আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের প্রতি অশেষ করুণাবশত মুমিনদের দোয়া কবুল করেন। যারা তাঁর প্রতি ঈমান আনে এবং নেক আমল করে, আল্লাহ তাদের ডাকে সাড়া দেন এবং তাদের প্রার্থনা পূরণ করেন। শুধু তাই নয়, তিনি তাদের প্রতি নিজ অনুগ্রহে আরও বেশি দান করেন—তাদের আমলের বিনিময়ের চেয়েও অনেক বেশি সাওয়াব ও মর্যাদা দান করেন। তারা যা চায় না, তাও তিনি তাদের দিয়ে থাকেন। অন্যদিকে, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে অস্বীকার করে, তাদের জন্য রয়েছে কঠিন, যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি, যা কিয়ামতের দিন তাদের জন্য অপেক্ষমাণ।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
মুমিনের জন্য এটি অত্যন্ত সুসংবাদ যে, আল্লাহ তার দোয়া শোনেন এবং কবুল করেন। তাই প্রতিটি মুমিনের উচিত আল্লাহর কাছে বেশি বেশি প্রার্থনা করা এবং তাঁর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখা।
আল্লাহর অনুগ্রহ অপরিসীম—তিনি বান্দার সামান্য আমলের বিনিময়েও অঢেল পুরস্কার দান করেন। এটি মুমিনদেরকে নেক আমলে অগ্রসর হতে উৎসাহিত করে।
কুফর ও অবাধ্যতার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। আয়াতটি মানুষকে কুফর ও গুনাহ থেকে দূরে থাকার সতর্কবার্তা দেয় এবং ঈমান ও সৎকর্মের পথে চলার প্রেরণা জোগায়।
এটি প্রমাণ করে যে, আল্লাহর দরবার অত্যন্ত প্রশস্ত—তিনি চাইলে বান্দাকে অকল্পনীয় নেয়ামত দান করতে পারেন। তাই মুমিনের উচিত আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে নিরাশ না হয়ে সর্বদা তাঁর কাছে চাওয়া।
নাকি তারা একথা বলে যে, তিনি আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা রটনা করেছেন? আল্লাহ ইচ্ছা করলে আপনার অন্তরে মোহর এঁটে দিতেন। বস্তুতঃ তিনি মিথ্যাকে মিটিয়ে দেন এবং নিজ বাক্য দ্বারা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করেন। নিশ্চয় তিনি অন্তর্নিহিত বিষয় সম্পর্কে সর্বিশেষ জ্ঞাত।
যদি আল্লাহ তাঁর সকল বান্দাকে প্রচুর রিযিক দিতেন, তবে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত। কিন্তু তিনি যে পরিমাণ ইচ্ছা সে পরিমাণ নাযিল করেন। নিশ্চয় তিনি তাঁর বান্দাদের খবর রাখেন ও সবকিছু দেখেন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।