Aw taqooloo law annaaa unzila `alainal kitaabu lakunnaaa ahdaa minhum; faqad jaaa`akum baiyinatum mir Rabbikum wa hudanw wa rahmah; faman azlamu mimman kazzaba bi Aayaatil laahi wa sadaf `anhaa; sanajzil lazeena yasdifoona `an Aayaatinaa sooo`al `azaabi bimaa kaanoo yasdifoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
কিংবা বলতে শুরু করঃ যদি আমাদের প্রতি কোন গ্রন্থ অবতীর্ণ হত, আমরা এদের চাইতে অধিক পথপ্রাপ্ত হতাম। অতএব, তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে সুষ্পষ্ট প্রমাণ, হেদায়েত ও রহমত এসে গেছে। অতঃপর সে ব্যক্তির চাইতে অধিক অনাচারী কে হবে, যে আল্লাহর আয়াত সমূহকে মিথ্যা বলে এবং গা বাঁচিয়ে চলে। অতি সত্ত্বর আমি তাদেরকে শাস্তি দেব। যারা আমার আয়াত সমূহ থেকে গা বাঁচিয়ে চলে-জঘন্য শাস্তি তাদের গা বাঁচানোর কারণে।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
या ये कहने लगो कि अगर हम पर किताबे (ख़ुदा नाज़िल होती तो हम उन लोगों से कहीं बढ़कर राहे रास्त पर होते तो (देखो) अब तो यक़ीनन तुम्हारे परवरदिगार की तरफ से तुम्हारे पास एक रौशन दलील है (किताबे ख़ुदा) और हिदायत और रहमत आ चुकी तो जो शख्स ख़ुदा के आयात को झुठलाए और उससे मुँह फेरे उनसे बढ़ कर ज़ालिम कौन है जो लोग हमारी आयतों से मुँह फेरते हैं हम उनके मुँह फेरने के बदले में अनक़रीब ही बुरे अज़ाब की सज़ा देगें (ऐ रसूल) क्या ये लोग सिर्फ उसके मुन्तिज़र है कि उनके पास फरिश्ते आएं
কিংবা বলতে শুরু করঃ যদি আমাদের প্রতি কোন গ্রন্থ অবতীর্ণ হত, আমরা এদের চাইতে অধিক পথপ্রাপ্ত হতাম। অতএব, তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে সুষ্পষ্ট প্রমাণ, হেদায়েত ও রহমত এসে গেছে। অতঃপর সে ব্যক্তির চাইতে অধিক অনাচারী কে হবে, যে আল্লাহর আয়াত সমূহকে মিথ্যা বলে এবং গা বাঁচিয়ে চলে। অতি সত্ত্বর আমি তাদেরকে শাস্তি দেব। যারা আমার আয়াত সমূহ থেকে গা বাঁচিয়ে চলে-জঘন্য শাস্তি তাদের গা বাঁচানোর কারণে।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
بَيِّنَةٌ — সুস্পষ্ট প্রমাণ, অকাট্য দলিল।
هُدًى — সঠিক পথের দিশা, হেদায়াত।
رَحْمَةٌ — রহমত, অনুগ্রহ।
صَدَفَ عَنْهَا — তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া, বিমুখ হওয়া।
سُوءَ الْعَذَابِ — কঠিন/নিকৃষ্টতম শাস্তি।
তাফসীর:
হে মক্কার মুশরিকরা! তোমরা যেন না বলো যে, “যদি আমাদের উপরও কিতাব নাযিল হতো (যেমন ইয়াহুদী-নাসারাদের উপর তাওরাত-ইঞ্জিল নাযিল হয়েছিল), তবে আমরা অবশ্যই তাদের চেয়ে বেশি হেদায়াতপ্রাপ্ত ও সঠিক পথে চলতাম।” আল্লাহ তা‘আলা বলছেন, এই অজুহাত আর গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ তোমাদের কাছে এখন সেই কিতাবই এসে গেছে—পবিত্র কুরআন—যা তোমাদের নিজের ভাষায় (আরবি ভাষায়) নাযিল হয়েছে। এটি তোমাদের রবের পক্ষ থেকে একটি সুস্পষ্ট প্রমাণ, যা সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য করে দেয়। এটি হেদায়াতের আলো, যা মানুষকে অন্ধকার থেকে বের করে সঠিক পথ দেখায় এবং এটি রহমত, যা অনুসরণকারীদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ বয়ে আনে।
