hal yanzuroona illaaa an taatiyahumul malaaa`ikatu aw yaatiya Rabbuka aw yaatiya ba`du Aayaati Rabbik; yawma yaatee ba`du Aayaati Rabbika laa yanfa`u nafsan eemaanuhaa lam takun aamanat min qablu aw kasabat feee eemaanihaa khairaa; qulin tazirooo innaa muntaziroon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তারা শুধু এ বিষয়ের দিকে চেয়ে আছে যে, তাদের কাছে ফেরেশতা আগমন করবে কিংবা আপনার পালনকর্তা আগমন করবেন অথবা আপনার পালনকর্তার কোন নির্দেশ আসবে। যেদিন আপনার পালনকর্তার কোন নিদর্শন আসবে, সেদিন এমন কোন ব্যক্তির বিশ্বাস স্থাপন তার জন্যে ফলপ্রসূ হবে না, যে পূর্ব থেকে বিশ্বাস স্থাপন করেনি কিংবা স্বীয় বিশ্বাস অনুযায়ী কোনরূপ সৎকর্ম করেনি। আপনি বলে দিনঃ তোমরা পথের দিকে চেয়ে থাক, আমরাও পথে দিকে তাকিয়ে রইলাম।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
या तुम्हारा परवरदिगार खुद (तुम्हारे पास) आये या तुम्हारे परवरदिगार की कुछ निशानियाँ आ जाएं (आख़िरकार क्योकर समझाया जाए) हालांकि जिस दिन तुम्हारे परवरदिगार की बाज़ निशानियाँ आ जाएंगी तो जो शख्स पहले से ईमान नहीं लाया होगा या अपने मोमिन होने की हालत में कोई नेक काम नहीं किया होगा तो अब उसका ईमान लाना उसको कुछ भी मुफ़ीद न होगा - (ऐ रसूल) तुम (उनसे) कह दो कि (अच्छा यही सही) तुम (भी) इन्तिज़ार करो हम भी इन्तिज़ार करते हैं
الْمَلَائِكَةُ – ফেরেশতারা (আযাব বা প্রাণ হরণের জন্য)।
بَعْضُ آيَاتِ رَبِّكَ – আপনার রবের কিছু নিদর্শন (কিয়ামতের বড় আলামত, যেমন সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়া)।
لَا يَنفَعُ – কোনো উপকারে আসবে না।
كَسَبَتْ فِي إِيمَانِهَا خَيْرًا – ঈমানের সাথে সাথে সৎকর্ম অর্জন করেছে।
انتَظِرُوا – তোমরা অপেক্ষা করো।
إِنَّا مُنتَظِرُونَ – আমরাও অপেক্ষাকারী।
তাফসির:
যারা সত্যকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে ফিরিয়ে রেখেছে, তারা কি শুধু এই অপেক্ষায় আছে যে, তাদের কাছে মৃত্যুর ফেরেশতা ও তার সহকারীরা এসে তাদের প্রাণ হরণ করবে? অথবা (হে নবী!) আপনার রব কিয়ামতের দিন তাঁর বান্দাদের মধ্যে চূড়ান্ত ফয়সালা করার জন্য আগমন করবেন? অথবা আপনার রবের কিছু মহান নিদর্শন প্রকাশিত হবে—যেমন সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়া, যা কিয়ামতের আগমনী বার্তা?
