Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
- نُعَمِّرْهُ — যাকে আমরা দীর্ঘ জীবন দান করি।
- نُنَكِّسْهُ — তাকে উল্টো করে দেই অর্থাৎ শক্তির পর দুর্বলতায় ফিরিয়ে দেই।
- فِي الْخَلْقِ — সৃষ্টির গঠনে অর্থাৎ দৈহিক ও মানসিক অবস্থায়।
- أَفَلَا يَعْقِلُونَ — তবে কি তারা বুঝে না?
তাফসীর:
আল্লাহ তাআলা এ আয়াতে মানুষের জীবনের একটি স্বাভাবিক ও সর্বজনীন সত্য তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, যাকে আমরা দীর্ঘায়ু দান করি এবং সে বৃদ্ধ বয়সে পৌঁছে যায়, তাকে আমরা সৃষ্টির প্রথম অবস্থার দিকে ফিরিয়ে নিই। অর্থাৎ শৈশবে যেমন মানুষ দুর্বল থাকে, জ্ঞান-বুদ্ধি কম থাকে, শরীরও থাকে দুর্বল, তেমনি বার্ধক্যে এসে মানুষ আবার সেই দুর্বলতা, জ্ঞানহীনতা ও অক্ষমতার দিকে ফিরে যায়। চুল পেকে যায়, দৃষ্টি ও শ্রবণশক্তি দুর্বল হয়, শরীর কুঁজো হয়ে যায়, স্মৃতিশক্তি লোপ পায়—এভাবে মানুষ আবার শিশুর মতো অসহায় হয়ে পড়ে।
এটি আল্লাহর কুদরতের এক মহান নিদর্শন। যে আল্লাহ মানুষকে শক্তি ও যৌবন দান করেন এবং তারপর তাকে দুর্বলতায় ফিরিয়ে নেন, তিনি কি সেই মানুষকে আবার নতুন করে সৃষ্টি করে পুনরুত্থিত করতে সক্ষম নন? নিশ্চয়ই তিনি সক্ষম। কিন্তু মানুষ কি তা নিয়ে চিন্তা করে না? যদি তারা গভীরভাবে চিন্তা করত, তবে তারা বুঝতে পারত যে এই দুনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী ও পরিবর্তনশীল, আর প্রকৃত স্থায়ী জীবন তো আখিরাতের জীবন। সেখানে প্রত্যেককে তার কর্ম অনুযায়ী প্রতিফল দেওয়া হবে। সুতরাং মানুষের উচিত এই দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবনে নিজের চিরস্থায়ী জীবনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া।
শিক্ষা ও উপদেশ:
- বার্ধক্য ও দুর্বলতা আল্লাহরই সৃষ্টি এবং এটি তাঁর কুদরতের নিদর্শন। এতে মানুষের জন্য রয়েছে গভীর চিন্তার বিষয়।
- এই দুনিয়ার জীবন সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য নয়; এখানে শক্তি-দুর্বলতা, যৌবন-বার্ধক্য সবই পরিবর্তনশীল। তাই এ দুনিয়াকে চিরস্থায়ী আবাস মনে করা উচিত নয়।
- যে আল্লাহ মানুষকে যৌবন থেকে বার্ধক্যে ফিরিয়ে নিতে পারেন, তিনি অবশ্যই মৃত্যুর পর মানুষকে পুনরুত্থিত করতে সক্ষম। তাই আখিরাতে বিশ্বাস করা ও তার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া অপরিহার্য।
- বার্ধক্যে উপনীত মানুষদের প্রতি সদয় ও সহানুভূতিশীল হওয়া উচিত, কারণ তারাও একদিন শক্তিশালী ছিল এবং আমরাও একদিন দুর্বল হয়ে যাব।
- যৌবন ও শক্তির সময়টুকু আল্লাহর আনুগত্য ও সৎকর্মে কাজে লাগানো উচিত, যাতে বার্ধক্যে বা মৃত্যুর পর আফসোস করতে না হয়।
📜 আয়াত 66-70 — সূরা ইয়াসীন
অনুবাদ — ইয়াসীন 68
সূরা ইয়াসীন আয়াত 68 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : আমি যাকে দীর্ঘ জীবন দান করি, তাকে সৃষ্টিগত পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে…সূরা আয়াত 68/83 — সূরা ইয়াসীন يس (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা ইয়াসীন শুনুন, সূরা ইয়াসীন অনুবাদ, সূরা ইয়াসীন mp3, সূরা ইয়াসীন pdf. আয়াত 66–70. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


