Kaifa takfuroona billaahi wa kuntum amwaatan fa ahyaakum summa yumeetukum summa yuhyeekum summaa ilaihi turja`oon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
কেমন করে তোমরা আল্লাহর ব্যাপারে কুফরী অবলম্বন করছ? অথচ তোমরা ছিলে নিষ্প্রাণ। অতঃপর তিনিই তোমাদেরকে প্রাণ দান করেছেন, আবার মৃত্যু দান করবেন। পুনরায় তোমাদেরকে জীবনদান করবেন। অতঃপর তারই প্রতি প্রত্যাবর্তন করবে।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(हाँए) क्यों कर तुम खुदा का इन्कार कर सकते हो हालाँकि तुम (माओं के पेट में) बेजान थे तो उसी ने तुमको ज़िन्दा किया फिर वही तुमको मार डालेगा, फिर वही तुमको (दोबारा क़यामत में) ज़िन्दा करेगा फिर उसी की तरफ लौटाए जाओगे
হে মুশরিক সম্প্রদায়! এটি কী অদ্ভুত ব্যাপার যে, তোমরা আল্লাহর একত্ববাদ অস্বীকার করছ এবং তাঁর সাথে অন্যকে শরিক করছ, অথচ তোমাদের নিজেদের অস্তিত্বই তাঁর ক্ষমতার সবচেয়ে বড় প্রমাণ! তোমরা আগে ছিলে অস্তিত্বহীন, মৃত; কোনো অস্তিত্বই ছিল না তোমাদের। তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং জীবন দান করেছেন। এরপর যখন তোমাদের নির্ধারিত সময় শেষ হবে, তিনি তোমাদের মৃত্যু দেবেন। অতঃপর কিয়ামতের দিন তিনি তোমাদের পুনরায় জীবিত করবেন। সবশেষে তোমাদেরকে তাঁর কাছেই ফিরিয়ে নেওয়া হবে, যেখানে তিনি তোমাদের প্রতিটি কাজের হিসাব নেবেন এবং যথাযথ প্রতিদান দেবেন।
তোমাদের জীবনের এই ধারাবাহিকতা—অস্তিত্বহীনতা থেকে সৃষ্টি, তারপর মৃত্যু, তারপর পুনরুত্থান—প্রতিটি পর্যায়ই আল্লাহর পূর্ণ ক্ষমতা ও একত্বের সাক্ষ্য বহন করে। যে সত্তা তোমাদেরকে প্রথমবার শূন্য থেকে সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি আবার জীবিত করতে সক্ষম নন? অবশ্যই সক্ষম। সুতরাং এই সুস্পষ্ট প্রমাণের পরও তোমাদের কুফরি করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও বিস্ময়কর।
ফায়েদা (শিক্ষা ও উপদেশ):
মানুষের জীবনের শুরু ছিল শূন্য থেকে; আল্লাহ তাকে সৃষ্টি করেছেন। এটি আল্লাহর অস্তিত্ব ও একত্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। যে ব্যক্তি নিজের সৃষ্টির দিকে চিন্তা করবে, সে কখনো আল্লাহকে অস্বীকার করতে পারবে না।
মৃত্যু একটি অনিবার্য সত্য; প্রতিটি প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। তাই আমাদের উচিত মৃত্যুর আগেই আল্লাহর আনুগত্যের মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত করা।
পুনরুত্থান ও হিসাব-নিকাশের প্রতি বিশ্বাসই মানুষকে সৎকর্মে উদ্বুদ্ধ করে এবং অন্যায় থেকে বিরত রাখে। এই বিশ্বাসই মুমিনের জীবনে শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধ সৃষ্টি করে।
আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত, কারণ তিনি আমাদের অস্তিত্বহীন অবস্থা থেকে জীবিত করেছেন। এই জীবন আমাদের জন্য পরীক্ষার স্থান, আর সফলতা নির্ভর করে আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলার ওপর।
এই আয়াত মানুষকে আল্লাহর রহমতের প্রতি আশাবাদী করে—যেমন তিনি প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন, তেমনি দ্বিতীয়বারও জীবিত করবেন এবং তাঁর ন্যায়বিচারের কাছে সবাইকে ফিরিয়ে নেবেন। তাই আমাদের উচিত আল্লাহর বিধান মেনে চলা এবং তাঁর রহমতের আশা করা।
আল্লাহ পাক নিঃসন্দেহে মশা বা তদুর্ধ্ব বস্তু দ্বারা উপমা পেশ করতে লজ্জাবোধ করেন না। বস্তুতঃ যারা মুমিন তারা নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করে যে, তাদের পালনকর্তা কর্তৃক উপস্থাপিত এ উপমা সম্পূর্ণ নির্ভূল ও সঠিক। আর যারা কাফের তারা বলে, এরূপ উপমা উপস্থাপনে আল্লাহর মতলবই বা কি ছিল। এ দ্বারা আল্লাহ তা’আলা অনেককে বিপথগামী করেন, আবার অনেককে সঠিক পথও প্রদর্শন করেন। তিনি অনুরূপ উপমা দ্বারা অসৎ ব্যক্তিবর্গ ভিন্ন কাকেও বিপথগামী করেন না।
(বিপথগামী ওরাই) যারা আল্লাহর সঙ্গে অঙ্গীকারাবদ্ধ হওয়ার পর তা ভঙ্গ করে এবং আল্লাহ পাক যা অবিচ্ছিন্ন রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন, তা ছিন্ন করে, আর পৃথিবীর বুকে অশান্তি সৃষ্টি করে। ওরা যথার্থই ক্ষতিগ্রস্ত।
তিনিই সে সত্ত্বা যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদের জন্য যা কিছু জমীনে রয়েছে সে সমস্ত। তারপর তিনি মনোসংযোগ করেছেন আকাশের প্রতি। বস্তুতঃ তিনি তৈরী করেছেন সাত আসমান। আর আল্লাহ সর্ববিষয়ে অবহিত।
আর তোমার পালনকর্তা যখন ফেরেশতাদিগকে বললেনঃ আমি পৃথিবীতে একজন প্রতিনিধি বানাতে যাচ্ছি, তখন ফেরেশতাগণ বলল, তুমি কি পৃথিবীতে এমন কাউকে সৃষ্টি করবে যে দাঙ্গা-হাঙ্গামার সৃষ্টি করবে এবং রক্তপাত ঘটাবে? অথচ আমরা নিয়ত তোমার গুণকীর্তন করছি এবং তোমার পবিত্র সত্তাকে স্মরণ করছি। তিনি বললেন, নিঃসন্দেহে আমি জানি, যা তোমরা জান না।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।