Fabimaa naqdihim meesaaqahum wa kufrihim bi Aayaatil laahi wa qatlihimul Ambiyaaa`a bighairi haqqinw wa qawlihim quloobunna ghulf; bal taba`al laahu `alaihaa bikufrihim falaa yu`minoona illaa qaleelaa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
অতএব, তারা যে শাস্তিপ্রাপ্ত হয়েছিল, তা ছিল তাদেরই অঙ্গীকার ভঙ্গর জন্য এবং অন্যায়ভাবে রসূলগণকে হত্যা করার কারণে এবং তাদের এই উক্তির দরুন যে, আমাদের হৃদয় আচ্ছন্ন। অবশ্য তা নয়, বরং কুফরীর কারণে স্বয়ং আল্লাহ তাদের অন্তরের উপর মোহর এঁটে দিয়েছেন। ফলে এরা ঈমান আনে না কিন্তু অতি অল্পসংখ্যক।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
फिर उनके अपने एहद तोड़ डालने और एहकामे ख़ुदा से इन्कार करने और नाहक़ अम्बिया को क़त्ल करने और इतरा कर ये कहने की वजह से कि हमारे दिलों पर ग़िलाफ़ चढे हुए हैं (ये तो नहीं) बल्कि ख़ुदा ने उनके कुफ़्र की वजह से उनके दिलों पर मोहर कर दी है तो चन्द आदमियों के सिवा ये लोग ईमान नहीं लाते
অতএব, তারা যে শাস্তিপ্রাপ্ত হয়েছিল, তা ছিল তাদেরই অঙ্গীকার ভঙ্গর জন্য এবং অন্যায়ভাবে রসূলগণকে হত্যা করার কারণে এবং তাদের এই উক্তির দরুন যে, আমাদের হৃদয় আচ্ছন্ন। অবশ্য তা নয়, বরং কুফরীর কারণে স্বয়ং আল্লাহ তাদের অন্তরের উপর মোহর এঁটে দিয়েছেন। ফলে এরা ঈমান আনে না কিন্তু অতি অল্পসংখ্যক।
তাবা‘আ – মোহর মেরে দেওয়া, সীলমোহর করে দেওয়া (অর্থাৎ অন্তর বন্ধ করে দেওয়া)।
তাফসীর:
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা বনী ইসরাঈলের কিছু গুরুতর অপরাধের কথা উল্লেখ করেছেন, যার কারণে তারা আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত ও অভিশপ্ত হয়েছে। তাদের প্রথম অপরাধ হলো, তারা আল্লাহর সাথে কৃত দৃঢ় অঙ্গীকার ও চুক্তি ভঙ্গ করেছে। দ্বিতীয়ত, তারা আল্লাহর আয়াতসমূহ ও নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করেছে, যদিও এসব নিদর্শন তাদের কাছে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। তৃতীয়ত, তারা অন্যায়ভাবে আল্লাহর নবীগণকে হত্যা করেছে, যা ছিল তাদের চরম সীমালঙ্ঘন ও জঘন্য অপরাধ। চতুর্থত, তারা রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বলেছিল, “আমাদের অন্তর আবরণে ঢাকা, তাই তোমার কথা আমাদের অন্তরে প্রবেশ করে না।” কিন্তু প্রকৃত ব্যাপার তা ছিল না; বরং আল্লাহ তাদের কুফরির কারণে তাদের অন্তরে মোহর মেরে দিয়েছেন, ফলে তাদের অন্তর সত্য গ্রহণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। ফলে তারা খুব কম সংখ্যক ছাড়া ঈমান আনে না, এবং সেই সামান্য ঈমানও তাদের কোনো উপকারে আসে না।
ফায়িদা (শিক্ষা ও উপদেশ):
অঙ্গীকার ও চুক্তি রক্ষা করা ঈমানের অপরিহার্য দাবি। যে ব্যক্তি অঙ্গীকার ভঙ্গ করে, সে আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হয়।
আল্লাহর আয়াত ও নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করা এবং নবী-রাসূলদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করা ধ্বংসের কারণ।
অহংকার ও জিদের কারণে সত্য গ্রহণ না করা এবং অজুহাত তৈরি করা মানুষের অন্তরকে কঠোর করে দেয়, এমনকি আল্লাহ তাওফীক প্রত্যাহার করে নেন।
আল্লাহর রহমত ও হিদায়াত লাভের জন্য অন্তরকে পরিশুদ্ধ রাখা এবং সত্য গ্রহণে বাধা সৃষ্টিকারী সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করা জরুরি।
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, কুরআন ও সুন্নাহর প্রতি আন্তরিকভাবে গ্রহণ করার মানসিকতা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; অন্যথায় অন্তর বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং হিদায়াত লাভ অসম্ভব হয়ে পড়ে।
আপনার নিকট আহলে-কিতাবরা আবেদন জানায় যে, আপনি তাদের উপর আসমান থেকে লিখিত কিতাব অবতীর্ণ করিয়ে নিয়ে আসুন। বস্তুতঃ এরা মূসার কাছে এর চেয়েও বড় জিনিস চেয়েছে। বলেছে, একেবারে সামনাসামনিভাবে আমাদের আল্লাহকে দেখিয়ে দাও। অতএব, তাদের উপর বজ্রপাত হয়েছে তাদের পাপের দরুন; অতঃপর তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ-নিদর্শন প্রকাশিত হবার পরেও তারা গো-বৎসকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করেছিল; তাও আমি ক্ষমা করে দিয়েছিলাম এবং আমি মূসাকে প্রকৃষ্ট প্রভাব দান করেছিলাম।
আর তাদের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নেবার উদ্দেশ্যে আমি তাদের উপর তূর পর্বতকে তুলে ধরেছিলাম এবং তাদেরকে বলেছিলাম, অবনত মস্তকে দরজায় ঢোক। আর বলেছিলাম, শনিবার দিন সীমালংঘন করো না। এভাবে তাদের কাছ থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়েছিলাম।
অতএব, তারা যে শাস্তিপ্রাপ্ত হয়েছিল, তা ছিল তাদেরই অঙ্গীকার ভঙ্গর জন্য এবং অন্যায়ভাবে রসূলগণকে হত্যা করার কারণে এবং তাদের এই উক্তির দরুন যে, আমাদের হৃদয় আচ্ছন্ন। অবশ্য তা নয়, বরং কুফরীর কারণে স্বয়ং আল্লাহ তাদের অন্তরের উপর মোহর এঁটে দিয়েছেন। ফলে এরা ঈমান আনে না কিন্তু অতি অল্পসংখ্যক।
আর তাদের একথা বলার কারণে যে, আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসা মসীহকে হত্যা করেছি যিনি ছিলেন আল্লাহর রসূল। অথচ তারা না তাঁকে হত্যা করেছে, আর না শুলীতে চড়িয়েছে, বরং তারা এরূপ ধাঁধায় পতিত হয়েছিল। বস্তুতঃ তারা এ ব্যাপারে নানা রকম কথা বলে, তারা এক্ষেত্রে সন্দেহের মাঝে পড়ে আছে, শুধুমাত্র অনুমান করা ছাড়া তারা এ বিষয়ে কোন খবরই রাখে না। আর নিশ্চয়ই তাঁকে তারা হত্যা করেনি।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।