A lahum arjuluny yamshoona bihaa am lahum aidiny yabtishoona bihaaa am lahum a`yunuy yubsiroona bihaaa am lahum aazaanuny yasma`oona bihaa; qulid`oo shurakaaa`akum summa keedooni falaa tunziroon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তাদের কি পা আছে, যদ্বারা তারা চলাফেরা করে, কিংবা তাদের কি হাত আছে, যদ্বারা তারা ধরে। অথবা তাদের কি চোখ আছে যদ্বারা তারা দেখতে পায় কিংবা তাদের কি কান আছে যদ্বারা শুনতে পায়? বলে দাও, তোমরা ডাক তোমাদের অংশীদারদিগকে, অতঃপর আমার অমঙ্গল কর এবং আমাকে অবকাশ দিও না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
क्या उनके ऐसे पॉव भी हैं जिनसे चल सकें या उनके ऐसे हाथ भी हैं जिनसे (किसी चीज़ को) पकड़ सके या उनकी ऐसी ऑखे भी है जिनसे देख सकें या उनके ऐसे कान हैं जिनसे सुन सकें (ऐ रसूल उन लोगों से) कह दो कि तुम अपने बनाए हुए शरीको को बुलाओ फिर सब मिलकर मुझ पर दॉव चले फिर (मुझे) मोहलत न दो
يَبْطِشُونَ – শক্তি সহকারে ধরা, আক্রমণ করা বা কাজ করা।
كِيدُونِ – আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বা ক্ষতি করার চেষ্টা করো।
فَلَا تُنظِرُونِ – আমাকে কোনো অবকাশ দিও না, অর্থাৎ দেরি না করে যা করার করো।
তাফসীর:
আল্লাহ তাআলা এ আয়াতে মুশরিকদের উপাস্যদের অক্ষমতা ও অসহায়ত্বকে চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, এই মূর্তি বা দেব-দেবীদের কি পা আছে, যা দিয়ে তারা হাঁটতে পারে এবং তোমাদের প্রয়োজনে সাহায্য করতে পারে? নাকি তাদের হাত আছে, যা দিয়ে তারা শক্তি সহকারে কিছু ধরতে বা তোমাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে রক্ষা করতে পারে? নাকি তাদের চোখ আছে, যা দিয়ে তারা দেখতে পায় এবং তোমাদের অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জানাতে পারে? নাকি তাদের কান আছে, যা দিয়ে তারা শুনতে পায় এবং তোমাদের না-শোনা কথা জানিয়ে দিতে পারে?
যদি এসবের কোনোটি তাদের মধ্যে না থাকে, তবে তারা কীভাবে উপকার করতে বা ক্ষতি দূর করতে সক্ষম হবে? তারা তো সম্পূর্ণ অক্ষম, নিষ্প্রাণ বস্তু। তাদের পূজা করা সম্পূর্ণ নির্বুদ্ধিতা ও ভ্রষ্টতা। এরপর আল্লাহ তাঁর নবীকে নির্দেশ দিচ্ছেন, তিনি যেন মুশরিকদের বলেন: তোমরা তোমাদের সেই অংশীদারদের ডাকো, যাদেরকে আল্লাহর সাথে শরিক করেছ, তারপর আমার বিরুদ্ধে সব ধরনের ষড়যন্ত্র করো এবং আমাকে কোনো অবকাশ দিও না। আমি তোমাদের এবং তোমাদের উপাস্যদের কোনো ভয় করি না, কারণ আমার ভরসা একমাত্র আল্লাহর ওপর, যিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, প্রকৃত উপাস্য হতে হলে তাকে অবশ্যই শ্রবণ, দৃষ্টি, শক্তি ও ক্ষমতার অধিকারী হতে হবে। যে বস্তু বা সত্তা এসব গুণ থেকে বঞ্চিত, সে উপাসনার যোগ্য নয়।
আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা ও আস্থা থাকলে কোনো শত্রু বা প্রতিকূল শক্তির ভয় থাকে না। নবী (সা.)-এর এই চ্যালেঞ্জিং ঘোষণা মুমিনদের জন্য সাহস ও দৃঢ়তার শিক্ষা।
ইসলামের দাওয়াতের পদ্ধতিতে যুক্তি ও প্রমাণের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ করা জায়েয, যাতে সত্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং মিথ্যা উন্মোচিত হয়।
এই আয়াত মুমিনদের মনে এই দৃঢ় বিশ্বাস জন্মায় যে, আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছে কোনো ক্ষমতা নেই। তাই বিপদ-আপদে একমাত্র তাঁরই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা উচিত।
তাদের কি পা আছে, যদ্বারা তারা চলাফেরা করে, কিংবা তাদের কি হাত আছে, যদ্বারা তারা ধরে। অথবা তাদের কি চোখ আছে যদ্বারা তারা দেখতে পায় কিংবা তাদের কি কান আছে যদ্বারা শুনতে পায়? বলে দাও, তোমরা ডাক তোমাদের অংশীদারদিগকে, অতঃপর আমার অমঙ্গল কর এবং আমাকে অবকাশ দিও না।
আল্লাহকে বাদ দিয়ে তোমরা যাদেরকে ডাক, তারা সবাই তোমাদের মতই বান্দা। অতএব, তোমরা যাদেরকে ডাক, তখন তাদের পক্ষেও তো তোমাদের সে ডাক কবুল করা উচিত যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক?
তাদের কি পা আছে, যদ্বারা তারা চলাফেরা করে, কিংবা তাদের কি হাত আছে, যদ্বারা তারা ধরে। অথবা তাদের কি চোখ আছে যদ্বারা তারা দেখতে পায় কিংবা তাদের কি কান আছে যদ্বারা শুনতে পায়? বলে দাও, তোমরা ডাক তোমাদের অংশীদারদিগকে, অতঃপর আমার অমঙ্গল কর এবং আমাকে অবকাশ দিও না।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।