অতঃপর হযরত আদম (আঃ) স্বীয় পালনকর্তার কাছ থেকে কয়েকটি কথা শিখে নিলেন, অতঃপর আল্লাহ পাক তাঁর প্রতি (করুণাভরে) লক্ষ্য করলেন। নিশ্চয়ই তিনি মহা-ক্ষমাশীল ও অসীম দয়ালু।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
फिर आदम ने अपने परवरदिगार से (माज़रत के चन्द अल्फाज़) सीखे पस खुदा ने उन अल्फाज़ की बरकत से आदम की तौबा कुबूल कर ली बेशक वह बड़ा माफ़ करने वाला मेहरबान है
فَتَابَ عَلَيْهِ – অতঃপর আল্লাহ তার তাওবা কবুল করলেন।
التَّوَّابُ – যে বান্দাদের তাওবা বহুবার কবুল করেন।
الرَّحِيمُ – অত্যন্ত দয়ালু।
তাফসীর:
আদম (আঃ) যখন নিজের ভুল বুঝতে পারলেন এবং আল্লাহর আদেশ অমান্য করার কারণে অনুতপ্ত হলেন, তখন আল্লাহ তাকে এমন কিছু বাক্য শিক্ষা দিলেন—যা ছিল তাওবা ও ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যম। সেই বাক্যগুলো হলো: “رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنْفُسَنَا وَإِنْ لَمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ” অর্থাৎ, “হে আমাদের রব! আমরা নিজেদের ওপর অত্যাচার করেছি। যদি আপনি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি দয়া না করেন, তবে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।” (সূরা আল-আ‘রাফ: ২৩)
আদম (আঃ) এই বাক্যগুলো মনোযোগ সহকারে গ্রহণ করলেন, অন্তর থেকে সেগুলো আত্মস্থ করলেন এবং আন্তরিকভাবে তাওবা করলেন। ফলে আল্লাহ তার তাওবা কবুল করলেন এবং তার অপরাধ ক্ষমা করে দিলেন। কেননা আল্লাহই তাওবা কবুলকারী এবং তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু। তিনি চান না তাঁর বান্দারা পাপে নিমজ্জিত থাকুক; বরং তিনি তাদের জন্য ক্ষমার দরজা খোলা রেখেছেন।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
মানুষ ভুল করলেই তার জন্য আশা শেষ নয়; আল্লাহর দরজা সর্বদা খোলা। তাওবার মাধ্যমে সে ফিরে আসতে পারে।
তাওবার জন্য শুধু মুখে বলা যথেষ্ট নয়; অন্তর থেকে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
আল্লাহ নিজেই বান্দাকে তাওবার পথ ও শব্দ শিখিয়ে দেন—এটা তাঁর অপরিসীম দয়া ও মেহেরবানীর প্রমাণ।
আল্লাহর রহমত এত ব্যাপক যে, তিনি বারবার ক্ষমা করেন, যতবারই বান্দা আন্তরিকভাবে ফিরে আসুক।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, নবীগণও মানুষ ছিলেন এবং তাঁদের থেকে ভুল হলে তাঁরা দ্রুত আল্লাহর কাছে ফিরে যেতেন—এটাই উত্তম বান্দার বৈশিষ্ট্য।
অতঃপর হযরত আদম (আঃ) স্বীয় পালনকর্তার কাছ থেকে কয়েকটি কথা শিখে নিলেন, অতঃপর আল্লাহ পাক তাঁর প্রতি (করুণাভরে) লক্ষ্য করলেন। নিশ্চয়ই তিনি মহা-ক্ষমাশীল ও অসীম দয়ালু।
এবং আমি আদমকে হুকুম করলাম যে, তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস করতে থাক এবং ওখানে যা চাও, যেখান থেকে চাও, পরিতৃপ্তিসহ খেতে থাক, কিন্তু এ গাছের নিকটবর্তী হয়ো না। অন্যথায় তোমরা যালিমদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে পড়বে।
অনন্তর শয়তান তাদের উভয়কে ওখান থেকে পদস্খলিত করেছিল। পরে তারা যে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে ছিল তা থেকে তাদেরকে বের করে দিল এবং আমি বললাম, তোমরা নেমে যাও। তোমরা পরস্পর একে অপরের শক্র হবে এবং তোমাদেরকে সেখানে কিছুকাল অবস্থান করতে হবে ও লাভ সংগ্রহ করতে হবে।
অতঃপর হযরত আদম (আঃ) স্বীয় পালনকর্তার কাছ থেকে কয়েকটি কথা শিখে নিলেন, অতঃপর আল্লাহ পাক তাঁর প্রতি (করুণাভরে) লক্ষ্য করলেন। নিশ্চয়ই তিনি মহা-ক্ষমাশীল ও অসীম দয়ালু।
আমি হুকুম করলাম, তোমরা সবাই নীচে নেমে যাও। অতঃপর যদি তোমাদের নিকট আমার পক্ষ থেকে কোন হেদায়েত পৌঁছে, তবে যে ব্যক্তি আমার সে হেদায়েত অনুসারে চলবে, তার উপর না কোন ভয় আসবে, না (কোন কারণে) তারা চিন্তাগ্রস্ত ও সন্তপ্ত হবে।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।