Famaa lakum filmuna afiqeena fi`ataini wallaahu arkasahum bimaa kasaboo; atureedoona an tahdoo man adallal laahu wa mmai yudlilil laahu falan tajida lahoo sabeelaa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
অতঃপর তোমাদের কি হল যে, মুনাফিকদের সম্পর্কে তোমরা দু’দল হয়ে গেলে? অথচ আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন তাদের মন্দ কাজের কারনে! তোমরা কি তাদেরকে পথ প্রদর্শন করতে চাও, যাদেরকে আল্লাহ পথভ্রষ্ট করেছেন? আল্লাহ যাকে পথভ্রান্ত করেন, তুমি তার জন্য কোন পথ পাবে না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(मुसलमानों) फिर तुमको क्या हो गया है कि तुम मुनाफ़िक़ों के बारे में दो फ़रीक़ हो गए हो (एक मुवाफ़िक़ एक मुख़ालिफ़) हालॉकि ख़ुद ख़ुदा ने उनके करतूतों की बदौलत उनकी अक्लों को उलट पुलट दिया है क्या तुम ये चाहते हो कि जिसको ख़ुदा ने गुमराही में छोड़ दिया है तुम उसे राहे रास्त पर ले आओ हालॉकि ख़ुदा ने जिसको गुमराही में छोड़ दिया है उसके लिए तुममें से कोई शख्स रास्ता निकाल ही नहीं सकता
أَرْكَسَهُم — তিনি তাদেরকে উল্টে দিয়েছেন অর্থাৎ কুফর ও গোমরাহীর দিকে ফিরিয়ে দিয়েছেন।
أَضَلَّ اللَّهُ — যাকে আল্লাহ পথভ্রষ্ট করেছেন।
سَبِيلًا — কোনো পথ বা উপায়।
তাফসীর:
হে মুমিনগণ! মুনাফিকদের ব্যাপারে তোমাদের কী হলো যে, তোমরা দুটি দলে বিভক্ত হয়ে গেলে? একটি দল বলে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো, কারণ তারা কুফরী করেছে; অপর দল বলে তাদেরকে ছেড়ে দাও, কারণ তারা মুখে ঈমান এনেছে। অথচ আল্লাহ তাআলা তাদেরকে তাদের মন্দ কর্মের কারণে কুফর ও গোমরাহীর গভীরে নিমজ্জিত করে দিয়েছেন। তারা ইসলাম গ্রহণের পর আবার কুফরের দিকে ফিরে গেছে, তাই তাদেরকে মুমিন মনে করার কোনো অবকাশ নেই।
তোমরা কি তাদেরকে হিদায়াত দিতে চাও, যাদেরকে আল্লাহ নিজেই পথভ্রষ্ট করেছেন? আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার জন্য হিদায়াতের কোনো পথই নেই। আল্লাহর ইচ্ছা ও নির্দেশের বাইরে কারো হিদায়াত দেওয়ার ক্ষমতা কারো নেই। সুতরাং মুনাফিকদের ব্যাপারে মতভেদ না করে তাদেরকে কাফেরদের অন্তর্ভুক্ত জ্ঞান করো এবং তাদের থেকে সতর্ক থাকো।
শিক্ষা ও উপদেশ:
মুনাফিক ও কাফেরদের ব্যাপারে মুমিনদের একীভূত অবস্থান থাকা আবশ্যক; মতভেদ দুর্বলতা সৃষ্টি করে।
হিদায়াত ও গোমরাহী সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর ইচ্ছাধীন। তিনি যাকে চান হিদায়াত দেন, যাকে চান পথভ্রষ্ট করেন, তাঁর জ্ঞান ও ন্যায়বিচার অনুযায়ী।
মানুষের প্রতি দায়িত্ব হলো সত্য প্রচার করা, কিন্তু ফলাফল আল্লাহর হাতে। তাই কারো ঈমান আনা বা না আনা নিয়ে হতাশ বা বিভ্রান্ত হওয়া উচিত নয়।
মন্দ কর্ম ও পাপ মানুষকে হিদায়াত থেকে দূরে সরিয়ে দেয় এবং অন্তরকে কঠোর করে তোলে। তাই পাপ থেকে বেঁচে থাকা ঈমান রক্ষার পূর্বশর্ত।
ইসলামের শত্রুদের ব্যাপারে সতর্ক থাকা এবং তাদের প্রকৃত অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া মুমিনের কর্তব্য; তাদের প্রতি নরম হওয়া বা তাদেরকে মুমিন ভাবা ভুল।
অতঃপর তোমাদের কি হল যে, মুনাফিকদের সম্পর্কে তোমরা দু’দল হয়ে গেলে? অথচ আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন তাদের মন্দ কাজের কারনে! তোমরা কি তাদেরকে পথ প্রদর্শন করতে চাও, যাদেরকে আল্লাহ পথভ্রষ্ট করেছেন? আল্লাহ যাকে পথভ্রান্ত করেন, তুমি তার জন্য কোন পথ পাবে না।
আর তোমাদেরকে যদি কেউ দোয়া করে, তাহলে তোমরাও তার জন্য দোয়া কর; তারচেয়ে উত্তম দোয়া অথবা তারই মত ফিরিয়ে বল। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ব বিষয়ে হিসাব-নিকাশ গ্রহণকারী।
আল্লাহ ব্যতীত আর কোনোই উপাস্য নেই। অবশ্যই তিনি তোমাদেরকে সমবেত করবেন কেয়ামতের দিন, এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। তাছাড়া আল্লাহর চাইতে বেশী সত্য কথা আর কার হবে!
অতঃপর তোমাদের কি হল যে, মুনাফিকদের সম্পর্কে তোমরা দু’দল হয়ে গেলে? অথচ আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন তাদের মন্দ কাজের কারনে! তোমরা কি তাদেরকে পথ প্রদর্শন করতে চাও, যাদেরকে আল্লাহ পথভ্রষ্ট করেছেন? আল্লাহ যাকে পথভ্রান্ত করেন, তুমি তার জন্য কোন পথ পাবে না।
তারা চায় যে, তারা যেমন কাফের, তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও। অতএব, তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর পথে হিজরত করে চলে আসে। অতঃপর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না।
কিন্তু যারা এমন সম্প্রদায়ের সাথে মিলিত হয় যে, তোমাদের মধ্যে ও তাদের মধ্যে চুক্তি আছে অথবা তোমাদের কাছে এভাবে আসে যে, তাদের অন্তর তোমাদের সাথে এবং স্বজাতির সাথেও যুদ্ধ করতে অনিচ্ছুক। যদি আল্লাহ ইচ্ছে করতেন, তবে তোমাদের উপর তাদেরকে প্রবল করে দিতেন। ফলে তারা অবশ্যই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করত। অতঃপর যদি তারা তোমাদের থেকে পৃথক থাকে তোমাদের সাথে যুদ্ধ না করে এবং তোমাদের সাথে সন্ধি করে, তবে আল্লাহ তোমাদের কে তাদের বিরুদ্ধে কোন পথ দেননি।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।