Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ:
- ظَلَمُوا (যালামু) – যারা নিজেদের প্রতি জুলুম করেছে, অর্থাৎ শিরক ও পাপাচারে লিপ্ত হয়েছে।
- افْتَدَوْا (ইফতাদাউ) – মুক্তিপণ দিয়ে নিজেদেরকে রক্ষা করতে চেয়েছে।
- سُوءِ الْعَذَابِ (সুইল আযাব) – কঠিন ও ভয়াবহ শাস্তি।
- بَدَا لَهُم (বাদা লাহুম) – তাদের কাছে প্রকাশ হয়ে গেল / সামনে এসে গেল।
- يَحْتَسِبُونَ (ইয়াহতাসিবুন) – তারা ধারণা করত, আশা করত, হিসাব করত।
তাফসীর:
আল্লাহ তাআলা এই আয়াতে কিয়ামতের দিন জালিমদের (মুশরিক ও পাপীদের) চরম অসহায়ত্ব ও আফসোসের চিত্র তুলে ধরেছেন। তিনি বলছেন— যদি সেই সমস্ত জালিমদের কাছে পৃথিবীর সমস্ত সম্পদ, সোনা-রূপা, ধন-দৌলত, সবকিছু থাকত, এবং তার সাথে সমপরিমাণ আরও দ্বিগুণ সম্পদও থাকত, তবুও তারা কিয়ামতের দিনের ভয়াবহ শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য সেই সমস্ত কিছু মুক্তিপণ হিসেবে দিয়ে দিতে প্রস্তুত হয়ে যেত। কিন্তু সেদিন এই মুক্তিপণ তাদের কোনো কাজে আসবে না, আল্লাহ তা কবুল করবেন না, এবং তা তাদেরকে আল্লাহর শাস্তি থেকে কিছুতেই রক্ষা করতে পারবে না।
এরপর আল্লাহ বলেন, "আর তাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন কিছু প্রকাশ হয়ে পড়বে, যা তারা কল্পনাও করতে পারেনি।" অর্থাৎ, দুনিয়ায় তারা আল্লাহর শাস্তি, তাঁর ক্রোধ ও প্রতিশোধ সম্পর্কে যতটুকু ধারণা করত, কিয়ামতের দিন তার চেয়ে অনেক বেশি ভয়াবহ ও কঠিন শাস্তি তাদের সামনে হাজির হবে। তারা দুনিয়ায় আল্লাহর রহমতকে অবমূল্যায়ন করত, আবার তাঁর শাস্তিকেও হালকা মনে করত। কিন্তু সেদিন তারা দেখবে, আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের জন্য কী অপেক্ষা করছে— যা তাদের চিন্তা-কল্পনার সম্পূর্ণ বাইরে।
শিক্ষণীয় ও দাওয়াতি বার্তা:
এই আয়াত থেকে আমরা শিক্ষা পাই যে, দুনিয়ার কোনো সম্পদ, ক্ষমতা বা প্রতিপত্তিই আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারবে না। আজ আমরা যে গুনাহগুলোকে ছোট মনে করি, যে পাপগুলোকে আমরা হালকা ভেবে বসে থাকি, কিয়ামতের দিন তার পরিণাম কত ভয়াবহ হবে— তা আমরা কল্পনাও করতে পারব না। তাই আমাদের উচিত দুনিয়ার মোহ ও সম্পদের পেছনে ছুটে না গিয়ে আল্লাহর আনুগত্য ও তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনে সচেষ্ট হওয়া। আল্লাহর রহমতের পাশাপাশি তাঁর শাস্তিকেও গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা এবং তাওবা করে সৎকর্মের পথে ফিরে আসা। কেননা, যে ব্যক্তি দুনিয়ায় আল্লাহকে ভয় করে চলে, আল্লাহ তাকে কিয়ামতের ভয়াবহতা থেকে নিরাপদ রাখবেন এবং জান্নাতের চিরসুখের অধিকারী করবেন।
📜 আয়াত 45-49 — সূরা আজ-জুমার
অনুবাদ — আজ-জুমার 47
সূরা আজ-জুমার আয়াত 47 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : যদি গোনাহগারদের কাছে পৃথিবীর সবকিছু থাকে এবং তার সাথে সমপরিমাণ…সূরা আয়াত 47/75 — সূরা আজ-জুমার الزمر (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আজ-জুমার শুনুন, সূরা আজ-জুমার অনুবাদ, সূরা আজ-জুমার mp3, সূরা আজ-জুমার pdf. আয়াত 45–49. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আজ-জুমার
পবিত্র কুরআন
Tuesday, September 29, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


