Wa Yawma yaqoolu naadoo shurakaaa`i yal lazeena za`amtum fada`awhum falam yastajeeboo lahum wa ja`alnaa bainahum maw biqaa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যেদিন তিনি বলবেনঃ তোমরা যাদেরকে আমার শরীক মনে করতে তাদেরকে ডাক। তারা তখন তাদেরকে ডাকবে, কিন্তু তারা এ আহবানে সাড়া দেবে না। আমি তাদের মধ্যস্থলে রেখে দেব একটি মৃত্যু গহবর।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और (उस दिन से डरो) जिस दिन ख़ुदा फरमाएगा कि अब तुम जिन लोगों को मेरा शरीक़ ख्याल करते थे उनको (मदद के लिए) पुकारो तो वह लोग उनको पुकारेगें मगर वह लोग उनकी कुछ न सुनेगें और हम उन दोनों के बीच में महलक (खतरनाक) आड़ बना देंगे
যেদিন তিনি বলবেনঃ তোমরা যাদেরকে আমার শরীক মনে করতে তাদেরকে ডাক। তারা তখন তাদেরকে ডাকবে, কিন্তু তারা এ আহবানে সাড়া দেবে না। আমি তাদের মধ্যস্থলে রেখে দেব একটি মৃত্যু গহবর।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
شُرَكَائِيَ – আমার অংশীদাররা (যাদেরকে তারা আমার সাথে শরিক সাব্যস্ত করেছিল)।
زَعَمْتُمْ – তোমরা ধারণা করতে / দাবি করতে।
مَوْبِقًا – ধ্বংসের স্থান, বিনাশের জায়গা; অর্থাৎ জাহান্নামের একটি উপত্যকা বা স্থান যেখানে তারা সবাই একত্রে ধ্বংস হবে।
তাফসির (ব্যাখ্যা):
হে নবী! আপনি তাদেরকে সেই ভয়াবহ দিনের কথা স্মরণ করিয়ে দিন, যেদিন আল্লাহ তাআলা মুশরিকদেরকে বলবেন: “তোমরা আমার সেই অংশীদারদেরকে ডাকো, যাদেরকে তোমরা (আমার সাথে শরিক বলে) দাবি করতে।” অর্থাৎ যাদেরকে তোমরা ইহজীবনে আমার ইবাদতে শরিক করেছিলে, তাদেরকে আজ ডেকে দেখো, তারা কি তোমাদেরকে আমার শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারবে? তখন তারা তাদের উপাস্যদেরকে ডাকবে, কিন্তু তারা তাদের কোনো সাড়া দেবে না, কোনো সাহায্যও করবে না। বরং আল্লাহ তাআলা বলেন, আমরা উপাসক ও উপাস্যদের মধ্যে একটি ধ্বংসের স্থান সৃষ্টি করেছি—সেটি হলো জাহান্নাম। সেখানে তারা সবাই একত্রে নিক্ষিপ্ত হবে এবং কেউ কারো উপকারে আসবে না। এই দিনটি হবে তাদের জন্য চরম হতাশা ও লজ্জার দিন, যখন তাদের সমস্ত মিথ্যা বিশ্বাস ধূলিসাৎ হয়ে যাবে।
শিক্ষা ও উপদেশ:
কিয়ামতের দিন সকল মিথ্যা উপাস্য ও তাদের উপাসকদের মধ্যে সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে ছিন্ন হয়ে যাবে। যারা দুনিয়ায় আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর ওপর ভরসা করেছে, তারা সেদিন সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়বে।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা বা তাদেরকে আল্লাহর সাথে শরিক করা সম্পূর্ণ নিরর্থক এবং এর পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ।
প্রকৃত মুমিনের উচিত দুনিয়ার জীবনে কেবল আল্লাহর ওপরই নির্ভর করা এবং তাঁরই কাছে সাহায্য চাওয়া, যাতে আখিরাতে তার মুখ উজ্জ্বল হয় এবং সে শাস্তি থেকে মুক্তি পায়।
এই আয়াত আমাদেরকে সতর্ক করে যে, যে ব্যক্তি দুনিয়ায় আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করবে, আখিরাতে তার জন্য রয়েছে চরম লাঞ্ছনা ও চিরস্থায়ী শাস্তি। তাই আমাদের উচিত তাওহিদের ওপর অটল থাকা এবং শিরক থেকে দূরে থাকা।
যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললামঃ আদমকে সেজদা কর, তখন সবাই সেজদা করল ইবলীস ব্যতীত। সে ছিল জিনদের একজন। সে তার পালনকর্তার আদেশ অমান্য করল। অতএব তোমরা কি আমার পরিবর্তে তাকে এবং তার বংশধরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করছ? অথচ তারা তোমাদের শত্রু। এটা জালেমদের জন্যে খুবই নিকৃষ্ট বদল।
নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের সৃজনকালে আমি তাদেরকে সাক্ষ্য রাখিনি এবং তাদের নিজেদের সৃজনকালেও না। এবং আমি এমনও নই যে, বিভ্রান্ত কারীদেরকে সাহায্যকারীরূপে গ্রহণ করবো।
যেদিন তিনি বলবেনঃ তোমরা যাদেরকে আমার শরীক মনে করতে তাদেরকে ডাক। তারা তখন তাদেরকে ডাকবে, কিন্তু তারা এ আহবানে সাড়া দেবে না। আমি তাদের মধ্যস্থলে রেখে দেব একটি মৃত্যু গহবর।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।