Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
- شُرَكَاءُ — অংশীদার, শরিক (এখানে মিথ্যা উপাস্য বা শয়তানদের বোঝানো হয়েছে)।
- شَرَعُوا — বিধান প্রবর্তন করেছে, আইন প্রণয়ন করেছে।
- مِنَ الدِّينِ — দীন বা ধর্মের মধ্যে থেকে।
- كَلِمَةُ الْفَصْلِ — চূড়ান্ত ফয়সালার সিদ্ধান্ত, অর্থাৎ কিয়ামত পর্যন্ত অবকাশ দেওয়ার পূর্বঘোষিত ফরমান।
- لَقُضِيَ بَيْنَهُمْ — তাদের মধ্যে ফয়সালা হয়ে যেত (শাস্তি দ্রুত নেমে আসত)।
তাফসীর:
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা মুশরিকদের সেই ভ্রান্ত পথের নিন্দা করেছেন, যেখানে তারা নিজেদের মনগড়া কিছু বিধান দীন বলে চালিয়ে দেয়। প্রশ্ন হিসেবে বলা হচ্ছে— তাদের কি এমন কোনো শরিক বা অংশীদার আছে, যারা তাদের জন্য এমন ধর্মীয় বিধান প্রবর্তন করেছে যা আল্লাহ অনুমোদন করেননি? অর্থাৎ তারা শিরক, হারামকে হালাল করা, হালালকে হারাম করা—এসব কিছুই নিজেদের পক্ষ থেকে দীন বানিয়ে নিয়েছে, অথচ আল্লাহ তাআলা এসবের কোনো অনুমতি দেননি। শয়তানরা তাদের এই মিথ্যা বিধানগুলো সুশোভিত করে দেখিয়েছে এবং তারা সেগুলোকে আল্লাহর বিধান বলে মানতে শুরু করেছে।
আল্লাহ তাআলা আরও বলছেন— যদি না পূর্ব থেকে নির্ধারিত চূড়ান্ত ফয়সালার সময় (কিয়ামত) নির্ধারিত থাকত, তবে দুনিয়াতেই তাদের ও মুমিনদের মধ্যে ফয়সালা হয়ে যেত এবং তাদের শাস্তি দ্রুত নেমে আসত। কিন্তু আল্লাহর প্রজ্ঞা অনুযায়ী তাদের অবকাশ দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা তাওবা করার সুযোগ পায়। তবে এই অবকাশ তাদেরকে নিরাপদ মনে করার কারণ নয়— যারা নিজেদের উপর জুলুম করেছে (শিরক ও গুনাহের মাধ্যমে), তাদের জন্য আখিরাতে অবশ্যই যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি অপেক্ষমান।
শিক্ষা ও উপদেশ:
- দীন বা ধর্মের বিধান একমাত্র আল্লাহর কাছ থেকেই গ্রহণ করতে হবে। কারও মনগড়া মতামত, সমাজের প্রচলিত রীতি বা পূর্বপুরুষের পথ—এসব দীন হতে পারে না, যদি তা আল্লাহর অনুমোদন না থাকে।
- ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা; এতে নতুন কিছু সংযোজন বা বাদ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যে ব্যক্তি নিজের পক্ষ থেকে ধর্মে নতুন বিধান চালু করে, সে মূলত আল্লাহর সাথে অংশীদারিত্বের অপরাধ করছে।
- আল্লাহর অবকাশকে তার শাস্তির অভাব মনে করা উচিত নয়। দুনিয়ায় শাস্তি না এলেও আখিরাতের শাস্তি নিশ্চিত এবং অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক হবে।
- এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট; মুমিনদের কর্তব্য হলো কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে নিজেদের জীবন গঠন করা এবং মনগড়া কোনো মতবাদ থেকে দূরে থাকা।
- আল্লাহর রহমত ও দয়ায় তিনি মানুষকে তাওবার সুযোগ দিয়েছেন, তাই প্রতিটি মানুষকে উচিত নিজের ভুল বুঝতে পেরে দ্রুত আল্লাহর দিকে ফিরে আসা এবং তাঁর অনুমোদিত পথেই চলা।
📜 আয়াত 19-23 — সূরা আশ-শুরা
অনুবাদ — আশ-শুরা 21
সূরা আশ-শুরা আয়াত 21 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : তাদের কি এমন শরীক দেবতা আছে, যারা তাদের জন্যে সে…সূরা আয়াত 21/53 — সূরা আশ-শুরা الشورى (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আশ-শুরা শুনুন, সূরা আশ-শুরা অনুবাদ, সূরা আশ-শুরা mp3, সূরা আশ-শুরা pdf. আয়াত 19–23. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আশ-শুরা
পবিত্র কুরআন
Friday, October 2, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


