Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
কয়েকটি শব্দের অর্থ:
- نَظَرَ بَعْضُهُمْ إِلَىٰ بَعْضٍ – একে অপরের দিকে তাকাল (ইশারায় ইঙ্গিত করা)।
- هَلْ يَرَاكُم مِّنْ أَحَدٍ – কেউ কি তোমাদের দেখছে?
- ثُمَّ انصَرَفُوا – অতঃপর তারা সরে পড়ল / চলে গেল।
- صَرَفَ اللَّهُ قُلُوبَهُم – আল্লাহ তাদের অন্তরসমূহকে (সত্য গ্রহণ থেকে) ফিরিয়ে দিয়েছেন।
- لَا يَفْقَهُونَ – তারা বুঝে না / উপলব্ধি করে না।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
যখনই আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসূল ﷺ-এর উপর এমন কোনো সূরা নাযিল করেন যাতে মুনাফিকদের কুৎসিত অবস্থা, মন্দ চরিত্র ও গোপন ষড়যন্ত্রের কথা প্রকাশ পায়, তখনই মুনাফিকদের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়ত। তারা রাসূল ﷺ-এর মজলিসে উপস্থিত থাকত, কিন্তু সূরার আয়াতগুলো যখন তাদের দোষ-ত্রুটি ও কপটতার কথা উন্মোচন করতে থাকত, তখন তারা লজ্জা ও ভয়ে একে অপরের দিকে তাকাত। তাদের দৃষ্টি ছিল অস্থির, চোখে ছিল আতঙ্ক ও অস্বস্তির ছাপ। তারা চোখের ইশারায় একে অপরকে বলত: “কেউ কি আমাদের দেখছে? আমরা কি নিরাপদে এখান থেকে উঠে যেতে পারি?” যদি তারা দেখত যে, কেউ তাদের দিকে লক্ষ্য করছে না, তাহলে তারা চুপচাপ মজলিস থেকে সরে পড়ত এবং রাসূল ﷺ-এর কথা শোনা বন্ধ করে দিত। তারা ভয় পেত যে, হয়তো তাদের চেহারা বা আচরণ দেখে মুমিনরা তাদের চিনে ফেলবে এবং তাদের কপটতা ধরা পড়ে যাবে।
আল্লাহ তাআলা বলেন, তাদের এই কাপুরুষতাপূর্ণ আচরণের পরিণামেই আল্লাহ তাদের অন্তরসমূহকে সত্য গ্রহণ থেকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। অর্থাৎ, তারা যখন সত্যকে প্রত্যাখ্যান করে এবং হকের মজলিস থেকে পালিয়ে বেড়ায়, তখন আল্লাহ তাদের অন্তরে হিদায়াতের পথ বন্ধ করে দেন। এটি তাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি শাস্তি। কারণ, তারা এমন এক সম্প্রদায়, যারা বোঝে না, চিন্তা-ভাবনা করে না এবং উপদেশ গ্রহণ করে না। তাদের অন্তর মরিচা পড়া, বিবেক অন্ধ এবং জ্ঞান-বুদ্ধি থেকে তারা বঞ্চিত। সত্য তাদের সামনে স্পষ্টভাবে উপস্থাপিত হওয়া সত্ত্বেও তারা তা গ্রহণ করেনি, বরং ঠাট্টা-বিদ্রূপ করেছে এবং পালিয়ে গেছে।
এই আয়াত থেকে আমরা শিক্ষা পাই যে, সত্যকে গ্রহণ না করা এবং উপদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার কারণে আল্লাহ তাআলা মানুষের অন্তরকে সত্য থেকে দূরে সরিয়ে দেন। আর যারা মনোযোগ সহকারে কুরআন শোনে, চিন্তা করে এবং আমল করে, আল্লাহ তাদের অন্তরকে আরও দৃঢ় করেন এবং হিদায়াতের পথে অগ্রসর করেন। সুতরাং, আমাদের উচিত কুরআনের আয়াত শোনার সময় মনোযোগী হওয়া, তা থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং নিজেদের জীবনকে কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী সাজানো। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সত্য বুঝার ও মেনে চলার তাওফীক দান করুন। আমীন।
📜 আয়াত 125-129 — সূরা আত-তওবা
অনুবাদ — আত-তওবা 127
সূরা আত-তওবা আয়াত 127 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : আর যখনই কোন সূরা অবতীর্ণ হয়, তখন তারা একে অন্যের…সূরা আয়াত 127/129 — সূরা আত-তওবা التوبة (মাদানী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আত-তওবা শুনুন, সূরা আত-তওবা অনুবাদ, সূরা আত-তওবা mp3, সূরা আত-তওবা pdf. আয়াত 125–129. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আত-তওবা
পবিত্র কুরআন
Tuesday, September 29, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না

