আল্লাহ দয়াশীল নবীর প্রতি এবং মুহাজির ও আনসারদের প্রতি, যারা কঠিন মহূর্তে নবীর সঙ্গে ছিল, যখন তাদের এক দলের অন্তর ফিরে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। অতঃপর তিনি দয়াপরবশ হন তাদের প্রতি। নিঃসন্দেহে তিনি তাদের প্রতি দয়াশীল ও করুনাময়।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
अलबत्ता ख़ुदा ने नबी और उन मुहाजिरीन अन्सार पर बड़ा फज़ल किया जिन्होंने तंगदस्ती के वक्त रसूल का साथ दिया और वह भी उसके बाद कि क़रीब था कि उनमे ंसे कुछ लोगों के दिल जगमगा जाएँ फिर ख़ुदा ने उन पर (भी) फज़ल किया इसमें शक़ नहीं कि वह उन लोगों पर पड़ा तरस खाने वाला मेहरबान है
আল্লাহ তাআলা তাঁর নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি বিশেষ অনুগ্রহ করেছেন এবং তাঁর তাওবা কবুল করেছেন। নবী (সা.) মুনাফিকদের তাবুক যুদ্ধে না যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন, যা তিনি পরবর্তীতে অনুশোচনার সাথে স্মরণ করেছেন; আল্লাহ তা ক্ষমা করে দিয়েছেন। একইভাবে আল্লাহ তাআলা মুহাজিরদের তাওবাও কবুল করেছেন—যারা নিজেদের ঘর-বাড়ি ও আত্মীয়-স্বজন ত্যাগ করে ইসলামের খাতিরে হিজরত করেছিলেন। আরও কবুল করেছেন আনসারদের তাওবা—যারা নবী (সা.)-এর সাথে তাবুক যুদ্ধে বেরিয়েছিলেন অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে; চরম গরম, খাদ্য ও বাহনের তীব্র সংকট এবং শত্রুর আধিক্য সত্ত্বেও তারা তাঁর সাথে ছিলেন। এই কঠিন মুহূর্তে তাদের মধ্যকার একটি দলের অন্তর প্রায় সত্য থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছিল—তারা ভেবেছিল যুদ্ধে না গিয়ে ঘরে থাকা ভালো হবে; কিন্তু আল্লাহ তাদের অন্তরকে দৃঢ় রাখলেন এবং তাদেরকে তাওবার তাওফীক দিলেন। এরপর আল্লাহ তাদের প্রতি পুনরায় তাওবা কবুল করলেন—অর্থাৎ তাদের তাওবাকে আরও দৃঢ়ভাবে গ্রহণ করলেন এবং তাদেরকে তাতে অটল রাখলেন। নিশ্চয়ই তিনি তাদের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল ও পরম দয়ালু। তাঁর রহমতের কারণেই তিনি তাদের তাওবার তাওফীক দিয়েছেন, তা কবুল করেছেন এবং তাদেরকে তাতে প্রতিষ্ঠিত রেখেছেন।
উপকারিতা (ফায়েদা):
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু; তিনি তাদের ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন এবং তাওবার দরজা সবসময় খোলা রাখেন।
কঠিন পরিস্থিতিতে আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়া এবং নবী (সা.)-এর অনুসরণ করা অত্যন্ত সম্মানের বিষয়; আল্লাহ এমন বান্দাদের ভালোবাসেন এবং তাদের তাওবা কবুল করেন।
মানুষের অন্তর দোদুল্যমান হতে পারে, কিন্তু আল্লাহ চাইলে তাকে দৃঢ় রাখেন; তাই আমাদের উচিত আল্লাহর কাছে অন্তর দৃঢ় রাখার জন্য প্রার্থনা করা।
তাওবার পর আল্লাহর রহমতের আশা করা উচিত; নিরাশ হওয়া উচিত নয়, কারণ আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়ালু।
এই আয়াত মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি বড় সান্ত্বনা—তারা যত বড় ভুলই করুক না কেন, আন্তরিক তাওবার মাধ্যমে আল্লাহর রহমত লাভ করা সম্ভব।
আল্লাহ দয়াশীল নবীর প্রতি এবং মুহাজির ও আনসারদের প্রতি, যারা কঠিন মহূর্তে নবীর সঙ্গে ছিল, যখন তাদের এক দলের অন্তর ফিরে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। অতঃপর তিনি দয়াপরবশ হন তাদের প্রতি। নিঃসন্দেহে তিনি তাদের প্রতি দয়াশীল ও করুনাময়।
আর আল্লাহ কোন জাতিকে হেদায়েত করার পর পথভ্রষ্ট করেন না যতক্ষণ না তাদের জন্য পরিষ্কারভাবে বলে দেন সেসব বিষয় যা থেকে তাদের বেঁচে থাকা দরকার। নিঃসন্দেহে আল্লাহ সব বিষয়ে ওয়াকেফহাল।
নিশ্চয় আল্লাহরই জন্য আসমানসমূহ ও যমীনের সাম্রাজ্য। তিনিই জিন্দা করেন ও মৃত্যু ঘটান, আর আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের জন্য কোন সহায়ও নেই, কোন সাহায্যকারীও নেই।
আল্লাহ দয়াশীল নবীর প্রতি এবং মুহাজির ও আনসারদের প্রতি, যারা কঠিন মহূর্তে নবীর সঙ্গে ছিল, যখন তাদের এক দলের অন্তর ফিরে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। অতঃপর তিনি দয়াপরবশ হন তাদের প্রতি। নিঃসন্দেহে তিনি তাদের প্রতি দয়াশীল ও করুনাময়।
এবং অপর তিনজনকে যাদেরকে পেছনে রাখা হয়েছিল, যখন পৃথিবী বিস্তৃত হওয়া সত্বেও তাদের জন্য সঙ্কুচিত হয়ে গেল এবং তাদের জীবন দূর্বিসহ হয়ে উঠলো; আর তারা বুঝতে পারলো যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কোন আশ্রয়স্থল নেই-অতঃপর তিনি সদয় হলেন তাদের প্রতি যাতে তারা ফিরে আসে। নিঃসন্দেহে আল্লাহ দয়াময় করুণাশীল।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।