Sayaqoolul lazeena ashrakoo law shaaa`al laahu maaa ashraknaa wa laaa aabaa`unaa wa laa harramnaa min shai`; kazaalika kazzabal lazeena min qablihim hattaa zaaqoo baasanaa; qul hal `indakum min `ilmin fatukh rijoohu lanaa in tattabi`oona illaz zanna wa in antum illaa takhhrusoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
এখন মুশরেকরা বলবেঃ যদি আল্লাহ ইচ্ছা করতেন, তবে না আমরা শিরক করতাম, না আমাদের বাপ দাদারা এবং না আমরা কোন বস্তুকে হারাম করতাম। এমনিভাবে তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ করেছে, এমন কি তারা আমার শাস্তি আস্বাদন করেছে। আপনি বলুনঃ তোমাদের কাছে কি কোন প্রমাণ আছে যা আমাদেরকে দেখাতে পার। তোমরা শুধুমাত্র আন্দাজের অনুসরণ কর এবং তোমরা শুধু অনুমান করে কথা বল।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
अनक़रीब मुशरेकीन कहेंगें कि अगर ख़ुदा चाहता तो न हम लोग शिर्क करते और न हमारे बाप दादा और न हम कोई चीज़ अपने ऊपर हराम करते उसी तरह (बातें बना बना के) जो लोग उनसे पहले हो गुज़रे हैं (पैग़म्बरों को) झुठलाते रहे यहाँ तक कि उन लोगों ने हमारे अज़ाब (के मज़े)े को चख़ा (ऐ रसूल) तुम कहो कि तुम्हारे पास कोई दलील है (अगर है) तो हमारे (दिखाने के) वास्ते उसको निकालो (दलील तो क्या) पेश करोगे तुम लोग तो सिर्फ अपने ख्याल ख़ाम की पैरवी करते हो और सिर्फ अटकल पच्चू बातें करते हो
تَخْرُصُونَ: মিথ্যা বলা, অনুমানভিত্তিক কথা বলা, বানোয়াট কথা রচনা করা।
তাফসীর:
মুশরিকরা যখন দলীল-প্রমাণে পরাজিত হলো এবং তাদের শিরক ও হারাম-হালাল নির্ধারণের কোনো ভিত্তি নেই বলে প্রমাণিত হলো, তখন তারা একটি ভিত্তিহীন অজুহাত পেশ করবে। তারা বলবে, “আল্লাহ যদি চাইতেন, তাহলে আমরা এবং আমাদের পূর্বপুরুষরা শিরক করতাম না এবং আমরা কোনো কিছু (যেমন: বাহিরা, সায়েবা ইত্যাদি) হারাম করতাম না।” অর্থাৎ তারা আল্লাহর ইচ্ছা ও তাকদীরকে অজুহাত বানিয়ে নিজেদের শিরক ও অন্যায়কে ন্যায্য প্রমাণ করতে চাইবে।
আল্লাহ তা‘আলা তাদের এই অজুহাত খণ্ডন করে বলেন, তাদের পূর্ববর্তী সম্প্রদায়গুলোরাও ঠিক এমনিভাবে তাদের নবীদেরকে মিথ্যা বলেছিল এবং একই ধরনের অজুহাত পেশ করেছিল। তারা এই মিথ্যা ও অজুহাতে অটল থাকতে থাকতে শেষ পর্যন্ত আমার শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করেছিল। অর্থাৎ তাদের এই অজুহাত তাদেরকে শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারেনি।
এরপর আল্লাহ তাঁর নবীকে নির্দেশ দেন, তাদেরকে বলুন: “তোমাদের কাছে কি এমন কোনো জ্ঞান বা প্রমাণ আছে যা তোমরা আমাদের সামনে পেশ করতে পারো যে, আল্লাহ তোমাদের শিরক ও হারাম-হালাল নির্ধারণের অনুমতি দিয়েছেন? তোমরা তো শুধুমাত্র অনুমান ও ধারণার অনুসরণ করছ, আর তোমরা তো কেবল মিথ্যাই বলছ।” অর্থাৎ তোমাদের এই দাবির কোনো ভিত্তি নেই; এটি নিছক অনুমান, অলীক কল্পনা ও মিথ্যা ছাড়া আর কিছুই নয়।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহর ইচ্ছা ও তাকদীরকে অজুহাত বানিয়ে নিজের গুনাহ ও অন্যায়কে ন্যায্য প্রমাণ করার চেষ্টা করা একটি পুরনো কৌশল, যা যুগে যুগে সত্যের বিরোধীরা ব্যবহার করেছে। কিন্তু আল্লাহর দরবারে এই অজুহাত কখনো গ্রহণযোগ্য হবে না।
