Daraba lakum masalam min anfusikum hal lakum mimmaa malakat aymaanukum min shurakaaa`a fee maa razaqnaakum fa antum feehi sawaaa`un takhaafoonahum kakheefa tikum anfusakum; kazaalika nufassilul Aayaati liqawminy ya`qiloon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আল্লাহ তোমাদের জন্যে তোমাদেরই মধ্য থেকে একটি দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেনঃ তোমাদের আমি যে রুযী দিয়েছি, তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীরা কি তাতে তোমাদের সমান সমান অংশীদার? তোমরা কি তাদেরকে সেরূপ ভয় কর, যেরূপ নিজেদের লোককে ভয় কর? এমনিভাবে আমি সমঝদার সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী বিস্তারিত বর্ণনা করি।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और हमने (तुम्हारे समझाने के वास्ते) तुम्हारी ही एक मिसाल बयान की है हमने जो कुछ तुम्हे अता किया है क्या उसमें तुम्हारी लौन्डी गुलामों में से कोई (भी) तुम्हारा शरीक है कि (वह और) तुम उसमें बराबर हो जाओ (और क्या) तुम उनसे ऐसा ही ख़ौफ रखते हो जितना तुम्हें अपने लोगों का (हक़ हिस्सा न देने में) ख़ौफ होता है फिर बन्दों को खुदा का शरीक क्यों बनाते हो) अक्ल मन्दों के वास्ते हम यूँ अपनी आयतों को तफसीलदार बयान करते हैं
نُفَصِّلُ الْآيَاتِ — আমরা নিদর্শনসমূহ বিশদভাবে বর্ণনা করি।
يَعْقِلُونَ — যারা বিবেকবুদ্ধি প্রয়োগ করে।
তাফসির (ব্যাখ্যা):
আল্লাহ তাআলা মুশরিকদের উদ্দেশ্যে তাদের নিজেদের জীবন থেকে একটি বাস্তব দৃষ্টান্ত পেশ করেছেন। তিনি বলছেন: তোমাদের অধীনস্থ দাস-দাসীদের মধ্যে কি কেউ তোমাদের সম্পদের অংশীদার? তোমাদের কেউ কি সহ্য করতে পারো যে, তোমাদের সম্পদে তোমাদের দাস-দাসী সমান অংশীদার হবে, এবং তোমরা তাদেরকে এমন ভয় করবে যেমন ভয় করো স্বাধীন অংশীদারদের? নিশ্চয়ই তোমরা কখনো এটা মেনে নেবে না। বরং এটা তোমাদের জন্য অত্যন্ত অপমানজনক ও অগ্রহণযোগ্য।
যখন তোমরা নিজেদের জন্য দাস-দাসীকে অংশীদার মানতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃত, তখন তোমরা কীভাবে আল্লাহর জন্য তাঁর সৃষ্টিজীবকে অংশীদার স্থির করছ? আল্লাহ তো সমগ্র সৃষ্টিজগতের মালিক, তাঁর রাজত্বে কেউ অংশীদার নয়। তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। এই দৃষ্টান্তের মাধ্যমে আল্লাহ তাঁর একত্বের প্রমাণ পেশ করেছেন এবং বুদ্ধিমান সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শনসমূহ বিশদভাবে বর্ণনা করেছেন, যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে সত্যকে গ্রহণ করতে পারে।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহর একত্ব (তাওহিদ)是人类 ফিতরাতের (স্বভাবজাত) বিষয়। মানুষ স্বভাবতই নিজের অধীনস্থদের সাথে নিজেকে সমান করতে অপছন্দ করে, তাহলে কীভাবে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সাথে তাঁর সৃষ্টিকে সমান করা যায়?
এই আয়াত প্রমাণ করে যে, শিরক (আল্লাহর সাথে কাউকে অংশীদার করা) একটি অযৌক্তিক ও অস্বাভাবিক বিষয়, যা মানবিক বিবেকবুদ্ধিরও পরিপন্থী।
আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু, তিনি তাদেরকে এমন সুন্দর দৃষ্টান্তের মাধ্যমে সত্য বুঝানোর চেষ্টা করেন, যাতে তারা ভুল পথ পরিত্যাগ করে সঠিক পথে ফিরে আসে।
বুদ্ধিমান ও বিবেকবান মানুষই আল্লাহর নিদর্শনসমূহ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে এবং সত্যকে উপলব্ধি করতে পারে। তাই আমাদের উচিত সর্বদা চিন্তা-ভাবনা করা এবং কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা।
আল্লাহর প্রতি সম্পূর্ণ আনুগত্য ও একনিষ্ঠতা থাকা উচিত, কারণ তিনিই একমাত্র ইবাদতের যোগ্য। তাঁর কোনো অংশীদার নেই, না সৃষ্টিতে, না ইবাদতে, না গুণাবলিতে।
আল্লাহ তোমাদের জন্যে তোমাদেরই মধ্য থেকে একটি দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেনঃ তোমাদের আমি যে রুযী দিয়েছি, তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীরা কি তাতে তোমাদের সমান সমান অংশীদার? তোমরা কি তাদেরকে সেরূপ ভয় কর, যেরূপ নিজেদের লোককে ভয় কর? এমনিভাবে আমি সমঝদার সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী বিস্তারিত বর্ণনা করি।
তিনিই প্রথমবার সৃষ্টিকে অস্তিত্বে আনয়ন করেন, অতঃপর তিনি সৃষ্টি করবেন। এটা তাঁর জন্যে সহজ। আকাশ ও পৃথিবীতে সর্বোচ্চ মর্যাদা তাঁরই এবং তিনিই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
আল্লাহ তোমাদের জন্যে তোমাদেরই মধ্য থেকে একটি দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেনঃ তোমাদের আমি যে রুযী দিয়েছি, তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীরা কি তাতে তোমাদের সমান সমান অংশীদার? তোমরা কি তাদেরকে সেরূপ ভয় কর, যেরূপ নিজেদের লোককে ভয় কর? এমনিভাবে আমি সমঝদার সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী বিস্তারিত বর্ণনা করি।
তুমি একনিষ্ঠ ভাবে নিজেকে ধর্মের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখ। এটাই আল্লাহর প্রকৃতি, যার উপর তিনি মানব সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই। এটাই সরল ধর্ম। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।