Fa ammal lazeena kafaroo fa u`az zibuhum `azaaban shadeedan fiddunyaa wal Aakhirati wa maa lahum min naasireen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
অতএব যারা কাফের হয়েছে, তাদেরকে আমি কঠিন শাস্তি দেবো দুনিয়াতে এবং আখেরাতে-তাদের কোন সাহায্যকারী নেই।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
तब (उस दिन) जिन बातों में तुम (दुनिया) में झगड़े करते थे (उनका) तुम्हारे दरमियान फ़ैसला कर दूंगा पस जिन लोगों ने कुफ़्र इख्तेयार किया उनपर दुनिया और आख़िरत (दोनों में) सख्त अज़ाब करूंगा और उनका कोई मददगार न होगा
অতএব যারা কাফের হয়েছে, তাদেরকে আমি কঠিন শাস্তি দেবো দুনিয়াতে এবং আখেরাতে-তাদের কোন সাহায্যকারী নেই।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
كَفَرُوا – কুফরি করেছে, অস্বীকার করেছে।
عَذَابًا شَدِيدًا – কঠিন শাস্তি।
نَّاصِرِينَ – সাহায্যকারী, রক্ষাকারী।
তাফসির:
আয়াতটি ঈসা (আঃ)-এর প্রসঙ্গে এসেছে। যারা ঈসা (আঃ)-কে অস্বীকার করেছে (ইয়াহুদিরা) অথবা তার ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করে তাকে আল্লাহর পুত্র বলেছে (খ্রিষ্টানরা), তারা উভয়েই কুফরি করেছে। আল্লাহ তা‘আলা ঘোষণা করছেন যে, এই কাফিরদের তিনি দুনিয়াতেও কঠিন শাস্তি দেবেন এবং আখিরাতেও দেবেন। দুনিয়ার শাস্তি হলো—হত্যা, বন্দিত্ব, সম্পদ হরণ, লাঞ্ছনা ও অপমান, এবং রাজ্য ও কর্তৃত্ব থেকে বঞ্চিত করা। আর আখিরাতের শাস্তি হলো জাহান্নামের আগুন, যা চিরস্থায়ী। সেদিন তাদের কোনো সাহায্যকারী থাকবে না, যে তাদের ওপর থেকে আল্লাহর আযাব প্রতিরোধ করতে পারবে বা তাদেরকে রক্ষা করতে পারবে। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে কাফিরদের জন্য একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা এবং মুমিনদের জন্য একটি সান্ত্বনা যে, সত্যের বিরোধিতাকারীরা শেষ পর্যন্ত পরাজিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত হবে।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো ঈমান আনা এবং সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকা। যারা সত্যকে অস্বীকার করে বা সত্যের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করে, তারা উভয়েই পথভ্রষ্ট।
দুনিয়ার শাস্তি ক্ষণস্থায়ী হলেও আখিরাতের শাস্তি চিরস্থায়ী। তাই মুমিনের উচিত আখিরাতের শাস্তিকে সবচেয়ে বেশি ভয় করা এবং সেই অনুযায়ী আমল করা।
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, আল্লাহ তার নবী ও সত্যের অনুসারীদের প্রতি সাহায্যকারী, আর সত্যের বিরোধীদের তিনি লাঞ্ছিত করেন। এটি মুমিনদের মনে ধৈর্য ও দৃঢ়তা সৃষ্টি করে।
ঈসা (আঃ) সম্পর্কে ইসলামের মধ্যম পথ—তাকে আল্লাহর রাসূল ও সম্মানিত নবী হিসেবে মানা, কিন্তু তাকে আল্লাহর পুত্র বলা বা আল্লাহর সাথে শরিক করা সম্পূর্ণ ভুল। এই মধ্যম পথই হলো মুক্তির পথ।
আর স্মরণ কর, যখন আল্লাহ বলবেন, হে ঈসা! আমি তোমাকে নিয়ে নেবো এবং তোমাকে নিজের দিকে তুলে নিবো-কাফেরদের থেকে তোমাকে পবিত্র করে দেবো। আর যারা তোমার অনুগত রয়েছে তাদেরকে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত যারা অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে তাদের উপর জয়ী করে রাখবো। বস্তুতঃ তোমাদের সবাইকে আমার কাছেই ফিরে আসতে হবে। তখন যে বিষয়ে তোমরা বিবাদ করতে, আমি তোমাদের মধ্যে তার ফয়সালা করে দেবো।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।