Hunaalika tabloo kullu nafsim maaa aslafat; wa ruddoo ilal laahi mawlaahu mul haqqi wa dalla `anhum maa kaanoo yaftaroon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
সেখানে প্রত্যেকে যাচাই করে নিতে পারবে যা কিছু সে ইতিপূর্বে করেছিল এবং আল্লাহর প্রতি প্রত্যাবর্তন করবে যিনি তাদের প্রকৃত মালিক, আর তাদের কাছ থেকে দূরে যেতে থাকবে যারা মিথ্যা বলত।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(ग़रज़) वहाँ हर शख़्श जो कुछ जिसने पहले (दुनिया में) किया है जाँच लेगा और वह सब के सब अपने सच्चे मालिक ख़ुदा की बारगाह में लौटकर लाए जाएँगें और (दुनिया में) जो कुछ इफ़तेरा परदाज़िया (झूठी बातें) करते थे सब उनके पास से चल चंपत हो जाएगें
সেখানে প্রত্যেকে যাচাই করে নিতে পারবে যা কিছু সে ইতিপূর্বে করেছিল এবং আল্লাহর প্রতি প্রত্যাবর্তন করবে যিনি তাদের প্রকৃত মালিক, আর তাদের কাছ থেকে দূরে যেতে থাকবে যারা মিথ্যা বলত।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
هُنَالِكَ – সেখানে, সেই স্থানে (কিয়ামতের ময়দানে)।
تَبْلُو – পরীক্ষা করবে, যাচাই করবে; অর্থাৎ প্রতিটি প্রাণ তার কৃতকর্মের প্রকৃত ফল প্রত্যক্ষ করবে।
مَا أَسْلَفَتْ – যা কিছু সে আগে পাঠিয়েছে (দুনিয়ার জীবনে যা কিছু আমল করেছে)।
مَوْلَاهُمُ الْحَقِّ – তাদের প্রকৃত মালিক ও কর্তা, যিনি সত্য (আল্লাহ)।
কিয়ামতের সেই ভয়াবহ ময়দানে, যখন প্রতিটি মানুষ হিসাব-নিকাশের জন্য উপস্থিত হবে, তখন প্রতিটি প্রাণ নিজের কৃতকর্মের মুখোমুখি হবে। দুনিয়ায় সে যা কিছুই করেছিল—ভালো বা মন্দ—সবকিছু তার সামনে স্পষ্টভাবে উপস্থাপিত হবে এবং সে তার প্রকৃত পরিণাম অনুভব করবে। কেউ ভালো কাজ করে থাকলে ভালো ফল পাবে, আর কেউ খারাপ কাজ করে থাকলে তার শাস্তি ভোগ করবে। এরপর সবাইকে ফিরিয়ে আনা হবে আল্লাহর দিকে—তাঁরই সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনিই প্রকৃত মালিক, তিনিই ন্যায়বিচারক। মুশরিকরা দুনিয়ায় যাদেরকে আল্লাহর অংশীদার বানিয়ে পূজা করত, যাদের সম্পর্কে তারা মিথ্যা ধারণা পোষণ করত যে তারা তাদের সুপারিশ করবে বা তাদের কোনো উপকারে আসবে, সেই সব মিথ্যা উপাস্য ও তাদের সম্পর্কে কল্পিত শুপারিশ আজ সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যাবে। তারা দেখবে যে, তাদের সেই সব ভ্রান্ত বিশ্বাস ও মনগড়া দেবদেবী কোনো কাজেই আসেনি, বরং তারা সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে আছে।
শিক্ষা ও উপদেশ:
প্রতিটি মানুষ তার কর্মের জন্য দায়ী হবে; ভালো কাজের প্রতিদান এবং মন্দ কাজের শাস্তি অবশ্যম্ভাবী। তাই আমাদের উচিত দুনিয়ার জীবনে এমন আমল করা যা আখিরাতে আমাদের জন্য সুফল বয়ে আনবে।
আল্লাহই একমাত্র সত্য মালিক ও বিচারক। তাঁর আদালতে কোনো অন্যায় বা পক্ষপাতিত্ব নেই। এই বিশ্বাস মানুষের মনে ন্যায়পরায়ণতা ও আল্লাহভীতি সৃষ্টি করে।
আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো শক্তি বা উপাস্য নেই; যারা আল্লাহর সাথে অন্য কিছু শরিক করে, তারা আখিরাতে সম্পূর্ণ হতাশ হবে এবং তাদের সেই সব মিথ্যা আশ্রয় একেবারেই ব্যর্থ প্রমাণিত হবে। তাই আমাদের উচিত একমাত্র আল্লাহর ওপর ভরসা করা এবং তাঁরই নির্দেশ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা।
এই আয়াত আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, দুনিয়ার জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান; এখানে আমরা যা কিছু করি, তা যেন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হয়, যাতে আখিরাতে আমরা লজ্জিত না হই।
আর যেদিন আমি তাদের সবাইকে সমবেত করব; আর যারা শেরক করত তাদেরকে বলবঃ তোমরা এবং তোমাদের শরীকরা নিজ নিজ জায়গায় দাঁড়িয়ে যাও-অতঃপর তাদেরকে পারস্পরিক বিচ্ছিন্ন করে দেব, তখন তাদের শরীকরা বলবে, তোমরা তো আমাদের উপাসনা-বন্দেগী করনি।
সেখানে প্রত্যেকে যাচাই করে নিতে পারবে যা কিছু সে ইতিপূর্বে করেছিল এবং আল্লাহর প্রতি প্রত্যাবর্তন করবে যিনি তাদের প্রকৃত মালিক, আর তাদের কাছ থেকে দূরে যেতে থাকবে যারা মিথ্যা বলত।
তুমি জিজ্ঞেস কর, কে রুযী দান করে তোমাদেরকে আসমান থেকে ও যমীন থেকে, কিংবা কে তোমাদের কান ও চোখের মালিক? তাছাড়া কে জীবিতকে মৃতের ভেতর থেকে বের করেন এবং কেইবা মৃতকে জীবিতের মধ্য থেকে বের করেন? কে করেন কর্ম সম্পাদনের ব্যবস্থাপনা? তখন তারা বলে উঠবে, আল্লাহ! তখন তুমি বলো তারপরেও ভয় করছ না?
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।