Haaa`ulaaa`i qawmunat takhazoo min dooniheee aalihatal law laa yaatoona `alaihim bisultaanim baiyin; faman azlamu mimmaniftaraa `alal laahi kazibaa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
এরা আমাদেরই স্ব-জাতি, এরা তাঁর পরিবর্তে অনেক উপাস্য গ্রহণ করেছে। তারা এদের সম্পর্কে প্রকাশ্য প্রমাণ উপস্থিত করে না কেন? যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা উদ্ভাবন করে, তার চাইতে অধিক গোনাহগার আর কে?
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
अगर हम ऐसा करे तो यक़ीनन हमने अक़ल से दूर की बात कही (अफसोस एक) ये हमारी क़ौम के लोग हैं कि जिन्होनें ख़ुदा को छोड़कर (दूसरे) माबूद बनाए हैं (फिर) ये लोग उनके (माबूद होने) की कोई सरीही (खुली) दलील क्यों नहीं पेश करते और जो शख़्श ख़ुदा पर झूट बोहतान बाँधे उससे ज्यादा ज़ालिम और कौन होगा
অতঃপর আসহাবে কাহফের একদল অপরজনকে বলল: “এই আমাদের সম্প্রদায় আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যান্য উপাস্য গ্রহণ করেছে। তারা এসব মূর্তির পূজা করে, অথচ তাদের এই কাজের পক্ষে কোনো সুস্পষ্ট দলিল বা প্রমাণ তাদের কাছে নেই। যদি তাদের দাবি সত্য হতো, তবে তারা কি আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারত না? তারা তো কেবল অন্ধবিশ্বাস ও পূর্বপুরুষের অন্ধ অনুসরণের বশবর্তী হয়ে এই শিরকে লিপ্ত হয়েছে।”
অতঃপর তারা বলল: “যে ব্যক্তি আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা রটনা করে, অর্থাৎ আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক সাব্যস্ত করে, তার চেয়ে বড় জালিম আর কে হতে পারে? কারণ সে আল্লাহর প্রতি মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে এবং তাঁর একত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছে।”
শিক্ষা ও উপদেশ:
শিরক বা আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করা সবচেয়ে বড় জুলুম। কারণ এটি আল্লাহর প্রতি চরম অন্যায় এবং মানুষের ফিতরাতের পরিপন্থী।
প্রতিটি দাবির পক্ষে সুস্পষ্ট প্রমাণ থাকা আবশ্যক। ধর্মীয় বিশ্বাসের ক্ষেত্রে অন্ধ অনুসরণ বা ভিত্তিহীন প্রথা গ্রহণযোগ্য নয়।
সত্যের পথে থাকা ব্যক্তিরা যখন অন্যায় দেখে, তখন তারা প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করে এবং অন্যায়ের অসারতা প্রমাণের চেষ্টা করে।
মুমিনদের কর্তব্য হলো, অন্যায় ও শিরকের বিরুদ্ধে স্পষ্ট ভাষায় অবস্থান নেওয়া এবং আল্লাহর একত্বের ঘোষণা দেওয়া।
আখিরাতে জালিমদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি, আর আল্লাহর ওপর মিথ্যা রটনাকারীদের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
এরা আমাদেরই স্ব-জাতি, এরা তাঁর পরিবর্তে অনেক উপাস্য গ্রহণ করেছে। তারা এদের সম্পর্কে প্রকাশ্য প্রমাণ উপস্থিত করে না কেন? যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা উদ্ভাবন করে, তার চাইতে অধিক গোনাহগার আর কে?
আপনার কাছে তাদের ইতিবৃত্তান্ত সঠিকভাবে বর্ণনা করছি। তারা ছিল কয়েকজন যুবক। তারা তাদের পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছিল এবং আমি তাদের সৎপথে চলার শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছিলাম।
আমি তাদের মন দৃঢ় করেছিলাম, যখন তারা উঠে দাঁড়িয়েছিল। অতঃপর তারা বললঃ আমাদের পালনকর্তা আসমান ও যমীনের পালনকর্তা আমরা কখনও তার পরিবর্তে অন্য কোন উপাস্যকে আহবান করব না। যদি করি, তবে তা অত্যন্ত গর্হিত কাজ হবে।
এরা আমাদেরই স্ব-জাতি, এরা তাঁর পরিবর্তে অনেক উপাস্য গ্রহণ করেছে। তারা এদের সম্পর্কে প্রকাশ্য প্রমাণ উপস্থিত করে না কেন? যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা উদ্ভাবন করে, তার চাইতে অধিক গোনাহগার আর কে?
তোমরা যখন তাদের থেকে পৃথক হলে এবং তারা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের এবাদত করে তাদের থেকে, তখন তোমরা গুহায় আশ্রয়গ্রহণ কর। তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের জন্যে দয়া বিস্তার করবেন এবং তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের কাজ কর্মকে ফলপ্রসু করার ব্যবস্থা করবেন।
তুমি সূর্যকে দেখবে, যখন উদিত হয়, তাদের গুহা থেকে পাশ কেটে ডান দিকে চলে যায় এবং যখন অস্ত যায়, তাদের থেকে পাশ কেটে বামদিকে চলে যায়, অথচ তারা গুহার প্রশস্ত চত্বরে অবস্থিত। এটা আল্লাহর নিদর্শনাবলীর অন্যতম। আল্লাহ যাকে সৎপথে চালান, সেই সৎপথ প্রাপ্ত এবং তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন, আপনি কখনও তার জন্যে পথপ্রদর্শনকারী ও সাহায্যকারী পাবেন না।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।