Wa yaa qawmi laa yajri mannakum shiqaaqeee ai yuseebakum mislu maaa asaaba qawma Noohin aw qawma Hoodin aw qawma Saalih; wa maa qawmu Lootim minkum biba`eed
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আর হে আমার জাতি! আমার সাথে জিদ করে তোমরা নূহ বা হুদ অথবা সালেহ (আঃ) এর কওমের মত নিজেদের উপর আযাব ডেকে আনবে না। আর লূতের জাতি তো তোমাদের থেকে খুব দূরে নয়।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और ऐ मेरी क़ौमे मेरी ज़िद कही तुम से ऐसा जुर्म न करा दे जैसी मुसीबत क़ौम नूह या हूद या सालेह पर नाज़िल हुई थी वैसी ही मुसीबत तुम पर भी आ पड़े और लूत की क़ौम (का ज़माना) तो (कुछ ऐसा) तुमसे दूर नहीं (उन्हीं के इबरत हासिल करो
আর হে আমার জাতি! আমার সাথে জিদ করে তোমরা নূহ বা হুদ অথবা সালেহ (আঃ) এর কওমের মত নিজেদের উপর আযাব ডেকে আনবে না। আর লূতের জাতি তো তোমাদের থেকে খুব দূরে নয়।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
لَا يَجْرِمَنَّكُمْ – তোমাদের যেন না প্ররোচিত করে, বা তোমাদের উপর যেন চাপিয়ে না দেয়।
شِقَاقِي – আমার সাথে বিরোধিতা, শত্রুতা বা মতবিরোধ।
أَن يُصِيبَكُم – যেন তোমাদের উপর আপতিত না হয়।
بِبَعِيدٍ – দূরে নয়, নিকটবর্তী।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
হে আমার সম্প্রদায়! আমার সাথে তোমাদের যে বিরোধিতা ও শত্রুতা, তা যেন তোমাদেরকে এমন জেদ ও অহংকারে না ঠেলে দেয় যে, তোমরা সত্যকে মেনে নেবে না এবং কুফরীর উপর অটল থাকবে। কারণ, এর পরিণামে তোমাদের উপর সেই শাস্তি নেমে আসতে পারে, যা পূর্ববর্তী সম্প্রদায়গুলোর উপর নেমে এসেছিল। নূহ (আঃ)-এর সম্প্রদায়কে প্লাবনের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছিল, হূদ (আঃ)-এর সম্প্রদায়কে (আদ) প্রচণ্ড ঝড়ো বাতাসের মাধ্যমে, আর সালেহ (আঃ)-এর সম্প্রদায়কে (সামুদ) ভয়ংকর চিৎকার বা শব্দের মাধ্যমে। তোমরা তো জানোই তাদের কী পরিণতি হয়েছিল। আর লূত (আঃ)-এর সম্প্রদায়ের ধ্বংসও তোমাদের থেকে দূরে নয়—না সময়ের দিক থেকে, না স্থানের দিক থেকে। তাদের জনপদ তোমাদের কাছেই ছিল, আর তাদের ঘটনা তোমাদের চোখের সামনেই ঘটেছে। সুতরাং তাদের থেকে শিক্ষা গ্রহণ করো এবং আল্লাহর শাস্তি থেকে সাবধান থাকো।
শিক্ষা ও উপদেশ:
নবী ও সৎ ব্যক্তিদের সাথে বিরোধিতা করা এবং তাদের উপদেশ অমান্য করা ধ্বংসের কারণ। তাই সত্যের দাওয়াতকে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করা উচিত।
পূর্ববর্তী জাতিগুলোর ধ্বংসের ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি যেন আমাদের জীবনে না ঘটে, সেদিকে খেয়াল রাখা দরকার।
আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো তাওবাহ করা এবং সত্যের পথে ফিরে আসা। গুনাহের উপর জেদ ধরে থাকা কখনোই মঙ্গলের নয়।
সময় ও স্থানের দূরত্ব আল্লাহর শাস্তি থেকে নিরাপত্তা দেয় না। বরং পূর্ববর্তীদের পরিণতি আমাদের জন্য সতর্কবার্তা।
তারা বলল-হে শোয়ায়েব (আঃ) আপনার নামায কি আপনাকে ইহাই শিক্ষা দেয় যে, আমরা ঐসব উপাস্যদেরকে পরিত্যাগ করব আমাদের বাপ-দাদারা যাদের উপাসনা করত? অথবা আমাদের ধন-সম্পদে ইচ্ছামত যা কিছু করে থাকি, তা ছেড়ে দেব? আপনি তো একজন খাস মহৎ ব্যক্তি ও সৎপথের পথিক।
শোয়ায়েব (আঃ) বললেন-হে দেশবাসী, তোমরা কি মনে কর! আমি যদি আমার পরওয়ারদেগারের পক্ষ হতে সুস্পষ্ট দলীলের উপর কায়েম থাকি আর তিনি যদি নিজের তরফ হতে আমাকে উত্তম রিযিক দান করে থাকেন, (তবে কি আমি তাঁর হুকুম অমান্য করতে পারি?) আর আমি চাই না যে তোমাদেরকে যা ছাড়াতে চাই পরে নিজেই সে কাজে লিপ্ত হব, আমি তো যথাসাধ্য শোধরাতে চাই। আল্লাহর মদদ দ্বারাই কিন্তু কাজ হয়ে থাকে, আমি তাঁর উপরই নির্ভর করি এবং তাঁরই প্রতি ফিরে যাই।
আর হে আমার জাতি! আমার সাথে জিদ করে তোমরা নূহ বা হুদ অথবা সালেহ (আঃ) এর কওমের মত নিজেদের উপর আযাব ডেকে আনবে না। আর লূতের জাতি তো তোমাদের থেকে খুব দূরে নয়।
তারা বলল-হে শোয়ায়েব (আঃ) আপনি যা বলেছেন তার অনেক কথাই আমরা বুঝি নাই, আমারা তো আপনাকে আমাদের মধ্যে দূর্বল ব্যক্তি রূপে মনে করি। আপনার ভাই বন্ধুরা না থাকলে আমরা আপনাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করতাম। আমাদের দৃষ্টিতে আপনি কোন মর্যাদাবান ব্যক্তি নন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।