সেই দিন—যখন আল্লাহর বড় নিদর্শনগুলো প্রকাশিত হবে—তখন কোনো ব্যক্তির ঈমান গ্রহণ করা তার কোনো কাজে আসবে না, যদি সে আগে থেকে ঈমান না এনে থাকে। আর যে ব্যক্তি ঈমান এনেছিল কিন্তু সৎকর্ম করেনি, সেদিনের তওবা বা ঈমানও তাকে উপকার দেবে না, যদি সে আগে ভালো কাজ না করে থাকে। কারণ, সেদিন ঈমান আনা হবে বাধ্যতামূলক, স্বেচ্ছায় নয়; আর বাধ্য হয়ে ঈমান আনার কোনো মূল্য নেই।
তাই (হে নবী!) আপনি তাদের বলে দিন: “তোমরা এই বিষয়গুলোর অপেক্ষা করো—মৃত্যু, কিয়ামত বা আল্লাহর নিদর্শন—আমরাও তোমাদের জন্য আল্লাহর আযাবের অপেক্ষায় আছি।” অর্থাৎ, তোমরা যে শাস্তির দাবিদার হচ্ছো, তা একদিন অবশ্যই আসবে; তখন তোমরা জানতে পারবে কে সত্যের উপর ছিল আর কে মিথ্যার উপর ছিল।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহর শাস্তি ও কিয়ামত অবশ্যই আসবে—এতে কোনো সন্দেহ নেই। তাই বুদ্ধিমান ব্যক্তি সেই দিনের জন্য প্রস্তুতি নেয়।
ঈমান ও সৎকর্মের সময় হলো দুনিয়ার জীবন। মৃত্যুর পর বা কিয়ামতের আলামত দেখে ঈমান আনা কোনো কাজে আসবে না।
আল্লাহর রহমত ও ক্ষমার দরজা সবসময় খোলা, কিন্তু তা কেবল দুনিয়ার জীবনে। তাই দেরি না করে এখনই তওবা ও সৎকর্মের মাধ্যমে নিজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা উচিত।
কুরআন ও রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নির্দেশনা মেনে চলাই হলো প্রকৃত সাফল্যের পথ। যে ব্যক্তি এ পথে চলবে, সে কিয়ামতের ভয়াবহতা থেকে নিরাপদ থাকবে।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, আল্লাহর নিদর্শন ও শাস্তি দেখে নয়, বরং আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও ইবাদতের মাধ্যমে ঈমান আনা উচিত—যাতে তা আন্তরিক ও গ্রহণযোগ্য হয়।
তারা শুধু এ বিষয়ের দিকে চেয়ে আছে যে, তাদের কাছে ফেরেশতা আগমন করবে কিংবা আপনার পালনকর্তা আগমন করবেন অথবা আপনার পালনকর্তার কোন নির্দেশ আসবে। যেদিন আপনার পালনকর্তার কোন নিদর্শন আসবে, সেদিন এমন কোন ব্যক্তির বিশ্বাস স্থাপন তার জন্যে ফলপ্রসূ হবে না, যে পূর্ব থেকে বিশ্বাস স্থাপন করেনি কিংবা স্বীয় বিশ্বাস অনুযায়ী কোনরূপ সৎকর্ম করেনি। আপনি বলে দিনঃ তোমরা পথের দিকে চেয়ে থাক, আমরাও পথে দিকে তাকিয়ে রইলাম।
এ জন্যে যে, কখনও তোমরা বলতে শুরু করঃ গ্রন্থ তো কেবল আমাদের পূর্ববর্তী দু'সম্প্রদায়ের প্রতিই অবতীর্ণ হয়েছে এবং আমরা সেগুলোর পাঠ ও পঠন সম্পর্কে কিছুই জানতাম না।
কিংবা বলতে শুরু করঃ যদি আমাদের প্রতি কোন গ্রন্থ অবতীর্ণ হত, আমরা এদের চাইতে অধিক পথপ্রাপ্ত হতাম। অতএব, তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে সুষ্পষ্ট প্রমাণ, হেদায়েত ও রহমত এসে গেছে। অতঃপর সে ব্যক্তির চাইতে অধিক অনাচারী কে হবে, যে আল্লাহর আয়াত সমূহকে মিথ্যা বলে এবং গা বাঁচিয়ে চলে। অতি সত্ত্বর আমি তাদেরকে শাস্তি দেব। যারা আমার আয়াত সমূহ থেকে গা বাঁচিয়ে চলে-জঘন্য শাস্তি তাদের গা বাঁচানোর কারণে।
তারা শুধু এ বিষয়ের দিকে চেয়ে আছে যে, তাদের কাছে ফেরেশতা আগমন করবে কিংবা আপনার পালনকর্তা আগমন করবেন অথবা আপনার পালনকর্তার কোন নির্দেশ আসবে। যেদিন আপনার পালনকর্তার কোন নিদর্শন আসবে, সেদিন এমন কোন ব্যক্তির বিশ্বাস স্থাপন তার জন্যে ফলপ্রসূ হবে না, যে পূর্ব থেকে বিশ্বাস স্থাপন করেনি কিংবা স্বীয় বিশ্বাস অনুযায়ী কোনরূপ সৎকর্ম করেনি। আপনি বলে দিনঃ তোমরা পথের দিকে চেয়ে থাক, আমরাও পথে দিকে তাকিয়ে রইলাম।
নিশ্চয় যারা স্বীয় ধর্মকে খন্ড-বিখন্ড করেছে এবং অনেক দল হয়ে গেছে, তাদের সাথে আপনার কোন সম্পর্ক নেই। তাদের ব্যাপার আল্লাহ তা'আয়ালার নিকট সমর্পিত। অতঃপর তিনি বলে দেবেন যা কিছু তারা করে থাকে।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।