে যে, ‘তোমরা আল্লাহকে পরিহার করে আমার বান্দা হয়ে যাও’-এটা সম্ভব নয়। বরং তারা বলবে, ‘তোমরা আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও, যেমন, তোমরা কিতাব শিখাতে এবং যেমন তোমরা নিজেরা ও পড়তে।
তাছাড়া তোমাদেরকে একথা বলাও সম্ভব নয় যে, তোমরা ফেরেশতা ও নবীগনকে নিজেদের পালনকর্তা সাব্যস্ত করে নাও। তোমাদের মুসলমান হবার পর তারা কি তোমাদেরকে কুফরী শেখাবে?
আর আল্লাহ যখন নবীগনের কাছ থেকে অস্বীকার গ্রহন করলেন যে, আমি যা কিছু তোমাদের দান করেছি কিতাব ও জ্ঞান এবং অতঃপর তোমাদের নিকট কোন রসূল আসেন তোমাদের কিতাবকে সত্য বলে দেয়ার জন্য, তখন সে রসূলের প্রতি ঈমান আনবে এবং তার সাহায্য করবে। তিনি বললেন, ‘তোমার কি অঙ্গীকার করছো এবং এই শর্তে আমার ওয়াদা গ্রহণ করে নিয়েছ? তারা বললো, ‘আমরা অঙ্গীকার করেছি’। তিনি বললেন, তাহলে এবার সাক্ষী থাক। আর আমিও তোমাদের সাথে সাক্ষী রইলাম।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।