তাকদীরের প্রতি বিশ্বাস রাখা আমাদের ঈমানের অংশ, কিন্তু তা কখনো আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য থেকে অব্যাহতি দেয় না। আমরা যা করি তার জন্য আমরা দায়ী থাকব, কারণ আল্লাহ আমাদের বিবেক-বুদ্ধি দিয়েছেন এবং সঠিক-ভুলের পথ দেখিয়ে দিয়েছেন।
ধর্মীয় বিষয়ে অনুমান ও ধারণার কোনো স্থান নেই। ইবাদত, হালাল-হারাম নির্ধারণসহ সকল ধর্মীয় বিষয়ে আমাদের অবশ্যই কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করতে হবে।
পূর্ববর্তী জাতিগুলোর পরিণাম থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। যারা সত্যকে মিথ্যা বলেছে এবং নিজেদের ভুল পথে অটল থেকেছে, তাদের ওপর আল্লাহর শাস্তি নেমে এসেছে। তাই আমাদের উচিত সত্যকে গ্রহণ করা এবং ভুল পথ থেকে ফিরে আসা।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, সত্যের পথে আহ্বানকারীদেরকে মিথ্যা অজুহাত ও ভিত্তিহীন যুক্তির মুখোমুখি হতে হয়। কিন্তু তাদের কর্তব্য হলো ধৈর্য ধরে দলীল-প্রমাণের মাধ্যমে সত্য তুলে ধরা এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা।
এখন মুশরেকরা বলবেঃ যদি আল্লাহ ইচ্ছা করতেন, তবে না আমরা শিরক করতাম, না আমাদের বাপ দাদারা এবং না আমরা কোন বস্তুকে হারাম করতাম। এমনিভাবে তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ করেছে, এমন কি তারা আমার শাস্তি আস্বাদন করেছে। আপনি বলুনঃ তোমাদের কাছে কি কোন প্রমাণ আছে যা আমাদেরকে দেখাতে পার। তোমরা শুধুমাত্র আন্দাজের অনুসরণ কর এবং তোমরা শুধু অনুমান করে কথা বল।
ইহুদীদের জন্যে আমি প্রত্যেক নখবিশিষ্ট জন্তু হারাম করেছিলাম এবং ছাগল ও গরু থেকে এতদুভয়ের চর্বি আমি তাদের জন্যে হারাম করেছিলাম, কিন্তু ঐ চর্বি, যা পৃষ্টে কিংবা অন্ত্রে সংযুক্ত থাকে অথবা অস্থির সাথে মিলিত থাকে। তাদের অবাধ্যতার কারণে আমি তাদেরকে এ শাস্তি দিয়েছিলাম। আর আমি অবশ্যই সত্যবাদী।
এখন মুশরেকরা বলবেঃ যদি আল্লাহ ইচ্ছা করতেন, তবে না আমরা শিরক করতাম, না আমাদের বাপ দাদারা এবং না আমরা কোন বস্তুকে হারাম করতাম। এমনিভাবে তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ করেছে, এমন কি তারা আমার শাস্তি আস্বাদন করেছে। আপনি বলুনঃ তোমাদের কাছে কি কোন প্রমাণ আছে যা আমাদেরকে দেখাতে পার। তোমরা শুধুমাত্র আন্দাজের অনুসরণ কর এবং তোমরা শুধু অনুমান করে কথা বল।
আপনি বলুনঃ তোমাদের সাক্ষীদেরকে আন, যারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ তা’আলা এগুলো হারাম করেছেন। যদি তারা সাক্ষ্য দেয়, তবে আপনি এ সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন না এবং তাদের কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না, যারা আমার নির্দেশাবলীকে মিথ্যা বলে, যারা পরকালে বিশ্বাস করে না এবং যারা স্বীয় প্রতিপালকের সমতুল্য অংশীদার করে।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।