অতএব, এখন যদি কেউ এই স্পষ্ট প্রমাণ ও হেদায়াত পাওয়ার পরও তা অস্বীকার করে এবং তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তার চেয়ে বড় জালেম আর কে হতে পারে? আল্লাহর আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলা এবং সেগুলো থেকে বিমুখ হওয়া—এটাই চরম অত্যাচার। এমন লোকদের জন্য আল্লাহ কঠিন শাস্তির ঘোষণা দিয়েছেন। যারা আল্লাহর আয়াত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তাদেরকে তিনি নিকৃষ্টতম শাস্তি দেবেন—জাহান্নামের আগুন—তাদের এই বিমুখতা ও অবজ্ঞার বিনিময়ে।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
আল্লাহর পক্ষ থেকে হেদায়াতের ব্যবস্থা যখন আসে, তখন মানুষের কাছে কোনো অজুহাত থাকে না। কুরআন নাযিলের পর দায়িত্ব সবার উপর স্পষ্ট হয়ে গেছে।
কুরআন প্রতিটি জাতির জন্য রহমত; কারণ এটি এমন এক কিতাব যা যুগে যুগে মানবতার পথপ্রদর্শক। এর নির্দেশনা মেনে চললে দুনিয়া ও আখিরাতের সাফল্য নিশ্চিত।
সত্যকে জানার পর তা প্রত্যাখ্যান করা এবং সত্যের পথে বাধা সৃষ্টি করা—এটি চরম অন্যায় ও জুলুম। আল্লাহ এমন লোকদের কঠিন শাস্তির ভয় দেখিয়েছেন, যা আমাদের সতর্ক করে।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, আল্লাহর কিতাবের প্রতি ভালোবাসা ও আনুগত্য দেখানোই প্রকৃত সাফল্যের চাবিকাঠি। যে ব্যক্তি কুরআনকে গ্রহণ করে এবং তার ওপর আমল করে, সে আল্লাহর রহমতের বিশেষ পাত্র হয়ে যায়।
ইসলামের দাওয়াত গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো বিলম্ব করা উচিত নয়। আজই আমাদের উচিত কুরআনের নির্দেশনা মেনে নিজেদের জীবন গড়ে তোলা, যাতে আখিরাতে আমরা সফল হতে পারি।
এ জন্যে যে, কখনও তোমরা বলতে শুরু করঃ গ্রন্থ তো কেবল আমাদের পূর্ববর্তী দু'সম্প্রদায়ের প্রতিই অবতীর্ণ হয়েছে এবং আমরা সেগুলোর পাঠ ও পঠন সম্পর্কে কিছুই জানতাম না।
কিংবা বলতে শুরু করঃ যদি আমাদের প্রতি কোন গ্রন্থ অবতীর্ণ হত, আমরা এদের চাইতে অধিক পথপ্রাপ্ত হতাম। অতএব, তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে সুষ্পষ্ট প্রমাণ, হেদায়েত ও রহমত এসে গেছে। অতঃপর সে ব্যক্তির চাইতে অধিক অনাচারী কে হবে, যে আল্লাহর আয়াত সমূহকে মিথ্যা বলে এবং গা বাঁচিয়ে চলে। অতি সত্ত্বর আমি তাদেরকে শাস্তি দেব। যারা আমার আয়াত সমূহ থেকে গা বাঁচিয়ে চলে-জঘন্য শাস্তি তাদের গা বাঁচানোর কারণে।
তারা শুধু এ বিষয়ের দিকে চেয়ে আছে যে, তাদের কাছে ফেরেশতা আগমন করবে কিংবা আপনার পালনকর্তা আগমন করবেন অথবা আপনার পালনকর্তার কোন নির্দেশ আসবে। যেদিন আপনার পালনকর্তার কোন নিদর্শন আসবে, সেদিন এমন কোন ব্যক্তির বিশ্বাস স্থাপন তার জন্যে ফলপ্রসূ হবে না, যে পূর্ব থেকে বিশ্বাস স্থাপন করেনি কিংবা স্বীয় বিশ্বাস অনুযায়ী কোনরূপ সৎকর্ম করেনি। আপনি বলে দিনঃ তোমরা পথের দিকে চেয়ে থাক, আমরাও পথে দিকে তাকিয়ে রইলাম।
নিশ্চয় যারা স্বীয় ধর্মকে খন্ড-বিখন্ড করেছে এবং অনেক দল হয়ে গেছে, তাদের সাথে আপনার কোন সম্পর্ক নেই। তাদের ব্যাপার আল্লাহ তা'আয়ালার নিকট সমর্পিত। অতঃপর তিনি বলে দেবেন যা কিছু তারা করে থাকে।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।