Alam tara annal laaha yoolijul laila fin nahaari wa yoolijun nahaara fil laili wa sakhkharash shamsa wal qamara kulluny yajreee ilaaa ajalim musammanw wa annal laaha bimaa ta`malona Khabeer
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করেন এবং দিবসকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করেন? তিনি চন্দ্র ও সূর্যকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকেই নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত পরিভ্রমণ করে। তুমি কি আরও দেখ না যে, তোমরা যা কর, আল্লাহ তার খবর রাখেন?
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
क्या तूने ये भी ख्याल न किया कि ख़ुदा ही रात को (बढ़ा के) दिन में दाख़िल कर देता है (तो रात बढ़ जाती है) और दिन को (बढ़ा के) रात में दाख़िल कर देता है (तो दिन बढ़ जाता है) उसी ने आफताब व माहताब को (गोया) तुम्हारा ताबेए बना दिया है कि एक मुक़र्रर मीयाद तक (यूँ ही) चलता रहेगा और (क्या तूने ये भी ख्याल न किया कि) जो कुछ तुम करते हो ख़ुदा उससे ख़ूब वाकिफकार है
وَسَخَّرَ অর্থ: অনুগত করে দেওয়া, অধীন করে দেওয়া।
أَجَلٍ مُسَمًّى অর্থ: নির্ধারিত সময়সীমা, একটি নির্দিষ্ট সময়ের শেষ প্রান্ত।
خَبِيرٌ অর্থ: সর্বজ্ঞ, সম্পূর্ণ অবগত, যিনি সবকিছুর ভেতরের খবর রাখেন।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
হে মানুষ! তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহই রাতকে দিনের ভেতরে প্রবেশ করান এবং দিনকে রাতের ভেতরে প্রবেশ করান? অর্থাৎ, তিনি দিনের আলোকে বাড়িয়ে দেন আর রাতের অন্ধকারকে কমিয়ে দেন, আবার কখনো রাতকে বাড়িয়ে দেন আর দিনকে ছোট করে দেন। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে দিন-রাতের দৈর্ঘ্যে যে তারতম্য ঘটে, তা সম্পূর্ণরূপে তাঁরই ইচ্ছা ও নিয়ন্ত্রণে।
তিনিই সূর্য ও চন্দ্রকে তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন। এরা প্রত্যেকে নিজ নিজ কক্ষপথে নির্ভুলভাবে চলছে—একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত। এই সুবিশাল মহাজাগতিক ব্যবস্থা কোনো বিশৃঙ্খলা ছাড়া চলছে, যা প্রমাণ করে এর পেছনে একজন মহাপরিকল্পনাকারী আছেন, যিনি সবকিছুকে হিসাবমতো পরিচালনা করছেন।
আরও জেনে রাখো, তোমরা যা কিছু করো—ভালো হোক বা মন্দ, গোপনে হোক বা প্রকাশ্যে—আল্লাহ তা সম্পূর্ণরূপে অবগত আছেন। তাঁর জ্ঞান থেকে কোনো কিছুই লুকানো নেই। তিনি তোমাদের প্রতিটি কাজের হিসাব নেবেন এবং তার প্রতিদান দেবেন।
শিক্ষা ও উপদেশ:
এই আয়াত আমাদের চারপাশের প্রকৃতির দিকে গভীরভাবে চোখ খুলে দেখতে শেখায়। দিন-রাতের এই নিয়মিত পরিবর্তন, সূর্য-চাঁদের এই সুশৃঙ্খল গতি—সবকিছুই আল্লাহর অস্তিত্ব, ক্ষমতা ও জ্ঞানের জীবন্ত প্রমাণ।
এই মহাবিশ্বের প্রতিটি কিছুই আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলছে। তাই আমাদের উচিত আল্লাহর আদেশের সামনে নিজেদেরকে সম্পূর্ণরূপে বিনয়ী ও অনুগত করা।
আল্লাহ আমাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু—তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে আমাদের উপকারের জন্য নিয়োজিত করেছেন। এতে আমরা জীবিকার ব্যবস্থা করি, সময় গণনা করি এবং জীবন পরিচালনা করি। তাই আমাদের উচিত তাঁর এই নেয়ামতের জন্য কৃতজ্ঞ হওয়া।
আল্লাহ আমাদের সকল কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত। এই জ্ঞান আমাদের মনে আত্মসংযম আনে—আমরা যখন জানি যে, আমাদের প্রতিটি কাজ আল্লাহ দেখছেন, তখন আমরা ভালো কাজ করতে উৎসাহিত হই এবং খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকি।
এই আয়াত আমাদেরকে পরকালের প্রতি ঈমান আনার গুরুত্ব শেখায়। যেহেতু আল্লাহ সবকিছু জানেন এবং তিনি ন্যায়পরায়ণ, তাই অবশ্যই একদিন তিনি আমাদের সকলের কাজের হিসাব নেবেন এবং প্রত্যেককে তার প্রাপ্য দেবেন।
তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করেন এবং দিবসকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করেন? তিনি চন্দ্র ও সূর্যকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকেই নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত পরিভ্রমণ করে। তুমি কি আরও দেখ না যে, তোমরা যা কর, আল্লাহ তার খবর রাখেন?
পৃথিবীতে যত বৃক্ষ আছে, সবই যদি কলম হয় এবং সমুদ্রের সাথেও সাত সমুদ্র যুক্ত হয়ে কালি হয়, তবুও তাঁর বাক্যাবলী লিখে শেষ করা যাবে না। নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করেন এবং দিবসকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করেন? তিনি চন্দ্র ও সূর্যকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকেই নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত পরিভ্রমণ করে। তুমি কি আরও দেখ না যে, তোমরা যা কর, আল্লাহ তার খবর রাখেন?
তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহর অনুগ্রহে জাহাজ সমুদ্রে চলাচল করে, যাতে তিনি তোমাদেরকে তাঁর নিদর্শনাবলী প্রদর্শন করেন? নিশ্চয় এতে প্রত্যেক সহনশীল, কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্যে নিদর্শন রয়েছে।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।