Qul m an zal lazee ya`simukum minal laahi in araada bikum sooo`an aw araada bikum rahmah; wa laa yajidoona lahum min doonil laahi waliyyanw wa laa naseeraa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
বলুন! কে তোমাদেরকে আল্লাহ থেকে রক্ষা করবে যদি তিনি তোমাদের অমঙ্গল ইচ্ছা করেন অথবা তোমাদের প্রতি অনুকম্পার ইচ্ছা? তারা আল্লাহ ব্যতীত নিজেদের কোন অভিভাবক ও সাহায্যদাতা পাবে না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(ऐ रसूल) तुम उनसे कह दो कि अगर खुदा तुम्हारे साथ बुराई का इरादा कर बैठे तो तुम्हें उसके (अज़ाब) से कौन ऐसा है जो बचाए या भलाई ही करना चाहे (तो कौन रोक सकता है) और ये लोग खुदा के सिवा न तो किसी को अपना सरपरस्त पाएँगे और न मद्दगार
يَعْصِمُكُمْ – তোমাদেরকে রক্ষা করতে পারে, হেফাজত করতে পারে।
سُوءًا – অমঙ্গল, ক্ষতি, দুর্ভোগ, পরাজয় বা মৃত্যু।
رَحْمَةً – অনুগ্রহ, দয়া, নিরাপত্তা, বিজয় বা কল্যাণ।
وَلِيًّا – বন্ধু, অভিভাবক, যে তোমাদের দায়িত্ব নেয়।
نَصِيرًا – সাহায্যকারী, রক্ষাকারী, যে বিপদ থেকে উদ্ধার করে।
তাফসির (ব্যাখ্যা):
হে নবী! আপনি এই মুনাফিকদেরকে জিজ্ঞেস করুন—কে আছে এমন যে তোমাদেরকে আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারবে, যদি তিনি তোমাদের উপর কোনো অমঙ্গল বা ক্ষতি চান? আর কে আছে এমন যে তোমাদেরকে তাঁর রহমত থেকে বঞ্চিত করতে পারবে, যদি তিনি তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ ও দয়া দেখাতে চান? আল্লাহই একমাত্র ক্ষমতার মালিক—তিনি যা চান তাই করেন, দেন বা দেন না, ক্ষতি করেন বা রক্ষা করেন। তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে কেউ দাঁড়াতে পারে না, তাঁর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার ক্ষমতা কারো নেই।
আর এই মুনাফিকরা আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন কোনো বন্ধু পাবে না যে তাদের পক্ষ নেবে, আর এমন কোনো সাহায্যকারীও পাবে না যে তাদেরকে আল্লাহর আজাব থেকে রক্ষা করবে। তারা যতই অন্যকে ভয় করুক বা কারো ওপর ভরসা করুক, বাস্তবে আল্লাহ ছাড়া তাদের কোনো অভিভাবক বা উদ্ধারকারী নেই।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহর ক্ষমতা ও ইচ্ছার সামনে সকল সৃষ্টি অসহায়। তিনি যখন কোনো কিছু চান, তা বাস্তবায়িত হবেই—কেউ তা আটকাতে পারবে না।
মানুষের উচিত আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা করা এবং তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চলা, কারণ তাঁর হাতেই কল্যাণ ও অকল্যাণ।
আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ওপর নির্ভর করা সম্পূর্ণ নিরর্থক—যে আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যকে রক্ষাকারী মনে করে, সে নিজেই নিজের ক্ষতি করে।
এই আয়াত মুমিনদের মনে আল্লাহর ভয় ও ভালোবাসা জাগ্রত করে, যেন তারা সর্বদা তাঁর আনুগত্যে থাকে এবং তাঁর রহমতের আশা করে।
আল্লাহর রহমত অর্জনের একমাত্র পথ হলো তাঁর আনুগত্য, তাকওয়া এবং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর অনুসরণ—যে এ পথে চলে, আল্লাহ তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা দান করেন।
বলুন! কে তোমাদেরকে আল্লাহ থেকে রক্ষা করবে যদি তিনি তোমাদের অমঙ্গল ইচ্ছা করেন অথবা তোমাদের প্রতি অনুকম্পার ইচ্ছা? তারা আল্লাহ ব্যতীত নিজেদের কোন অভিভাবক ও সাহায্যদাতা পাবে না।
বলুন! কে তোমাদেরকে আল্লাহ থেকে রক্ষা করবে যদি তিনি তোমাদের অমঙ্গল ইচ্ছা করেন অথবা তোমাদের প্রতি অনুকম্পার ইচ্ছা? তারা আল্লাহ ব্যতীত নিজেদের কোন অভিভাবক ও সাহায্যদাতা পাবে না।
তারা তোমাদের প্রতি কুন্ঠাবোধ করে। যখন বিপদ আসে, তখন আপনি দেখবেন মৃত্যুভয়ে অচেতন ব্যক্তির মত চোখ উল্টিয়ে তারা আপনার প্রতি তাকায়। অতঃপর যখন বিপদ টলে যায় তখন তারা ধন-সম্পদ লাভের আশায় তোমাদের সাথে বাকচাতুরীতে অবতীর্ণ হয়। তারা মুমিন নয়। তাই আল্লাহ তাদের কর্মসমূহ নিস্ফল করে দিয়েছেন। এটা আল্লাহর জন্যে সহজ।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।