Amman khalaqas samaawaati wal arda wa anzala lakum minas samaaa`i maaa`an fa ambatnaa bihee hadaaa`iqa zaata bahjjah; maa kanna lakum an tumbitoo shajarahaa; `a-ilaahum ma`al laah; bal hum qawmuny ya`diloon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
বল তো কে সৃষ্টি করেছেন নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল এবং আকাশ থেকে তোমাদের জন্যে বর্ষণ করেছেন পানি; অতঃপর তা দ্বারা আমি মনোরম বাগান সৃষ্টি করেছি। তার বৃক্ষাদি উৎপন্ন করার শক্তিই তোমাদের নেই। অতএব, আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? বরং তারা সত্যবিচ্যুত সম্প্রদায়।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
भला वह कौन है जिसने आसमान और ज़मीन को पैदा किया और तुम्हारे वास्ते आसमान से पानी बरसाया फिर हम ही ने पानी से दिल चस्प (ख़ुशनुमा) बाग़ उठाए तुम्हारे तो ये बस की बात न थी कि तुम उनके दरख्तों को उगा सकते तो क्या ख़ुदा के साथ कोई और माबूद भी है (हरगिज़ नहीं) बल्कि ये लोग खुद अपने जी से गढ़ के बुतो को उसके बराबर बनाते हैं
বল তো কে সৃষ্টি করেছেন নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল এবং আকাশ থেকে তোমাদের জন্যে বর্ষণ করেছেন পানি; অতঃপর তা দ্বারা আমি মনোরম বাগান সৃষ্টি করেছি। তার বৃক্ষাদি উৎপন্ন করার শক্তিই তোমাদের নেই। অতএব, আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? বরং তারা সত্যবিচ্যুত সম্প্রদায়।
يَعْدِلُونَ (ইয়া'দিলুন): তারা (সত্য থেকে) বিচ্যুত হয়, বা (সৃষ্টিকর্তার সাথে) শরীক করে।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা মুশরিকদেরকে এমন প্রশ্নের সম্মুখীন করেছেন যা তাদের বিবেককে জাগ্রত করে। তিনি বলছেন: যে ব্যক্তি আসমানসমূহ ও জমিন সৃষ্টি করেছেন—যার কোনো নমুনা বা উদাহরণ পূর্বে ছিল না—এবং তোমাদের জন্য আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন, অতঃপর সেই পানি দ্বারা এমন সুন্দর বাগান সৃষ্টি করেছেন যা দেখে মন আনন্দিত হয়, যার গাছপালা উৎপাদন করা তোমাদের পক্ষে একেবারেই সম্ভব ছিল না, কারণ তোমরা তো কেবল বীজ রোপণ করতে পারো, কিন্তু সেই বীজ থেকে গাছ জন্মানো, তাকে বড় করা, ফুল-ফল দেওয়ানো—এসব সম্পূর্ণ আল্লাহরই ক্ষমতা।
তোমরা কি মনে করো যে, এই মহান কাজগুলো করার ক্ষমতা আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্যের আছে? এমন কোনো মা'বুদ কি আছে যাকে আল্লাহর সাথে শরীক করা যায়? অবশ্যই না! বরং এই মুশরিকরা হলো এমন এক সম্প্রদায় যারা সত্য থেকে বিচ্যুত হয়ে সৃষ্টিকর্তার সাথে সৃষ্ট জীবকে সমান করে দেয়। তারা জানে যে, আল্লাহই এসব করেছেন, তবুও তারা অন্যকে তাঁর সাথে শরীক করে—এটাই তাদের চরম অন্যায় ও বিভ্রান্তি।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহর সৃষ্টি জগতের দিকে তাকানো ঈমানকে মজবুত করে। আসমান-জমিন, বৃষ্টি, সবুজ বাগান—এসবই আল্লাহর অস্তিত্ব ও একত্বের প্রমাণ।
মানুষের ক্ষমতা সীমিত; আমরা কেবল উপায় অবলম্বন করতে পারি, কিন্তু প্রকৃত ফলদাতা একমাত্র আল্লাহ। তাই আমাদের উচিত সব কাজে আল্লাহর উপর ভরসা করা।
আল্লাহর নেয়ামত গুনে শেষ করা যায় না। বৃষ্টি দিয়ে তিনি যে সৌন্দর্য সৃষ্টি করেন, তা মানুষের পক্ষে তৈরি করা অসম্ভব—এতে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত।
যারা সত্য জেনেও অন্যকে আল্লাহর সাথে শরীক করে, তারা নিজেদের বিবেকের বিরুদ্ধে যায়। ঈমানের দাবি হলো, একমাত্র আল্লাহকেই উপাস্য হিসেবে মেনে নেওয়া এবং তাঁরই ইবাদত করা।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে চিন্তা-গবেষণা করলে হৃদয় ঈমানের আলোয় আলোকিত হয় এবং মানুষ শিরক থেকে মুক্ত থাকে।
বল তো কে সৃষ্টি করেছেন নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল এবং আকাশ থেকে তোমাদের জন্যে বর্ষণ করেছেন পানি; অতঃপর তা দ্বারা আমি মনোরম বাগান সৃষ্টি করেছি। তার বৃক্ষাদি উৎপন্ন করার শক্তিই তোমাদের নেই। অতএব, আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? বরং তারা সত্যবিচ্যুত সম্প্রদায়।
বল তো কে পৃথিবীকে বাসোপযোগী করেছেন এবং তার মাঝে মাঝে নদ-নদী প্রবাহিত করেছেন এবং তাকে স্থিত রাখার জন্যে পর্বত স্থাপন করেছেন এবং দুই সমুদ্রের মাঝখানে অন্তরায় রেখেছেন। অতএব, আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? বরং তাদের অধিকাংশই জানে না।
বল তো কে নিঃসহায়ের ডাকে সাড়া দেন যখন সে ডাকে এবং কষ্ট দূরীভূত করেন এবং তোমাদেরকে পৃথিবীতে পুর্ববর্তীদের স্থলাভিষিক্ত করেন। সুতরাং আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? তোমরা অতি সামান্যই ধ্যান কর।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।