Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
- لَعَلِّي – হয়তো আমি, আশা করি আমি
- فِيمَا تَرَكْتُ – যা আমি ছেড়ে এসেছি (অর্থাৎ যে আমল আমি পরিত্যাগ করেছি বা যে জীবন আমি নষ্ট করেছি)
- كَلَّا – কখনোই না, না (নিষেধ/অস্বীকৃতিসূচক)
- بَرْزَخٌ – অন্তরাল, মৃত্যু ও পুনরুত্থানের মধ্যবর্তী অবস্থা (কবর)
- مِن وَرَائِهِم – তাদের সামনে (অর্থাৎ তাদের সম্মুখে যা অপেক্ষমাণ)
তাফসীর:
মৃত্যুর সময় যখন মানুষের সামনে তার সমস্ত কর্ম প্রকাশ হয়ে যায় এবং সে তার কৃতকর্মের পরিণতি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়, তখন সে আফসোস করে বলে, “হায়! আমাকে যদি আবার পৃথিবীতে ফেরত পাঠানো হতো, তাহলে আমি সৎকর্ম করতাম—যে আমলগুলো আমি আগে ছেড়ে দিয়েছিলাম, সেগুলোই আমি করতাম।” কিন্তু আল্লাহ তা’আলা এই আবেদন কখনোই কবুল করবেন না। এটি একটি অসম্ভব প্রার্থনা, যা কেবল মুখের কথা মাত্র—সে এই কথা বলে, কিন্তু তার অন্তর সত্যবাদী নয়। যদি তাকে পৃথিবীতে ফেরতও পাঠানো হতো, তবুও সে আবার সেই একই পথে ফিরে যেত, কারণ তার অন্তরের অবস্থা পরিবর্তন হয়নি।
আল্লাহ তা’আলা বলেন, “কখনোই না!” এই অনুরোধ কখনো মঞ্জুর হবে না। এটি একটি বাক্য মাত্র যা সে উচ্চারণ করে, কিন্তু তার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। প্রকৃতপক্ষে, মৃত ব্যক্তিদের সামনে এখন একটি বাধা (বারযখ) রয়েছে—কবরের জীবন—যা তাদেরকে পৃথিবীতে ফিরে আসতে সম্পূর্ণরূপে বাধা দেবে। এই অবস্থা চলতে থাকবে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত, যখন তাদেরকে পুনরুত্থিত করা হবে। সেদিন আর কোনো সুযোগ থাকবে না ফিরে গিয়ে আমল করার; সেদিন হবে কেবল হিসাব ও প্রতিদান।
শিক্ষা ও উপদেশ:
- মৃত্যুর আগেই আমাদের উচিত সৎকর্ম করা। মৃত্যুর পর আর কোনো সুযোগ নেই—আজকের এই মুহূর্তটাই আমাদের মূল্যবান সম্পদ। যে ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় তওবা করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসে, আল্লাহ তার তওবা কবুল করেন; কিন্তু মৃত্যু এসে গেলে আর তওবার দরজা খোলা থাকে না।
- এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, অন্তরের বিশ্বাস ও কর্মের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা জরুরি। কেবল মুখে ভালো কথা বললে চলবে না; বাস্তব জীবনে সেই অনুযায়ী আমল করতে হবে।
- ইসলাম আমাদেরকে সময়ের মূল্য দিতে শেখায়। প্রতিটি মুহূর্তকে আমরা যদি আল্লাহর আনুগত্যে কাটাই, তবে মৃত্যুর সময় আমাদের কোনো আফসোস থাকবে না। বরং আমরা খুশি মনে আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুত হব।
- এই আয়াত থেকে আমরা জানতে পারি যে, বারযখ (কবরের জীবন) একটি বাস্তব সত্য। সেখানে ভালো-মন্দের প্রথম ফলাফল দেখা শুরু হয়। তাই আমাদের উচিত কবরকে জান্নাতের বাগান বানানোর চেষ্টা করা—সৎকর্মের মাধ্যমে—যাতে সেখানে আমাদের অবস্থান সুখকর হয়।
📜 আয়াত 98-102 — সূরা আল-মুমিনুন
অনুবাদ — আল-মুমিনুন 100
সূরা আল-মুমিনুন আয়াত 100 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : যাতে আমি সৎকর্ম করতে পারি, যা আমি করিনি। কখনই নয়,…সূরা আয়াত 100/118 — সূরা আল-মুমিনুন المؤمنون (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আল-মুমিনুন শুনুন, সূরা আল-মুমিনুন অনুবাদ, সূরা আল-মুমিনুন mp3, সূরা আল-মুমিনুন pdf. আয়াত 98–102. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আল-মুমিনুন
পবিত্র কুরআন
Tuesday, September 29, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


