Wa maa kaana linafsin an tamoota illaa bi iznillaahi kitaabam mu`ajjalaa; wa mai yurid sawaabad dunyaa nu`tihee minhaa wa mai yurid sawaabal Aakhirati nu`tihee minhaa; wa sanajzish shaakireen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আর আল্লাহর হুকুম ছাড়া কেউ মরতে পারে না-সেজন্য একটা সময় নির্ধারিত রয়েছে। বস্তুতঃ যে লোক দুনিয়ায় বিনিময় কামনা করবে, আমি তাকে তা দুনিয়াতেই দান করব। পক্ষান্তরে-যে লোক আখেরাতে বিনিময় কামনা করবে, তা থেকে আমি তাকে তাই দেবো। আর যারা কৃতজ্ঞ তাদেরকে আমি প্রতিদান দেবো
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और बगैर हुक्मे ख़ुदा के तो कोई शख्स मर ही नहीं सकता वक्ते मुअय्यन तक हर एक की मौत लिखी हुई है और जो शख्स (अपने किए का) बदला दुनिया में चाहे तो हम उसको इसमें से दे देते हैं और जो शख्स आख़ेरत का बदला चाहे उसे उसी में से देंगे और (नेअमत ईमान के) शुक्र करने वालों को बहुत जल्द हम जज़ाए खैर देंगे
আর আল্লাহর হুকুম ছাড়া কেউ মরতে পারে না-সেজন্য একটা সময় নির্ধারিত রয়েছে। বস্তুতঃ যে লোক দুনিয়ায় বিনিময় কামনা করবে, আমি তাকে তা দুনিয়াতেই দান করব। পক্ষান্তরে-যে লোক আখেরাতে বিনিময় কামনা করবে, তা থেকে আমি তাকে তাই দেবো। আর যারা কৃতজ্ঞ তাদেরকে আমি প্রতিদান দেবো
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
কিতাবান মুআজ্জালান (كِتَابًا مُّؤَجَّلًا) — লিখিত নির্ধারিত সময়সীমা; অর্থাৎ, মৃত্যু এমন একটি লিখিত বিধান যা একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্ধারিত।
ছাওয়াবাদ দুনইয়া (ثَوَابَ الدُّنْيَا) — দুনিয়ার প্রতিদান বা পার্থিব সুবিধা।
আশ-শাকিরীন (الشَّاكِرِينَ) — কৃতজ্ঞ বান্দারা, যারা আল্লাহর আনুগত্য করে এবং তাঁর নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
তাফসীর:
আল্লাহ তাআলা এ আয়াতে মুমিনদেরকে সাহস ও ধৈর্য দান করেছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনো প্রাণীর মৃত্যু আল্লাহর অনুমতি ও নির্ধারিত হুকুম ছাড়া সম্ভব নয়। প্রতিটি মানুষের জন্য মৃত্যুর একটি নির্দিষ্ট সময় লেখা আছে, যা আল্লাহর কিতাবে লিপিবদ্ধ। সেই সময় না এলে কেউ মরতে পারে না, আর সময় এলে কেউ তাকে বাঁচাতেও পারবে না। সুতরাং যুদ্ধে সাহসিকতা দেখানো বা পলায়ন করা মৃত্যুকে ত্বরান্বিত বা বিলম্বিত করতে পারে না।
এরপর আল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি তার আমল ও ইবাদতের বিনিময়ে দুনিয়ার প্রতিদান চায়, তাকে আমরা দুনিয়ার নির্ধারিত অংশটুকু দিয়ে দেই, কিন্তু আখিরাতে তার কোনো অংশ নেই। আর যে ব্যক্তি তার আমলের মাধ্যমে আখিরাতের সওয়াব ও আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে, তাকে আমরা আখিরাতের পূর্ণ প্রতিদান দেব, সাথে সাথে দুনিয়ার রিযিকও তাকে দেব। যারা আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং তাঁর আদেশ পালন করে, আল্লাহ তাদেরকে অচিরেই উত্তম প্রতিদান দেবেন।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
মৃত্যু আল্লাহর হাতে; তাই মৃত্যুর ভয়ে সত্য থেকে বিমুখ হওয়া বা আল্লাহর আদেশ অমান্য করা সম্পূর্ণ বোকামি। মুমিনের উচিত নির্ভীক হয়ে সত্যের পথে কাজ করা।
দুনিয়ার স্বার্থকে প্রাধান্য দিলে আখিরাত বিনষ্ট হয়; কিন্তু আখিরাতকে প্রাধান্য দিলে দুনিয়াও পাওয়া যায়। তাই মুমিনের লক্ষ্য হওয়া উচিত আখিরাতের সাফল্য।
আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও আনুগত্যের পুরস্কার অফুরন্ত। যে ব্যক্তি আল্লাহর আদেশ পালন করে এবং তাঁর দেওয়া নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করে, আল্লাহ তাকে এমন প্রতিদান দেবেন যা কল্পনার বাইরে।
এই আয়াত মুমিনকে ধৈর্য, সাহস ও আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা শেখায়। মনে রাখতে হবে, আল্লাহর নির্ধারিত বিধানের বাইরে কিছু ঘটে না; তাই প্রতিটি পরিস্থিতিতে আল্লাহর উপর ভরসা রাখা এবং তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত।
আর মুহাম্মদ একজন রসূল বৈ তো নয়! তাঁর পূর্বেও বহু রসূল অতিবাহিত হয়ে গেছেন। তাহলে কি তিনি যদি মৃত্যুবরণ করেন অথবা নিহত হন, তবে তোমরা পশ্চাদপসরণ করবে? বস্তুতঃ কেউ যদি পশ্চাদপসরণ করে, তবে তাতে আল্লাহর কিছুই ক্ষতি-বৃদ্ধি হবে না। আর যারা কৃতজ্ঞ, আল্লাহ তাদের সওয়াব দান করবেন।
আর আল্লাহর হুকুম ছাড়া কেউ মরতে পারে না-সেজন্য একটা সময় নির্ধারিত রয়েছে। বস্তুতঃ যে লোক দুনিয়ায় বিনিময় কামনা করবে, আমি তাকে তা দুনিয়াতেই দান করব। পক্ষান্তরে-যে লোক আখেরাতে বিনিময় কামনা করবে, তা থেকে আমি তাকে তাই দেবো। আর যারা কৃতজ্ঞ তাদেরকে আমি প্রতিদান দেবো
আর বহু নবী ছিলেন, যাঁদের সঙ্গী-সাথীরা তাঁদের অনুবর্তী হয়ে জেহাদ করেছে; আল্লাহর পথে-তাদের কিছু কষ্ট হয়েছে বটে, কিন্তু আল্লাহর রাহে তারা হেরেও যায়নি, ক্লান্তও হয়নি এবং দমেও যায়নি। আর যারা সবর করে, আল্লাহ তাদেরকে ভালবাসেন।
তারা আর কিছুই বলেনি-শুধু বলেছে, হে আমাদের পালনকর্তা! মোচন করে দাও আমাদের পাপ এবং যা কিছু বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে আমাদের কাজে। আর আমাদিগকে দৃঢ় রাখ এবং কাফেরদের উপর আমাদিগকে সাহায্য কর।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।