yaaa aiyuha lazeena ootu Kitaaba aaminoo bimaa nazzalnaa musadiqallimaa ma`akum min qabli an natmisa wujoohan fanaruddahaa `alaaa adbaarihaaa aw nal`anahum kamaa la`annaaa Ashaabas Sabt; wa kaana amrul laahi maf`oolaa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
হে আসমানী গ্রন্থের অধিকারীবৃন্দ! যা কিছু আমি অবতীর্ণ করেছি তার উপর বিশ্বাস স্থাপন কর, যা সে গ্রন্থের সত্যায়ন করে এবং যা তোমাদের নিকট রয়েছে পূর্ব থেকে। (বিশ্বাস স্থাপন কর) এমন হওয়ার আগেই যে, আমি মুছে দেব অনেক চেহারাকে এবং অতঃপর সেগুলোকে ঘুরিয়ে দেব পশ্চাৎ দিকে কিংবা অভিসম্পাত করব তাদের প্রতি যেমন করে অভিসম্পাত করেছি আছহাবে-সাবতের উপর। আর আল্লাহর নির্দেশ অবশ্যই কার্যকর হবে।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
पस उनमें से चन्द लोगों के सिवा और लोग ईमान ही न लाएंगे ऐ अहले किताब जो (किताब) हमने नाज़िल की है और उस (किताब) की भी तस्दीक़ करती है जो तुम्हारे पास है उस पर ईमान लाओ मगर क़ब्ल इसके कि हम कुछ लोगों के चेहरे बिगाड़कर उनके पुश्त की तरफ़ फेर दें या जिस तरह हमने असहाबे सबत (हफ्ते वालों) पर फिटकार बरसायी वैसी ही फिटकार उनपर भी करें
হে আসমানী গ্রন্থের অধিকারীবৃন্দ! যা কিছু আমি অবতীর্ণ করেছি তার উপর বিশ্বাস স্থাপন কর, যা সে গ্রন্থের সত্যায়ন করে এবং যা তোমাদের নিকট রয়েছে পূর্ব থেকে। (বিশ্বাস স্থাপন কর) এমন হওয়ার আগেই যে, আমি মুছে দেব অনেক চেহারাকে এবং অতঃপর সেগুলোকে ঘুরিয়ে দেব পশ্চাৎ দিকে কিংবা অভিসম্পাত করব তাদের প্রতি যেমন করে অভিসম্পাত করেছি আছহাবে-সাবতের উপর। আর আল্লাহর নির্দেশ অবশ্যই কার্যকর হবে।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
طَمْس — মুছে ফেলা, নিশ্চিহ্ন করা, আকৃতি বিকৃত করা।
نَرُدَّهَا عَلَىٰ أَدْبَارِهَا — তাদের চেহারাগুলোকে পেছনের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া, অর্থাৎ মুখকে ঘাড়ের পেছনের দিকে করে দেওয়া।
نَلْعَنَهُمْ — তাদেরকে অভিশাপ দেওয়া, রহমত থেকে বিতাড়িত করা।
أَصْحَابَ السَّبْتِ — শনিবারের (সাব্বাত) অনুসারীরা, অর্থাৎ সেই ইহুদিরা যারা শনিবারে মাছ শিকার করে আল্লাহর আদেশ লঙ্ঘন করেছিল।
তাফসীর:
হে আহলে কিতাব! (ইহুদি ও খ্রিস্টানরা!) তোমরা সেই কিতাবের প্রতি ঈমান আনো যা আমরা আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর নাজিল করেছি—অর্থাৎ আল-কুরআন। এই কিতাব তোমাদের কাছে থাকা তাওরাত ও ইঞ্জিলকে সত্যায়ন করে, কারণ এটি তাদেরই মূল শিক্ষা ও ভবিষ্যদ্বাণীর পূর্ণতা ও চূড়ান্ত রূপ। সুতরাং তোমাদের উচিত তা মেনে নেওয়া এবং অনুসরণ করা।
তবে সাবধান! এই ঈমান আনার জন্য তোমাদের সময় খুবই কম। কারণ এর আগেই আল্লাহর শাস্তি নেমে আসতে পারে। যদি তোমরা ঈমান না আনো, তাহলে আল্লাহ তোমাদের চেহারাগুলোকে এমনভাবে মুছে দেবেন বা বিকৃত করে দেবেন যে সেগুলো ঘাড়ের পেছনের দিকে ঘুরে যাবে—চোখ, নাক, কান সবকিছু পেছনে চলে যাবে, ফলে তোমাদের চেনাই যাবে না। অথবা তিনি তোমাদেরকে অভিশাপ দেবেন এবং রহমত থেকে বিতাড়িত করবেন, যেমনটি তিনি শনিবারের লঙ্ঘনকারী ইহুদিদের করেছিলেন—তাদেরকে বানর ও শূকরে রূপান্তরিত করে দিয়েছিলেন।
