Wa laqad aatainaa Moosal Kitaaba wa qaffainaa mim ba`dihee bir Rusuli wa aatainaa `Eesab-na-Maryamal baiyinaati wa ayyadnaahu bi Roohil Qudus; afakullamaa jaaa`akum Rasoolum bimaa laa tahwaaa anfusukumus takbartum fafareeqan kazzabtum wa fareeqan taqtuloon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
অবশ্যই আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছি। এবং তার পরে পর্যায়ক্রমে রসূল পাঠিয়েছি। আমি মরিয়ম তনয় ঈসাকে সুস্পষ্ট মোজেযা দান করেছি এবং পবিত্র রূহের মাধ্যমে তাকে শক্তিদান করেছি। অতঃপর যখনই কোন রসূল এমন নির্দেশ নিয়ে তোমাদের কাছে এসেছে, যা তোমাদের মনে ভাল লাগেনি, তখনই তোমরা অহংকার করেছ। শেষ পর্যন্ত তোমরা একদলকে মিথ্যাবাদী বলেছ এবং একদলকে হত্যা করেছ।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और ये हक़ीक़ी बात है कि हमने मूसा को किताब (तौरेत) दी और उनके बाद बहुत से पैग़म्बरों को उनके क़दम ब क़दम ले चलें और मरियम के बेटे ईसा को (भी बहुत से) वाजेए व रौशन मौजिजे दिए और पाक रूह जिबरील के ज़रिये से उनकी मदद की क्या तुम उस क़दर बददिमाग़ हो गए हो कि जब कोई पैग़म्बर तुम्हारे पास तुम्हारी ख्वाहिशे नफ़सानी के ख़िलाफ कोई हुक्म लेकर आया तो तुम अकड़ बैठे फिर तुमने बाज़ पैग़म्बरों को तो झुठलाया और बाज़ को जान से मार डाला
অবশ্যই আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছি। এবং তার পরে পর্যায়ক্রমে রসূল পাঠিয়েছি। আমি মরিয়ম তনয় ঈসাকে সুস্পষ্ট মোজেযা দান করেছি এবং পবিত্র রূহের মাধ্যমে তাকে শক্তিদান করেছি। অতঃপর যখনই কোন রসূল এমন নির্দেশ নিয়ে তোমাদের কাছে এসেছে, যা তোমাদের মনে ভাল লাগেনি, তখনই তোমরা অহংকার করেছ। শেষ পর্যন্ত তোমরা একদলকে মিথ্যাবাদী বলেছ এবং একদলকে হত্যা করেছ।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
কিতাব: তাওরাত।
ক্বাফফাইনা: আমরা অনুসরণ করিয়েছি, একের পর এক পাঠিয়েছি।
নিশ্চয়ই আমি মূসা (আঃ)-কে তাওরাত কিতাব দান করেছি এবং তার পরে পর্যায়ক্রমে অনেক রাসূল প্রেরণ করেছি। আর আমি ঈসা ইবনে মারইয়াম (আঃ)-কে স্পষ্ট প্রমাণ ও অলৌকিক নিদর্শনসমূহ দান করেছি—যেমন মৃতকে জীবিত করা, জন্মান্ধ ও কুষ্ঠরোগীকে সুস্থ করা—এবং তাকে পবিত্র রূহ জিবরাঈল (আঃ)-এর মাধ্যমে শক্তিশালী করেছি।
হে বনী ইসরাঈল! তোমাদের অবস্থা এই যে, যখনই তোমাদের কাছে কোনো রাসূল এমন নির্দেশ বা বিধান নিয়ে এসেছেন যা তোমাদের মনঃপূত ছিল না, তখনই তোমরা অহংকার ও ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেছ। ফলে তোমরা একদল রাসূলকে মিথ্যা বলেছ এবং অন্যদলকে হত্যা করেছ। যেমন—ঈসা (আঃ) ও মুহাম্মদ (সা.)-কে মিথ্যা বলেছ, আর যাকারিয়া (আঃ) ও ইয়াহইয়া (আঃ)-কে হত্যা করেছ। এত বড় অপরাধের পরও তোমরা কীভাবে আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমতের আশা করছ?
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে নবী-রাসূল পাঠিয়ে মানুষকে সত্যের পথ দেখিয়েছেন। প্রতিটি যুগে তিনি তাঁর হিদায়াতের ব্যবস্থা রেখেছেন—এটি তাঁর অপরিসীম রহমতের প্রমাণ।
নবী-রাসূলদের প্রতি অহংকার ও অবজ্ঞা করা এবং তাদের আনীত বিধানকে মনঃপূত না হলে প্রত্যাখ্যান করা—এটি বান্দার জন্য সর্বনাশা পথ। সত্য গ্রহণের মানদণ্ড হওয়া উচিত আল্লাহর নির্দেশ, নিজের প্রবৃত্তির পছন্দ-অপছন্দ নয়।
রাসূলদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রাখা এবং তাদের আনীত পথে চলাই সফলতার চাবিকাঠি। যারা রাসূলদের সম্মান করে, আল্লাহ তাদের সম্মানিত করেন।
কিতাব ও রাসূলের প্রতি ঈমান আনা এবং তাদের নির্দেশ মেনে চলার মাধ্যমেই মানুষ দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা লাভ করতে পারে।
অতঃপর তোমরাই পরস্পর খুনাখুনি করছ এবং তোমাদেরই একদলকে তাদের দেশ থেকে বহিস্কার করছ। তাদের বিরুদ্ধে পাপ ও অন্যায়ের মাধ্যমে আক্রমণ করছ। আর যদি তারাই কারও বন্দী হয়ে তোমাদের কাছে আসে, তবে বিনিময় নিয়ে তাদের মুক্ত করছ। অথচ তাদের বহিস্কার করাও তোমাদের জন্য অবৈধ। তবে কি তোমরা গ্রন্থের কিয়দংশ বিশ্বাস কর এবং কিয়দংশ অবিশ্বাস কর? যারা এরূপ করে পার্থিব জীবনে দূগর্তি ছাড়া তাদের আর কোনই পথ নেই। কিয়ামতের দিন তাদের কঠোরতম শাস্তির দিকে পৌঁছে দেয়া হবে। আল্লাহ তোমাদের কাজ-কর্ম সম্পর্কে বে-খবর নন।
অবশ্যই আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছি। এবং তার পরে পর্যায়ক্রমে রসূল পাঠিয়েছি। আমি মরিয়ম তনয় ঈসাকে সুস্পষ্ট মোজেযা দান করেছি এবং পবিত্র রূহের মাধ্যমে তাকে শক্তিদান করেছি। অতঃপর যখনই কোন রসূল এমন নির্দেশ নিয়ে তোমাদের কাছে এসেছে, যা তোমাদের মনে ভাল লাগেনি, তখনই তোমরা অহংকার করেছ। শেষ পর্যন্ত তোমরা একদলকে মিথ্যাবাদী বলেছ এবং একদলকে হত্যা করেছ।
যখন তাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে কিতাব এসে পৌঁছাল, যা সে বিষয়ের সত্যায়ন করে, যা তাদের কাছে রয়েছে এবং তারা পূর্বে করত। অবশেষে যখন তাদের কাছে পৌঁছল যাকে তারা চিনে রেখেছিল, তখন তারা তা অস্বীকার করে বসল। অতএব, অস্বীকারকারীদের উপর আল্লাহর অভিসম্পাত।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।