Wa qad nazzala `alaikum fil Kitaabi an izaa sami`tum Aayaatil laahi yukfaru bihaa wa yustahza u bihaa falaa taq`udoo ma`ahum hattaa yakhoodoo fee hadeesin ghairih; innakum izam misluhum; innal laaha jaami`ul munaafiqeena wal kaafireena fee jahannama jamee`aa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আর কোরআনের মাধ্যমে তোমাদের প্রতি এই হুকুম জারি করে দিয়েছেন যে, যখন আল্লাহ তা’ আলার আয়াতসমূহের প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন ও বিদ্রুপ হতে শুনবে, তখন তোমরা তাদের সাথে বসবে না, যতক্ষণ না তারা প্রসঙ্গান্তরে চলে যায়। তা না হলে তোমরাও তাদেরই মত হয়ে যাবে। আল্লাহ দোযখের মাঝে মুনাফেক ও কাফেরদেরকে একই জায়গায় সমবেত করবেন।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(मुसलमानों) हालॉकि ख़ुदा तुम पर अपनी किताब कुरान में ये हुक्म नाज़िल कर चुका है कि जब तुम सुन लो कि ख़ुदा की आयतों से ईन्कार किया जाता है और उससे मसख़रापन किया जाता है तो तुम उन (कुफ्फ़ार) के साथ मत बैठो यहॉ तक कि वह किसी दूसरी बात में ग़ौर करने लगें वरना तुम भी उस वक्त उनके बराबर हो जाओगे उसमें तो शक ही नहीं कि ख़ुदा तमाम मुनाफ़िक़ों और काफ़िरों को (एक न एक दिन) जहन्नुम में जमा ही करेगा
يُكْفَرُ بِهَا – আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করা।
وَيُسْتَهْزَأُ بِهَا – এবং সেগুলোকে বিদ্রূপ-ঠাট্টা করা।
يَخُوضُوا – তারা অন্য প্রসঙ্গে প্রবেশ করা / অন্য কথা শুরু করা।
مِثْلُهُمْ – তাদের সমতুল্য / তাদের মতোই।
তাফসীর:
হে মুমিনগণ! আল্লাহ তাআলা তার কিতাব (কুরআন) এর মধ্যে তোমাদের উপর ইতিপূর্বেই এই নির্দেশ নাযিল করেছেন যে, যখন তোমরা এমন কোনো মজলিসে উপস্থিত হবে যেখানে আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করা হচ্ছে এবং সেগুলোকে বিদ্রূপ-উপহাস করা হচ্ছে, তখন তোমরা সেই মজলিসে তাদের সাথে বসে থেকো না, যতক্ষণ না তারা সেই আলোচনা ছেড়ে অন্য কোনো বিষয়ে প্রবেশ করে। কারণ, যদি তোমরা তাদের সাথে বসে থাকো এবং তাদের ঐ কুফরি ও বিদ্রূপপূর্ণ আলোচনা শুনতে থাকো, অথচ তা প্রতিহত না করো, তাহলে তোমরাও তাদের সমতুল্য হয়ে যাবে। যেহেতু গুনাহের কাজে নীরব থাকা এবং তাতে সম্মতি দেওয়া সেই গুনাহে অংশগ্রহণেরই শামিল। আর যে ব্যক্তি কুফর ও বিদ্রূপকে মেনে নেয়, সে যেন তা নিজেই করল। আল্লাহ তাআলা স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন যে, তিনি মুনাফিক ও কাফিরদেরকে – যারা প্রকাশ্যে ইসলাম দাবি করে কিন্তু অন্তরে কুফর পোষণ করে এবং যারা প্রকাশ্যে কুফর করে – সকলকে একত্রে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন। সেখানে তারা কঠিন শাস্তি ভোগ করবে।
শিক্ষা ও উপদেশ:
একজন মুমিনের জন্য তার ঈমান ও চরিত্রের পবিত্রতা রক্ষা করা অপরিহার্য। তাই এমন পরিবেশ ও মজলিস থেকে দূরে থাকা জরুরি যেখানে আল্লাহর বিধান ও কুরআনের আয়াতকে উপহাস করা হয়।
অন্যায় ও গুনাহের কাজে নীরব থাকা বা তাতে সম্মতি দেওয়া নিজেই একটি গুনাহ। মুমিনের কর্তব্য হলো অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করা, সম্ভব না হলে সেই স্থান ত্যাগ করা।
এই আয়াত মুমিনদের জন্য একটি সামাজিক নির্দেশনা প্রদান করে যে, ভালো ও খারাপের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট রাখতে হবে এবং খারাপের সাথে আপোস করা যাবে না।
আল্লাহ তাআলা কাফির ও মুনাফিকদের পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন, যা আমাদেরকে সর্বদা সৎপথে চলতে এবং কুফর ও নিফাকের যেকোনো রূপ থেকে বেঁচে থাকতে উৎসাহিত করে।
মুমিনের জীবনে সতর্কতা ও সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অজ্ঞতা বা অসতর্কতার কারণে কখনো যেন আমরা এমন কাজে জড়িয়ে না পড়ি যা আমাদের ঈমানকে দুর্বল করে দেয়।
আর কোরআনের মাধ্যমে তোমাদের প্রতি এই হুকুম জারি করে দিয়েছেন যে, যখন আল্লাহ তা’ আলার আয়াতসমূহের প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন ও বিদ্রুপ হতে শুনবে, তখন তোমরা তাদের সাথে বসবে না, যতক্ষণ না তারা প্রসঙ্গান্তরে চলে যায়। তা না হলে তোমরাও তাদেরই মত হয়ে যাবে। আল্লাহ দোযখের মাঝে মুনাফেক ও কাফেরদেরকে একই জায়গায় সমবেত করবেন।
আর কোরআনের মাধ্যমে তোমাদের প্রতি এই হুকুম জারি করে দিয়েছেন যে, যখন আল্লাহ তা’ আলার আয়াতসমূহের প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন ও বিদ্রুপ হতে শুনবে, তখন তোমরা তাদের সাথে বসবে না, যতক্ষণ না তারা প্রসঙ্গান্তরে চলে যায়। তা না হলে তোমরাও তাদেরই মত হয়ে যাবে। আল্লাহ দোযখের মাঝে মুনাফেক ও কাফেরদেরকে একই জায়গায় সমবেত করবেন।
এরা এমনি মুনাফেক যারা তোমাদের কল্যাণ-অকল্যাণের প্রতীক্ষায় ওঁৎপেতে থাকে। অতঃপর আল্লাহর ইচ্ছায় তোমাদের যদি কোন বিজয় অর্জিত হয়, তবে তারা বলে, আমরাও কি তোমাদের সাথে ছিলাম না? পক্ষান্তরে কাফেরদের যদি আংশিক বিজয় হয়, তবে বলে, আমরা কি তোমাদেরকে ঘিরে রাখিনি এবং মুসলমানদের কবল থেকে রক্ষা করিনি? সুতরাং আল্লাহ তোমাদের মধ্যে কেয়ামতের দিন মীমাংসা করবেন এবং কিছুতেই আল্লাহ কাফেরদেরকে মুসলমানদের উপর বিজয় দান করবেন না।
অবশ্যই মুনাফেকরা প্রতারণা করছে আল্লাহর সাথে, অথচ তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতারিত করে। বস্তুতঃ তারা যখন নামাযে দাঁড়ায় তখন দাঁড়ায়, একান্ত শিথিল ভাবে লোক দেখানোর জন্য। আর তারা আল্লাহকে অল্পই স্মরণ করে।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।