Wa katabnaa `alaihim feehaaa annan nafsa binnafsi wal`aina bil`aini wal anfa bilanfi wal uzuna bil uzuni wassinna bissinni waljurooha qisaas; faman tasaddaqa bihee fahuwa kaffaaratul lah; wa mal lam yahkum bimaaa anzalal laahu fa ulaaa`ika humuz zalimoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আমি এ গ্রন্থে তাদের প্রতি লিখে দিয়েছি যে, প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ, চক্ষুর বিনিময়ে চক্ষু, নাকের বিনিময়ে নাক, কানের বিনিময়ে কান, দাঁতের বিনিময়ে দাঁত এবং যখম সমূহের বিনিময়ে সমান যখম। অতঃপর যে ক্ষমা করে, সে গোনাহ থেকে পাক হয়ে যায়। যেসব লোক আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না তারাই জালেম।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और हम ने तौरेत में यहूदियों पर यह हुक्म फर्ज क़र दिया था कि जान के बदले जान और ऑख के बदले ऑख और नाक के बदले नाक और कान के बदले कान और दॉत के बदले दॉत और जख्म के बदले (वैसा ही) बराबर का बदला (जख्म) है फिर जो (मज़लूम ज़ालिम की) ख़ता माफ़ कर दे तो ये उसके गुनाहों का कफ्फ़ारा हो जाएगा और जो शख्स ख़ुदा की नाज़िल की हुई (किताब) के मुवाफ़िक़ हुक्म न दे तो ऐसे ही लोग ज़ालिम हैं
আমি এ গ্রন্থে তাদের প্রতি লিখে দিয়েছি যে, প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ, চক্ষুর বিনিময়ে চক্ষু, নাকের বিনিময়ে নাক, কানের বিনিময়ে কান, দাঁতের বিনিময়ে দাঁত এবং যখম সমূহের বিনিময়ে সমান যখম। অতঃপর যে ক্ষমা করে, সে গোনাহ থেকে পাক হয়ে যায়। যেসব লোক আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না তারাই জালেম।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
কিতাবাত (كتبنا): নির্ধারণ করা, ফরজ করা।
কিসাস (قصاص): সমান শাস্তি, অপরাধীর উপর অপরাধের সমান প্রতিশোধ নেওয়া।
তাসাদ্দুক (تصدق): ক্ষমা করে দেওয়া, নিজের অধিকার ছেড়ে দেওয়া।
কাফফারাহ (كفارة): পাপ মোচনের মাধ্যম।
যালিমুন (ظالمون): সীমালঙ্ঘনকারী, অন্যায়কারী।
তাফসির:
আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি বনী ইসরাঈলের উপর তাওরাত কিতাবে ফরজ করে দিয়েছিলাম যে, হত্যার বদলে হত্যা, চোখের বদলে চোখ, নাকের বদলে নাক, কানের বদলে কান, দাঁতের বদলে দাঁত এবং ক্ষত-আঘাতের ক্ষেত্রে সমান প্রতিশোধ (কিসাস) নেওয়া হবে। অর্থাৎ, ইচ্ছাকৃত অপরাধে অপরাধীর উপর অপরাধের সমান শাস্তি প্রয়োগ করা হবে।
এরপর আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন, যদি কোনো ব্যক্তি তার প্রাপ্য কিসাসের অধিকার ক্ষমা করে দেয়, তবে তা তার জন্য কাফফারাহ (পাপ মোচনের মাধ্যম) হয়ে যাবে। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি অপরাধীকে ক্ষমা করে দেয়, আল্লাহ তার ছোটখাটো গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন।
আর যারা আল্লাহ যা নাযিল করেছেন সে অনুযায়ী বিচার-ফয়সালা করে না, তারা সীমালঙ্ঘনকারী ও জালিম। কারণ তারা আল্লাহর বিধানকে অগ্রাহ্য করে নিজেদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে এবং অন্যায়ভাবে মানুষের অধিকার খর্ব করে।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
ইসলামে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিসাসের বিধান সমাজে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
ক্ষমা করা ইসলামের একটি মহৎ গুণ। ক্ষমা করলে আল্লাহ তাআলা ক্ষমাশীল ব্যক্তির গুনাহ মাফ করে দেন।
আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী বিচার করা প্রতিটি শাসক ও বিচারকের কর্তব্য। এর বিপরীত করা জুলুম ও সীমালঙ্ঘন।
ইসলাম শুধু শাস্তির বিধান দেয় না, সাথে সাথে ক্ষমা ও দয়ার পথও উন্মুক্ত রাখে, যা ইসলামের ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির প্রমাণ।
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, সমাজে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধান প্রয়োজন, কিন্তু সেই সাথে মানুষের প্রতি দয়া ও সহানুভূতিও ইসলামের শিক্ষা।
তারা আপনাকে কেমন করে বিচারক নিয়োগ করবে অথচ তাদের কাছে তওরাত রয়েছে। তাতে আল্লাহর নির্দেশ আছে। অতঃপর এরা পেছন দিকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। তারা কখনও বিশ্বাসী নয়।
আমি তওরাত অবর্তীর্ন করেছি। এতে হেদায়াত ও আলো রয়েছে। আল্লাহর আজ্ঞাবহ পয়গম্বর, দরবেশ ও আলেমরা এর মাধ্যমে ইহুদীদেরকে ফয়সালা দিতেন। কেননা, তাদেরকে এ খোদায়ী গ্রন্থের দেখাশোনা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল এবং তাঁরা এর রক্ষণাবেক্ষণে নিযুক্ত ছিলেন। অতএব, তোমরা মানুষকে ভয় করো না এবং আমাকে ভয় কর এবং আমার আয়াত সমূহের বিনিময়ে স্বল্পমূল্যে গ্রহণ করো না, যেসব লোক আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফায়সালা করে না, তারাই কাফের।
আমি এ গ্রন্থে তাদের প্রতি লিখে দিয়েছি যে, প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ, চক্ষুর বিনিময়ে চক্ষু, নাকের বিনিময়ে নাক, কানের বিনিময়ে কান, দাঁতের বিনিময়ে দাঁত এবং যখম সমূহের বিনিময়ে সমান যখম। অতঃপর যে ক্ষমা করে, সে গোনাহ থেকে পাক হয়ে যায়। যেসব লোক আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না তারাই জালেম।
আমি তাদের পেছনে মরিয়ম তনয় ঈসাকে প্রেরণ করেছি। তিনি পূর্ববর্তী গ্রন্থ তওরাতের সত্যায়নকারী ছিলেন। আমি তাঁকে ইঞ্জিল প্রদান করেছি। এতে হেদায়াত ও আলো রয়েছে। এটি পূর্ববতী গ্রন্থ তওরাতের সত্যায়ন করে পথ প্রদর্শন করে এবং এটি খোদাভীরুদের জন্যে হেদায়েত উপদেশ বানী।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।