Yaaa aiyuhal lazeena aamanoo `alaikum anfusakum laa yadurrukum man dalla izah tadaitum; ilal laahi marji`ukum jamee`an fayunabbi`ukum bimaa kuntum ta`maloon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছ, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোন ক্ষতি নাই। তোমাদের সবাইকে আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে। তখন তিনি তোমাদেরকে বলে দেবেন, যা কিছু তোমরা করতে।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
ऐ ईमान वालों तुम अपनी ख़बर लो जब तुम राहे रास्त पर हो तो कोई गुमराह हुआ करे तुम्हें नुक़सान नहीं पहुँचा सकता तुम सबके सबको ख़ुदा ही की तरफ लौट कर जाना है तब (उस वक्त नेक व बद) जो कुछ (दुनिया में) करते थे तुम्हें बता देगा
হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছ, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোন ক্ষতি নাই। তোমাদের সবাইকে আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে। তখন তিনি তোমাদেরকে বলে দেবেন, যা কিছু তোমরা করতে।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
عَلَيْكُمْ أَنْفُسَكُمْ – তোমরা নিজেদের দায়িত্বে রাখো, নিজেদের সংশোধন করো।
لَا يَضُرُّكُمْ – তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।
إِذَا اهْتَدَيْتُمْ – যখন তোমরা হিদায়াতের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে।
فَيُنَبِّئُكُمْ – তখন তিনি তোমাদের জানিয়ে দেবেন।
তাফসীর:
হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদের সংশোধনের প্রতি যত্নবান হও এবং নিজেদেরকে আল্লাহর আনুগত্য ও তার নিষেধাজ্ঞা থেকে বিরত থাকার ওপর প্রতিষ্ঠিত রাখো। তোমরা যখন সত্য পথে অবিচল থাকবে এবং নিজেদের কর্তব্য পালন করবে—অর্থাৎ সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ করতে থাকবে—তখন কেউ পথভ্রষ্ট হলে তার পথভ্রষ্টতা তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। কারণ প্রত্যেক ব্যক্তি নিজের কর্মের জন্য দায়ী, আর তোমাদের উপর অপরের পাপের বোঝা চাপানো হবে না।
তবে এর অর্থ এই নয় যে, সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ ত্যাগ করা যাবে; বরং হিদায়াতের অন্তর্ভুক্ত হলো এই দায়িত্ব পালন করা। যদি কেউ তোমাদের উপদেশ না শোনে এবং গোমরাহিতে থাকে, তবে তার জন্য সে নিজেই দায়ী হবে, আর তোমরা তোমাদের কর্তব্য পালনের কারণে নিরাপদ থাকবে।
অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন যে, সবাইকে একদিন তার কাছে ফিরে যেতে হবে—পথভ্রষ্ট ও হিদায়াতপ্রাপ্ত সকলকে। তিনি কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে তোমাদের সমস্ত আমল সম্পর্কে অবহিত করবেন এবং প্রত্যেককে তার কাজের যথাযথ প্রতিদান দেবেন। এটি মুমিনদের জন্য সান্ত্বনা এবং গাফিলদের জন্য সতর্কবার্তা।
শিক্ষা ও উপদেশ:
প্রতিটি মুমিনের প্রথম দায়িত্ব নিজেকে সংশোধন করা এবং নিজের আমল ঠিক করা।
হিদায়াতের পথে থাকলে অন্যের পথভ্রষ্টতা আমাদের ক্ষতি করতে পারে না—এটি মুমিনের জন্য বড় সান্ত্বনা।
সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ করা হিদায়াতের অংশ, তাই এটি পালন করা জরুরি।
কিয়ামতের দিন প্রত্যেকে নিজ নিজ আমলের হিসাব দেবে; কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না।
আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়ার চূড়ান্ত পরিণতি আমাদেরকে সতর্ক ও সচেতন রাখে এবং নেক কাজে উদ্বুদ্ধ করে।
আল্লাহ ‘বহিরা’ ‘সায়েবা’ ওসীলা’ এবং ‘হামী’ কে শরীয়তসিদ্ধ করেননি। কিন্তু যারা কাফের, তারা আল্লাহর উপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে। তাদের অধিকাংশেরই বিবেক বুদ্ধি নেই।
যখন তাদেরকে বলা হয় যে, আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান এবং রসূলের দিকে এস, তখন তারা বলে, আমাদের জন্যে তাই যথেষ্ট, যার উপর আমরা আমাদের বাপ-দাদাকে পেয়েছি। যদি তাদের বাপ দাদারা কোন জ্ঞান না রাখে এবং হেদায়েত প্রাপ্ত না হয় তবুও কি তারা তাই করবে?
হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছ, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোন ক্ষতি নাই। তোমাদের সবাইকে আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে। তখন তিনি তোমাদেরকে বলে দেবেন, যা কিছু তোমরা করতে।
হে, মুমিনগণ, তোমাদের মধ্যে যখন কারও মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন ওছিয়ত করার সময় তোমাদের মধ্য থেকে ধর্মপরায়ন দুজনকে সাক্ষী রেখো। তোমরা সফরে থাকলে এবং সে অবস্থায় তোমাদের মৃত্যু উপস্থিত হলে তোমরা তোমাদের ছাড়াও দু ব্যক্তিকে সাক্ষী রেখো। যদি তোমাদের সন্দেহ হয়, তবে উভয়কে নামাযের পর থাকতে বলবে। অতঃপর উভয়েই আল্লাহর নামে কসম খাবে যে, আমরা এ কসমের বিনিময়ে কোন উপকার গ্রহণ করতে চাই না, যদিও কোন আত্নীয়ও হয় এবং আল্লাহর সাক্ষ্য আমরা গোপন করব না। এমতাবস্থায় কঠোর গোনাহগার হব।
অতঃপর যদি জানা যায় যে, উভয় ওসি কোন গোনাহে জড়িত রয়েছে, তবে যাদের বিরুদ্ধে গোনাহ হয়েছিল, তাদের মধ্য থেকে মৃতু ব্যক্তির নিকটতম দু’ব্যক্তি তাদের স্থলাভিষিক্ত হবে। অতঃপর আল্লাহর নামে কসম খাবে যে, অবশ্যই আমাদের সাক্ষ্য তাদের সাক্ষ্যর চাইতে অধিক সত্য এবং আমরা সীমা অতিক্রম করিনি। এমতাবস্থায় আমরা অবশ্যই অত্যাচারী হব।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।