আল্লাহর এই সতর্কবাণী কোনো খালি হুমকি নয়। আল্লাহর আদেশ ও ফয়সালা অবশ্যই বাস্তবায়িত হবে, তা ঠেকানোর ক্ষমতা কারও নেই। সুতরাং তোমরা নিজেদেরকে এই ভয়াবহ পরিণতি থেকে বাঁচাতে এখনই ঈমান আনো এবং কুরআনকে মেনে নাও।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহর পক্ষ থেকে সতর্কবাণী কখনো মিথ্যা হয় না। তিনি যা বলেছেন, তা অবশ্যই ঘটবে। তাই প্রতিটি মুমিনের উচিত আল্লাহর আদেশ-নিষেধকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়া।
কুরআন পূর্ববর্তী সকল আসমানি কিতাবের সত্যায়নকারী ও চূড়ান্ত সংস্করণ। এটি কোনো নতুন ধর্ম নয়, বরং আদম (আ.) থেকে শুরু হওয়া একই সত্য দ্বীনের পূর্ণাঙ্গ রূপ। তাই সকল মানুষের উচিত কুরআনকে মেনে নেওয়া।
আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো ঈমান আনা এবং সৎকর্ম করা। কোনো সম্প্রদায়, বংশ বা মর্যাদা আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারে না।
আল্লাহর রহমত থেকে বিতাড়িত হওয়া সবচেয়ে বড় ক্ষতি। দুনিয়ার কোনো সম্পদ বা ক্ষমতা সেই ক্ষতি পূরণ করতে পারে না। তাই আমাদের সর্বদা আল্লাহর রহমত কামনা করা উচিত এবং সেই পথ থেকে দূরে থাকা উচিত যা তাঁর অভিশাপের কারণ হয়।
এই আয়াত প্রমাণ করে যে, সত্য দ্বীন গ্রহণে বিলম্ব করা অত্যন্ত বিপজ্জনক। কারণ মৃত্যু বা শাস্তি যেকোনো মুহূর্তে এসে যেতে পারে। তাই আজই, এখনই সত্যকে মেনে নেওয়া এবং তার উপর আমল করা প্রতিটি মানুষের কর্তব্য।
কোন কোন ইহুদী তার লক্ষ্য থেকে কথার মোড় ঘুড়িয়ে নেয় এবং বলে, আমরা শুনেছি কিন্তু অমান্য করছি। তারা আরো বলে, শোন, না শোনার মত। মুখ বাঁকিয়ে দ্বীনের প্রতি তাচ্ছিল্য প্রদর্শনের উদ্দেশে বলে, রায়েনা’ (আমাদের রাখাল)। অথচ যদি তারা বলত যে, আমরা শুনেছি ও মান্য করেছি এবং (যদি বলত, ) শোন এবং আমাদের প্রতি লক্ষ্য রাখ, তবে তাই ছিল তাদের জন্য উত্তম আর সেটাই ছিল যথার্থ ও সঠিক। কিন্তু আল্লাহ তাদের প্রতি অভিসম্পাত করেছেন তাদের কুফরীর দরুন। অতএব, তারা ঈমান আনছে না, কিন্তু অতি অল্পসংখ্যক।
হে আসমানী গ্রন্থের অধিকারীবৃন্দ! যা কিছু আমি অবতীর্ণ করেছি তার উপর বিশ্বাস স্থাপন কর, যা সে গ্রন্থের সত্যায়ন করে এবং যা তোমাদের নিকট রয়েছে পূর্ব থেকে। (বিশ্বাস স্থাপন কর) এমন হওয়ার আগেই যে, আমি মুছে দেব অনেক চেহারাকে এবং অতঃপর সেগুলোকে ঘুরিয়ে দেব পশ্চাৎ দিকে কিংবা অভিসম্পাত করব তাদের প্রতি যেমন করে অভিসম্পাত করেছি আছহাবে-সাবতের উপর। আর আল্লাহর নির্দেশ অবশ্যই কার্যকর হবে।
নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক তাঁর সাথে শরীক করে। তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন। আর যে লোক অংশীদার সাব্যস্ত করল আল্লাহর সাথে, সে যেন অপবাদ আরোপ করল।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।