Am yaqooloonaf taraahu qul inif taraituhoo falaa tamlikoona lee minal laahi shai`an Huwa a`lamu bimaa tufeedoona feehi kafaa bihee shaheedam bainee wa bainakum wa Huwal Ghafoorur Raheem
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তারা কি বলে যে, রসূল একে রচনা করেছে? বলুন, যদি আমি রচনা করে থাকি, তবে তোমরা আল্লাহর শাস্তি থেকে আমাকে রক্ষা করার অধিকারী নও। তোমরা এ সম্পর্কে যা আলোচনা কর, সে বিষয়ে আল্লাহ সম্যক অবগত। আমার ও তোমাদের মধ্যে তিনি সাক্ষী হিসাবে যথেষ্ট। তিনি ক্ষমাশীল, দয়াময়।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
क्या ये कहते हैं कि इसने इसको ख़ुद गढ़ लिया है तो (ऐ रसूल) तुम कह दो कि अगर मैं इसको (अपने जी से) गढ़ लेता तो तुम ख़ुदा के सामने मेरे कुछ भी काम न आओगे जो जो बातें तुम लोग उसके बारे में करते रहते हो वह ख़ूब जानता है मेरे और तुम्हारे दरमियान वही गवाही को काफ़ी है और वही बड़ा बख्शने वाला है मेहरबान है
তারা কি বলে যে, রসূল একে রচনা করেছে? বলুন, যদি আমি রচনা করে থাকি, তবে তোমরা আল্লাহর শাস্তি থেকে আমাকে রক্ষা করার অধিকারী নও। তোমরা এ সম্পর্কে যা আলোচনা কর, সে বিষয়ে আল্লাহ সম্যক অবগত। আমার ও তোমাদের মধ্যে তিনি সাক্ষী হিসাবে যথেষ্ট। তিনি ক্ষমাশীল, দয়াময়।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
أَمْ — বরং, না কি
افْتَرَاهُ — সে এটি মিথ্যা রচনা করেছে (আল্লাহর নামে মিথ্যা উদ্ভাবন করেছে)
فَلَا تَمْلِكُونَ — তোমরা কোনো অধিকার রাখবে না / তোমরা সক্ষম হবে না
تُفِيضُونَ — তোমরা গভীরভাবে আলোচনা করছ / মগ্ন হয়ে সমালোচনা করছ
كَفَى بِهِ — তিনি যথেষ্ট
شَهِيدًا — সাক্ষী হিসেবে
তাফসীর:
মুশরিকরা যখন বলত যে, মুহাম্মাদ (সা.) নিজে এই কুরআন রচনা করে আল্লাহর নামে চালিয়ে দিয়েছেন, তখন আল্লাহ তাআলা তাঁর নবীকে নির্দেশ দিচ্ছেন— আপনি তাদেরকে বলুন: আমি যদি সত্যিই আল্লাহর ওপর মিথ্যা রচনা করে থাকি, তবে তোমরা আমার কোনো উপকারে আসতে পারবে না। আল্লাহ যদি আমাকে শাস্তি দিতে চান, তবে তোমাদের কেউই তা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রাখবে না। বরং আমি নিজেই নিজের সর্বনাশ ডেকে আনব, এমন বোকামি আমি কখনো করব না।
আল্লাহ তাআলা সবচেয়ে ভালো জানেন যে, তোমরা কুরআন সম্পর্কে কী ধরনের আলোচনা ও সমালোচনায় মগ্ন রয়েছ। তোমরা যে তাকে মিথ্যা বলছ, অথচ তিনি জানেন এটি সত্য— এই বিষয়ে আল্লাহই আমার ও তোমাদের মধ্যে যথেষ্ট সাক্ষী। তিনি আমার সত্যবাদিতা এবং তোমাদের মিথ্যার প্রমাণ দেবেন। তিনি তো ক্ষমাশীল ও দয়ালু— যারা ভুল পথ ছেড়ে তাঁর দিকে ফিরে আসে, তিনি তাদের ক্ষমা করেন এবং মুমিন বান্দাদের প্রতি অশেষ দয়া দেখান।
শিক্ষা ও উপদেশ:
নবী (সা.)-এর সত্যবাদিতা এতটাই সুস্পষ্ট যে, তিনি নিজেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন— যদি আমি মিথ্যাবাদী হই, তবে আল্লাহ আমাকে শাস্তি দিন। এটি তাঁর সততার প্রমাণ।
মানুষের সমালোচনা বা অপবাদ যতই তীব্র হোক, আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ সাক্ষী। সত্যের পথে থাকলে আল্লাহর সাক্ষ্যই আমাদের জন্য যথেষ্ট।
আল্লাহর ক্ষমা ও দয়া অপরিসীম। যত বড় ভুলই হোক না কেন, আন্তরিকভাবে তওবা করলে তিনি ক্ষমা করেন। তাই কুরআনের প্রতি সন্দেহ পোষণকারীদের জন্যও তওবার দরজা খোলা।
কুরআন আল্লাহর বাণী— এটি কোনো মানুষের রচনা নয়। এর সত্যতা প্রমাণের জন্য আল্লাহ নিজেই যথেষ্ট সাক্ষী, এবং এর গভীরতা ও অলৌকিকতা যুগে যুগে মানুষের চিন্তাকে চ্যালেঞ্জ করে চলেছে।
তারা কি বলে যে, রসূল একে রচনা করেছে? বলুন, যদি আমি রচনা করে থাকি, তবে তোমরা আল্লাহর শাস্তি থেকে আমাকে রক্ষা করার অধিকারী নও। তোমরা এ সম্পর্কে যা আলোচনা কর, সে বিষয়ে আল্লাহ সম্যক অবগত। আমার ও তোমাদের মধ্যে তিনি সাক্ষী হিসাবে যথেষ্ট। তিনি ক্ষমাশীল, দয়াময়।
বলুন, আমি তো কোন নতুন রসূল নই। আমি জানি না, আমার ও তোমাদের সাথে কি ব্যবহার করা হবে। আমি কেবল তারই অনুসরণ করি, যা আমার প্রতি ওহী করা হয়। আমি স্পষ্ট সতর্ক কারী বৈ নই।
বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে হয় এবং তোমরা একে অমান্য কর এবং বনী ইসরাঈলের একজন সাক্ষী এর পক্ষে সাক্ষ্য দিয়ে এতে বিশ্বাস স্থাপন করে; আর তোমরা অহংকার কর, তবে তোমাদের চেয়ে অবিবেচক আর কে হবে? নিশ্চয় আল্লাহ অবিবেচকদেরকে পথ দেখান না।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।