Man kaana yureedu harsal Aakhirati nazid lahoo fee harsihee wa man kaana yureedu harsad dunyaa nu`tihee mnhaa wa maa lahoo fil Aakhirati min naseeb
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যে কেউ পরকালের ফসল কামনা করে, আমি তার জন্যে সেই ফসল বাড়িয়ে দেই। আর যে ইহকালের ফসল কামনা করে, আমি তাকে তার কিছু দিয়ে দেই এবং পরকালে তার কোন অংশ থাকবে না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
जो शख़्श आखेरत की खेती का तालिब हो हम उसके लिए उसकी खेती में अफ़ज़ाइश करेंगे और दुनिया की खेती का ख़ास्तगार हो तो हम उसको उसी में से देंगे मगर आखेरत में फिर उसका कुछ हिस्सा न होगा
حَرْثَ (শস্যক্ষেত্র/ফসল): এখানে কর্ম ও তার প্রতিফল অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ যে বীজ বপন করা হয়, তার ফসল কাটা যায়। আখিরাতের কর্ম অর্থাৎ পরকালের জন্য কৃত আমল, আর দুনিয়ার কর্ম অর্থাৎ দুনিয়ার জন্য কৃত আমল।
نَزِدْ لَهُ (আমরা তার জন্য বৃদ্ধি করব): অর্থাৎ তার সওয়াব বহুগুণ বাড়িয়ে দেব।
نُؤْتِهِ مِنْهَا (আমরা তাকে তা থেকে দেব): অর্থাৎ দুনিয়া থেকে তার নির্ধারিত অংশ দেব।
তাফসীর:
যে ব্যক্তি তার আমল ও কর্ম দ্বারা আখিরাতের প্রতিদান কামনা করে—অর্থাৎ আল্লাহর হক আদায় করে, সৎকর্ম করে এবং দ্বীনের দাওয়াতের জন্য খরচ করে—আল্লাহ তাকে তার কর্মে বরকত ও বৃদ্ধি দান করেন। তার একটি ভালো কাজের সওয়াব দশ গুণ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত এবং আল্লাহ যতটুকু চান ততটুকু বৃদ্ধি করা হয়। তার আমলের ফল আখিরাতে বহুগুণে পাবে।
অপরদিকে, যে ব্যক্তি শুধুমাত্র দুনিয়ার স্বার্থ ও দুনিয়ার প্রতিদান চায়—অর্থাৎ তার কর্মের উদ্দেশ্য শুধু দুনিয়ার ধন-সম্পদ, মান-মর্যাদা বা পার্থিব সুখ—আল্লাহ তাকে দুনিয়া থেকে তার নির্ধারিত অংশটুকুই দেন, তাতে কোনো বৃদ্ধি বা বরকত দেন না। আর আখিরাতে তার কোনো অংশ বা প্রতিদান থাকবে না, কারণ সে আখিরাতের জন্য কোনো আমলই করেনি। তার কর্ম দুনিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে যায় এবং পরকালে তার জন্য কোনো কল্যাণ থাকে না।
শিক্ষা ও উপদেশ:
নিয়তের বিশুদ্ধতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমল করে, আল্লাহ তার আমলে বরকত দেন এবং তার প্রতিদান বহুগুণে বৃদ্ধি করেন।
দুনিয়ার স্বার্থকে প্রাধান্য দিলে মানুষ আখিরাত থেকে বঞ্চিত হয়। দুনিয়ার সামান্য স্বার্থই তার প্রাপ্য হয়ে যায়, আর পরকালে তার জন্য কিছুই থাকে না।
একজন মুমিনের উচিত দুনিয়ার কাজও আখিরাতের নিয়তে করা—যেমন পরিবার প্রতিপালন, হালাল রিজিক অর্জন—তাহলে তার দুনিয়ার কাজও আখিরাতের সওয়াবে পরিণত হবে।
আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু ও উদার; তিনি তাঁর বান্দার সামান্য আমলকেও বিশাল পুরস্কারে পরিণত করেন, কিন্তু যারা শুধু দুনিয়া চায়, তাদের জন্য আখিরাতে কোনো আশা নেই। তাই আমাদের উচিত আখিরাতকে প্রাধান্য দেওয়া এবং দুনিয়াকে আখিরাতের পথে সহায়ক বানানো।
যে কেউ পরকালের ফসল কামনা করে, আমি তার জন্যে সেই ফসল বাড়িয়ে দেই। আর যে ইহকালের ফসল কামনা করে, আমি তাকে তার কিছু দিয়ে দেই এবং পরকালে তার কোন অংশ থাকবে না।
যারা তাতে বিশ্বাস করে না তারা তাকে তড়িৎ কামনা করে। আর যারা বিশ্বাস করে, তারা তাকে ভয় করে এবং জানে যে, তা সত্য। জেনে রাখ, যারা কেয়ামত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা দূরবর্তী পথ ভ্রষ্টতায় লিপ্ত রয়েছে।
যে কেউ পরকালের ফসল কামনা করে, আমি তার জন্যে সেই ফসল বাড়িয়ে দেই। আর যে ইহকালের ফসল কামনা করে, আমি তাকে তার কিছু দিয়ে দেই এবং পরকালে তার কোন অংশ থাকবে না।
তাদের কি এমন শরীক দেবতা আছে, যারা তাদের জন্যে সে ধর্ম সিদ্ধ করেছে, যার অনুমতি আল্লাহ দেননি ? যদি চুড়ান্ত সিন্ধান্ত না থাকত, তবে তাদের ব্যাপারে ফয়সালা হয়ে যেত। নিশ্চয় যালেমদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
আপনি কাফেরদেরকে তাদের কৃতকর্মের জন্যে ভীতসন্ত্রস্ত দেখবেন। তাদের কর্মের শাস্তি অবশ্যই তাদের উপর পতিত হবে। আর যারা মুমিন ও সৎকর্মী, তারা জান্নাতের উদ্যানে থাকবে। তারা যা চাইবে, তাই তাদের জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে। এটাই বড় পুরস্কার।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।