Wa mai yuhaajir fee sabeelil laahi yajid fil ardi mmuraaghaman kaseeranw wa sa`ah; wa mai yakhruj mim baitihee muhaajiran ilal laahi wa Rasoolihee summa yudrikhul mawtu faqad waqa`a ajruhoo `alal laah; wa kaanal laahu Ghafoorar Raheemaa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যে কেউ আল্লাহর পথে দেশত্যাগ করে, সে এর বিনিময়ে অনেক স্থান ও সচ্ছলতা প্রাপ্ত হবে। যে কেউ নিজ গৃহ থেকে বের হয় আল্লাহ ও রসূলের প্রতি হিজরত করার উদ্দেশে, অতঃপর মৃত্যুমুখে পতিত হয়, তবে তার সওয়াব আল্লাহর কাছে অবধারিত হয়ে যায়। আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और जो शख्स ख़ुदा की राह में हिजरत करेगा तो वह रूए ज़मीन में बा फ़राग़त (चैन से रहने सहने के) बहुत से कुशादा मक़ाम पाएगा और जो शख्स अपने घर से जिलावतन होके ख़ुदा और उसके रसूल की तरफ़ निकल ख़ड़ा हुआ फिर उसे (मंज़िले मक़सूद) तक पहुंचने से पहले मौत आ जाए तो ख़ुदा पर उसका सवाब लाज़िम हो गया और ख़ुदा तो बड़ा बख्श ने वाला मेहरबान है ही
যে কেউ আল্লাহর পথে দেশত্যাগ করে, সে এর বিনিময়ে অনেক স্থান ও সচ্ছলতা প্রাপ্ত হবে। যে কেউ নিজ গৃহ থেকে বের হয় আল্লাহ ও রসূলের প্রতি হিজরত করার উদ্দেশে, অতঃপর মৃত্যুমুখে পতিত হয়, তবে তার সওয়াব আল্লাহর কাছে অবধারিত হয়ে যায়। আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
مُرَاغَمًا — এমন স্থান বা আশ্রয় যেখানে শত্রুদের অপমান ও লাঞ্ছনার বদলা নেওয়া যায়; অর্থাৎ নিরাপদ আশ্রয়স্থল।
سَعَةً — প্রশস্ততা, জীবিকার প্রাচুর্য ও স্বাচ্ছন্দ্য।
وَقَعَ أَجْرُهُ عَلَى اللهِ — তার প্রতিদান আল্লাহর উপর অবধারিত হয়ে গেছে, অর্থাৎ আল্লাহ তা’আলা তা পূরণ করার দায়িত্ব নিজের উপর নিয়েছেন।
তাফসীর:
যে ব্যক্তি নিজের দ্বীন রক্ষার জন্য, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে কুফরী ও শিরকের দেশ ত্যাগ করে ইসলামের দেশে হিজরত করে, সে পৃথিবীতে অনেক নিরাপদ আশ্রয়স্থল ও জীবিকার প্রশস্ততা পাবে। আল্লাহ তা’আলা তাকে এমন জায়গা দান করবেন যেখানে সে ইজ্জতের সাথে জীবনযাপন করতে পারবে এবং শত্রুদের বিরুদ্ধে শক্তি সঞ্চয় করতে পারবে। হিজরতের মাধ্যমে সে দুনিয়ার সংকীর্ণতা থেকে বেরিয়ে এসে প্রশস্ততা লাভ করবে।
অতঃপর আল্লাহ তা’আলা বলেন: আর যে ব্যক্তি নিজ ঘর থেকে বের হয় আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে হিজরত করার উদ্দেশ্যে, কিন্তু পথেই তার মৃত্যু এসে যায় এবং সে তার গন্তব্যে পৌঁছতে পারে না, তার প্রতিদান কিন্তু আল্লাহর কাছে অবধারিত হয়ে গেছে। অর্থাৎ সে তার হিজরতের পূর্ণ সওয়াব পাবে, যদিও সে গন্তব্যে পৌঁছতে পারেনি। কারণ আল্লাহ তা’আলা তার নিয়ত ও সংকল্পের ভিত্তিতে প্রতিদান দেন। আর আল্লাহ তা’আলা অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়ালু — তিনি তাঁর বান্দাদের ছোটখাটো ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করেন এবং তাদের প্রতি অশেষ দয়া প্রদর্শন করেন।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহর পথে ত্যাগ ও কুরবানী কখনো বৃথা যায় না। দুনিয়ায় আল্লাহ বিকল্প ব্যবস্থা করে দেন এবং আখিরাতে দেবেন অনন্ত প্রতিদান।
নিয়তের বিশুদ্ধতাই আসল। যে ব্যক্তি ভালো কাজের সংকল্প করে এবং তা সম্পন্ন করার আগেই মৃত্যুবরণ করে, সে সম্পন্নকারীর সমান সওয়াব পাবে।
দ্বীনের জন্য নিজের ঘর-বাড়ি, দেশ-জাত ত্যাগ করা বড়ই সম্মানজনক কাজ। ইসলামের ইতিহাসে হিজরতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ শক্তি ও সম্মান লাভ করেছে।
আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা অপরিসীম। তিনি বান্দার ছোটখাটো ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে দেন এবং তার ভালো কাজগুলো কবুল করেন।
মুমিনের জীবনে নিরাশার কোনো স্থান নেই। আল্লাহর পথে বের হলে তিনি পথের ব্যবস্থা নিজেই করে দেন — জীবিকার প্রশস্ততা, নিরাপত্তা ও সম্মান সবই তিনি দান করেন।
যে কেউ আল্লাহর পথে দেশত্যাগ করে, সে এর বিনিময়ে অনেক স্থান ও সচ্ছলতা প্রাপ্ত হবে। যে কেউ নিজ গৃহ থেকে বের হয় আল্লাহ ও রসূলের প্রতি হিজরত করার উদ্দেশে, অতঃপর মৃত্যুমুখে পতিত হয়, তবে তার সওয়াব আল্লাহর কাছে অবধারিত হয়ে যায়। আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।
যখন তোমরা কোন দেশ সফর কর, তখন নামাযে কিছুটা হ্রাস করলে তোমাদের কোন গোনাহ নেই, যদি তোমরা আশঙ্কা কর যে, কাফেররা তোমাদেরকে উত্ত্যক্ত করবে। নিশ্চয় কাফেররা তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।
যখন আপনি তাদের মধ্যে থাকেন, অতঃপর নামাযে দাঁড়ান, তখন যেন একদল দাঁড়ায় আপনার সাথে এবং তারা যেন স্বীয় অস্ত্র সাথে নেয়। অতঃপর যখন তারা সেজদা সম্পন্ন করে, তখন আপনার কাছ থেকে যেন সরে যায় এবং অন্য দল যেন আসে, যারা নামায পড়েনি। অতঃপর তারা যেন আপনার সাথে নামায পড়ে এবং আত্মরক্ষার হাতিয়ার সাথে নেয়। কাফেররা চায় যে, তোমরা কোন রূপে অসতর্ক থাক, যাতে তারা একযোগে তোমাদেরকে আক্রমণ করে বসে। যদি বৃষ্টির কারণে তোমাদের কষ্ট হয় অথবা তোমরা অসুস্থ হও তবে স্বীয় অস্ত্র পরিত্যাগ করায় তোমাদের কোন গোনাহ নেই এবং সাথে নিয়ে নাও তোমাদের আত্নরক্ষার অস্ত্র। নিশ্চয় আল্লাহ কাফেরদের জন্যে অপমানকর শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।